alo
ঢাকা, বুধবার, মার্চ ২২, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ | ৭ চৈত্র ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

পিছিয়ে যাচ্ছে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন

প্রকাশিত: ৩০ ডিসেম্বর, ২০২২, ০৭:২৬ পিএম

পিছিয়ে যাচ্ছে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন
alo

 

নিউজনাউ ডেস্ক: আগামী বছরের শেষ নাগাদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের উৎপাদন লক্ষ্য ছিল। কিন্তু কভিড মহামারীতে এ প্রকল্পের সঞ্চালন লাইনের কাজ বিলম্বিত হওয়ায় কেন্দ্রটির উৎপাদন পিছিয়ে যাচ্ছে। এ কারণে ২০২৪ সালের শেষ নাগাদ রূপপুর প্রকল্পটি উৎপাদনে আসতে পারে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। বৃহস্পতিবার পাবনার ঈশ্বরদীতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে এক ব্রিফিংয়ে তিনি কাজ পেছানোর এ কথা জানান।

নসরুল হামিদ বলেন, করোনা মহামারির কারণে কাজ কিছুটা পিছিয়ে গেছে। এতে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাজ সময়মতো শেষ করা যায়নি। বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের কাজও শুরু করতে দেরি হয়েছে। তবে সব কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক। কোনো অসুবিধা হবে না। প্রথম ইউনিটের কাজ ৮৭ শতাংশ শেষ হয়েছে।

ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে আমেরিকার অবরোধের মুখে কাজের ব্যাঘাত ঘটবে কি না, জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, কোনো ব্যাঘাত ঘটবে না।

রূপপুর প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের বিজ্ঞানী ও প্রকল্পের পরিচালক মো. শৌকত আকবর বলেন, ২০২৪ সালের মাঝামাঝি প্রথম ইউনিটের কাজ শেষ করার প্রক্রিয়া চলছে।

এর আগে সাংবাদিকদের সামনে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের অগ্রগতি নিয়ে একটু নিবন্ধ উপস্থাপন করেন ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান অ্যাটমস্ট্রয়এক্সপোর্টের ভাইস প্রেসিডেন্ট এলেক্সান্দার দেইরি। এতে বলা হয়, জার্মান কোম্পানি সিমেন্স এজি রূপপুরের উপকেন্দ্রের যন্ত্রপাতি সরবরাহে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। এতে প্রথম ইউনিট উৎপাদনে আসার সময় পিছিয়ে যাওয়া ঠেকানোর ব্যবস্থা নিতে পরামর্শ দিয়েছে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান।


রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আওতায় পরমাণু শক্তি কমিশন। ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াটের দুটি ইউনিট নির্মাণ করছে রাশিয়ার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অ্যাটমস্ট্রয়এক্সপোর্ট। খরচ হচ্ছে প্রায় ১ লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা। তবে এখন পর্যন্ত রূপপুর প্রকল্পের ব্যয় বা মেয়াদ—কোনোটাই বাড়াতে হয়নি। ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদ আছে।

নিউজনাউ/এসএইচ/২০২২

X