alo
ঢাকা, মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ৬, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

উত্তরার বারে অভিযান নিয়ে ডিএনসি ও পুলিশের চরম দ্বন্দ্ব

প্রকাশিত: ০৯ অক্টোবর, ২০২২, ০৪:৩৭ পিএম

উত্তরার বারে অভিযান নিয়ে ডিএনসি ও পুলিশের চরম দ্বন্দ্ব
alo

 নিউজনাউ ডেস্ক:  রাজধানীর উত্তরার গরীবে নেওয়াজ অ্যাভিনিউয়ে লেকভিউ বারে অভিযান নিয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) ও পুলিশের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা গেছে। ডিএনসি বলছে, ওই বারে আইনের কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি। বারটি বৈধভাবেই চলছিল। অন্যদিকে পুলিশ জানিয়েছে, কোনো জায়গায় অসামাজিক কার্যকলাপ বা অবৈধভাবে মদ বিক্রি করা হলে পুলিশ যেকোনো সময় অভিযান পরিচালনা করতে পারে।

রোববার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ এ কথা জানান।

বৃহস্পতিবার রাতে উত্তরার একটি ভবনে অভিযান চালায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। সেখানকার একটি বার থেকে প্রায় সাড়ে ছয় হাজার ক্যান বিয়ার ও সাড়ে চার শতাধিক বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করার কথা ডিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়। ডিবির দাবি, ওই ভবনে অবৈধভাবে দেশি-বিদেশি মদ ও বিয়ারের ব্যবসা করা হয়। কিংফিশার রেস্টুরেন্ট নামে ওই ভবনের পঞ্চম, ষষ্ঠ ও সপ্তম তলায় অবৈধ কার্যক্রম চলত।
তবে এই অভিযানকে আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ড বলে মনে করছেন ডিএনসির কর্মকর্তারা।

ডিএনসি বলছে, ওই বারে আইনের কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি। লাইসেন্স নিয়ে বারটি পরিচালনা করা হচ্ছিল। আর বার থেকে যেসব মদ-বিয়ার উদ্ধার করা হয়েছে, লাইসেন্স অনুযায়ী তারা সেসব সংরক্ষণ করতে পারে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উত্তরা এলাকার পরিদর্শক মাহবুবুর রহমান অভিযোগ করেছেন, ‘লেকভিউ বারের লাইসেন্স সঠিক আছে। তাদের কাগজপত্র ঠিক আছে। অভিযানের সময় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আমি সেখানে গেলে ডিবির সদস্যরা আমার সঙ্গে অশোভন আচরণ করেছে।’

তবে ডিবি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ডিএনসির অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজশে উত্তরা এলাকার ওই বারে অবৈধভাবে মদ-বিয়ার রেখে ব্যবসা করা হচ্ছিল। অভিযানের সময় সংরক্ষিত মদ ও বিয়ার আমদানির বৈধ কোনো কাগজপত্র তারা দেখাতে পারেনি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) হারুন অর রশীদ বলেন, ‘পুলিশ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করতে পারে কি না বা মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করতে পারে কি না তা আপনারা (সাংবাদিক) ভালো জানেন। আমাদের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ২৩ ধারায় স্পষ্ট বলা আছে কারা তল্লাশি করবে বা করবে না।’

তিনি বলেন, ‘পুলিশ প্রয়োজনে কোনো জায়গায় অসামাজিক কার্যকলাপ, অবৈধভাবে মদ বিক্রি এবং যেকোনো ঘটনা ঘটলে পুলিশ যেকোনো জায়গায় অভিযান বা তল্লাশি চালাতে পারে। আমরা সব সময় এটা করে আসছি, আমরা বড় বড় চালান ধরছি। এ ছাড়া অবৈধ বারে আমরা অভিযান পরিচালনা করছি।’


নিউজনাউ/এসএইচ/২০২২

X