alo
ঢাকা, মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী ৭, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ | ২৪ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

বিএনপির সমাবেশে ‘নারায়ে তাকবির’ স্লোগানে সাকাপুত্রের হুংকার

প্রকাশিত: ১৩ অক্টোবর, ২০২২, ১২:৩৭ এএম

বিএনপির সমাবেশে ‘নারায়ে তাকবির’ স্লোগানে সাকাপুত্রের হুংকার
alo

চট্টগ্রাম ব্যুরোঃ চট্টগ্রামে বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশে ‘নারায়ে তাকবির’ স্লোগান দিয়ে বক্তব্য শেষ করেছেন মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসি কার্যকর হওয়া সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী। এসময় তিনি বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতা ছাড়ার পর আর একা বাড়ি ফিরতে পারবে না। প্রত্যেক শহীদের (যুদ্ধপরাধে দণ্ডিত) বাড়িতে গিয়ে ক্ষমা চেয়ে যেতে হবে।’

বুধবার (১২ অক্টোবর) বিকেলে নগরের পলোগ্রাউন্ড মাঠে সমাবেশে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরীর বক্তব্যের সময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ কেন্দ্রীয় নেতারা মঞ্চে ছিলেন।

হুম্মাম কাদের বলেন, ‘ক্ষমতাচ্যুত হলে শহীদ পরিবারের কাছে ক্ষমা চাওয়া ছাড়া আওয়ামী লীগ কোথাও যেতে পারবে না। প্রতিটি মানুষকে হত্যার হিসেব তাদের দিতে হবে। আপনারা সবাই যদি ঐক্যবদ্ধ থাকেন, আমাদের পরাজিত করার শক্তি কারো নেই। আপনাদের সামনে আওয়ামী সরকারকে বলতে চাই, আপনারা যখন ক্ষমতা ছেড়ে যাবেন, একা বাড়িতে যেতে পারবেন না। আমরা বাধ্য করবো, প্রতিটা শহীদের বাড়িতে ক্ষমা চেয়ে যেতে হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমি বেশি সময় নিতে চাই না, তবে যাওয়ার আগে বাবার স্লোগান আপনাদের সামনে আরেকবার ধরে যেতে চাই। নারায়ে তকবির, নারায়ে তকবির, নারায়ে তকবির। ইনশাআল্লাহ সামনেরবার যখন আবার এই ময়দানে আসবো তখন সরকার গঠন করেই আসবো।’

হুম্মাম কাদের যখন ‘নারায়ে তাকবির’ বলে তিন বার স্লোগান দেন, বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ‘আল্লাহু আকবর’ বলে জবাব দেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সমাবেশে সভাপতিত্ব করা চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘নারায়ে তাকবির আমাদের সাংগঠনিক স্লোগান নয়। পুরো সমাবেশে এই স্লোগান আর কোনো নেতা দেননি। উনি (হুম্মাম) দিয়েছেন উনার ব্যক্তিগত জায়গা থেকে। দেওয়ার আগে উনি নিজেই বলেছেন যে, বাবার স্লোগানটা দিচ্ছি। যেহেতু উনার বাবাও এই স্লোগানটা দিতেন। তাই ব্যক্তিগত চিন্তা থেকে হয়ত উনি দিয়েছেন।’ 

হুম্মামের বাবা বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে ১৯৭১ সালে সংঘটিত যুদ্ধাপরাধের দায়ে ২০১৫ সালের নভেম্বরে ফাঁসি দেয়া হয়। 
নিউজনাউ/পিপিএন/২০২২

X