alo
ঢাকা, মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১২ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

পাম অয়েল ও চিনির দাম কমানোর সুপারিশ

প্রকাশিত: ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ০৮:৩১ এএম

পাম অয়েল ও চিনির দাম কমানোর সুপারিশ
alo


নিউজনাউ ডেস্ক: বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন পাম অয়েলে লিটার প্রতি ১২ টাকা এবং চিনির দাম কেজিতে ৪ টাকা কমানোর সুপারিশ করেছে। তবে সয়াবিন তেলের বর্তমান দাম বহাল রাখার সুপারিশ করেছে কমিশন।

ট্যারিফ কমিশনের সুপারিশে বলা হয়, পাম তেলের দাম ১৪৫ টাকা লিটার নির্ধারণ করা আছে। এই ভোজ্যতেলের দাম লিটারে অন্তত ১২ টাকা কমিয়ে ১৩৩ টাকা নির্ধারণ করা যেতে পারে।

বিশ্ব বাজারে সয়াবিন তেলের দামে তেমন প্রভাব পড়েনি। তবে পাম তেলের দাম কমে এসেছে। তাই এই তেলের দাম স্থানীয় বাজারে কমানোর সুযোগ আছে। আর সয়াবিন তেল যে দামে বিক্রি হচ্ছে তা যৌক্তিক।

চিনির বিষয়ে ট্যারিফ কমিশনের সুপারিশে বলা হয়, প্রতিকেজি খোলা চিনির খুচরা মূল্য ৮৪ টাকা এবং প্যাকেটজাত ৮৮ টাকা হওয়া উচিত।

তবে সরকারি বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) বাজার দরের তথ্য বলছে, খোলা বাজারে প্রতিকেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ৯৫ টাকায়। 

মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) টিসিবির বাজারদরের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন বাজারে প্রতি লিটার ভালো মানের পাম অয়েল (সুপার) ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আরেক ধরনের পাম অয়েলের দাম প্রতি লিটার ১২৬ থেকে ১৩৫ টাকা। গত ২৩ আগস্ট বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সুপার পাম অয়েলের দাম প্রতি লিটারে সর্বোচ্চ ১৪৫ টাকা নির্ধারণ করে। ট্যারিফ কমিশন প্রতি লিটার সুপার পাম অয়েলের দাম সর্বোচ্চ ১৩৩ টাকা নির্ধারণের সুপারিশ করেছে।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে প্রতি কেজি চিনি ৯০ থেকে ৯৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর সর্বশেষ চিনির দাম নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু ছয় মাসের বেশি সময় ধরে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশিতে বেচাকেনা হচ্ছে। কমিশন প্রতি কেজি খোলা চিনি সর্বোচ্চ ৮৪ টাকা এবং প্যাকেটজাত চিনি সর্বোচ্চ ৮৮ টাকা নির্ধারণের সুপারিশ করেছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, নিত্যপ্রয়োজনীয় ৯টি পণ্যের মধ্যে দুটির দাম নির্ধারণের সুপারিশ করেছে ট্যারিফ কমিশন। রড ও সিমেন্টের দাম নির্ধারণে আরও সময় দরকার। অন্য ৫টি পণ্যের দাম নির্ধারণে সিদ্ধান্ত দেবে কৃষি মন্ত্রণালয়।

নিউজনাউ/আরবি/২০২২

X