alo
ঢাকা, বুধবার, ফেব্রুয়ারী ৮, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ | ২৬ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

'চট্টগ্রামে ৮ হাজার ২৯ কোটি টাকার ১৬টি প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে'

প্রকাশিত: ২২ জানুয়ারী, ২০২৩, ১২:২৮ এএম

'চট্টগ্রামে ৮ হাজার ২৯ কোটি টাকার ১৬টি প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে'
alo

 

চট্টগ্রাম ব্যুরো: পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রামের উন্নয়নের জন্য আন্তরিক। তাই চট্টগ্রামে গত চার বছরে ৮ হাজার ২৯ কোটি টাকার ১৬টি প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে।

শনিবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রামের পোর্টসিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নবীন বরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, প্রকল্পগুলোর মধ্যে স্থায়ী প্রতিরক্ষা কাজ ৫২ দশমিক ৭৮ কিলোমিটার, খাল পুনর্খনন ১৮০ কিলোমিটার, বাঁধ নির্মাণ ও পুনর্নিমাণ ২১৮ দশমিক ৮৯ কিলোমিটার এবং রেগুলেটর রয়েছে ৫৪টি। এরইমধ্যে ৩ হাজার ৮৫৩ কোটি টাকার ৭টি প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে। এখন ৪ হাজার ১৭৭ কোটি টাকার কাজ শেষ পর্যায়ে। এগুলো নির্ধারিত সময়ে শেষ হবে।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বাস্তবায়ন করছে। এ প্রকল্প শেষ হলে চট্টগ্রাম মহানগরীর মানুষ জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবেন।

এ কে এম এনামুল হক শামিম বলেন, ‘করোনাকালে একনেক, কেবিনেট, প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক সবকিছুই অনলাইনে হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ না হলে এই দেশ স্থবির হয়ে যাওয়ার অবস্থায় পড়তে হতো। আজকে ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। পড়াশোনায় স্মার্ট, খেলাধুলায় স্মার্ট, চলাফেরায় স্মার্ট, স্মার্ট রাস্তা, স্মার্ট শিক্ষাব্যবস্থা, একেবারে সব দিক থেকে স্মার্ট। সব দিক থেকে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে বিশ্বমানের দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চান।’

নবীন শিক্ষার্থদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের বাবা-মা অপেক্ষা করেন, কত দ্রুত ওনাদের সন্তান পড়াশোনা শেষ করে বের হবে। পোর্টসিটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকে কিছু বিষয়ে কোনো কম্প্রোমাইজ করেনি। সেসব হচ্ছে পড়াশোনা, পড়াশোনা এবং পড়াশোনা। তোমরা যেন সবসময় পড়াশোনা ঠিকমত করো, নিয়মের মধ্যে থাকো, সেই অনুরোধ করি। এটা প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনা।’

ডিজিটাল বাংলাদেশের উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরে এনামুর হক শামিম বলেন, ‘স্মার্ট বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে আপনারা অনেক কিছুই দেখতে পারছেন। কারণ আপনার শেখ হাসিনার মত একজন সরকার প্রধান পেয়েছেন। আমরা যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছি, ফোন তো দূরের কথা, কম্পিউটার থাকতো শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে। এটা ধরা যাবে না, ছোয়া যাবে না, আমরা একেবারে হাত-মুখ ধুয়ে অজু করে সেখানে যেতাম। আর এখন ৫-৬ বছরের বাচ্চারা আইপ্যাড, কম্পিউটার দিয়ে গেম খেলে। এটাই ডিজিটাল বাংলাদেশ।’

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০০ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে রত্নগর্ভা বেগম আশরাফুন্নেসা ফাউন্ডেশন থেকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বৃত্তি দেয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নূরল আনোয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মো. আবু তাহের, বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান তাহমিনা খাতুন, সদস্য অধ্যাপক ড. এম মুজিবুর রহমান, আইন উপদেষ্টা প্রশান্ত ভূষণ বড়ুয়া, মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন, মো. মিজানুর রহমান, মো. আলী আজম স্বপন, ডা. জাহানারা আরজু, রেজিস্ট্রার ওবায়দুর রহমান প্রমুখ।

নিউজনাউ/পিপিএন/২০২৩

 

X