alo
ঢাকা, বুধবার, ফেব্রুয়ারী ৮, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ | ২৬ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

পরিবার খুঁজে পেলো ২৫ বছর পর দেশে আসা সেই প্রবাসী বৃদ্ধ

প্রকাশিত: ১৮ জানুয়ারী, ২০২৩, ১১:৫১ পিএম

পরিবার খুঁজে পেলো ২৫ বছর পর দেশে আসা সেই প্রবাসী বৃদ্ধ
alo

 

চট্টগ্রাম ব্যুরো: দীর্ঘ ২৫ বছর পর দেশে ফেরা সেই সৌদি প্রবাসী আবুল কাশেম খুঁজে পেয়েছেন তার পরিবারকে। ঠিকানা ভুলে গেলেও সন্তানকে চিনতে ভুল করেননি বাবা। ব্র্যাকের সেইফ হোমে ৫ দিন থাকার পর বাবা আবুল কাশেমকে তুলে দেওয়া হলো তার স্বজনদের কাছে। তাকে নিয়ে হালিশহরের দুবাপাড়ার বাড়িতে ফিরেছেন তার সন্তানরা।

বুধবার (১৮ জানুয়ারি) বিকেলে আবুল কাশেম নামের ওই বৃদ্ধকে তার পুত্র ও কন্যাসহ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করেন ব্র্যাকের মাইগ্রেশন কর্মসূচি প্রধান শরিফুল হাসান। 

এর আগে, গত শুক্রবার রাতে সৌদি আরব থেকে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেমেছিলেন এই বৃদ্ধ। কিন্তু তিনি নিজের ঠিকানা বলতে পারছিলেন না। তার কাছে পাসপোর্টও ছিল না। অনেক কিছু ভুলে গিয়েছেন। এরপর বিমানবন্দরের পুলিশ তাকে বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের মাইগ্রেশন ওয়েলফেয়ার সেন্টারে পাঠায়।

তার খোঁজ পেতে ব্র্যাকের কর্মীরা চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় খোঁজখবর শুরু করেন। গণমাধ্যমেও বিষয়টি জানানো হয়। এরপর চট্টগ্রামের ২৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়রের সহায়তায় তার পরিবারের সন্ধান মেলে।

আবুল কাশেমকে হস্তান্তরের সময় এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিয়াউল হক, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপক স্কোয়াড্রন লিডার মো. রাসেল তালুকদার এবং হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের সহকারী পরিচালক ফখরুল আলম উপস্থিত ছিলেন।

হস্তান্তরের আগে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ঘটনার বিস্তারিত জানিয়ে ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের কর্মসূচি প্রধান শরিফুল হাসান জানান, বিমানবন্দরের প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক, এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশসহ সবার সহযোগিতায় বিদেশফেরতদের জন্য আমরা নানান ধরনের সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকি।
দীর্ঘদিন পর পরিবারকে পেয়ে আবুল কাশেম তার সন্তানদের বারবার জড়িয়ে ধরছিলেন। 

তাকে নিতে আসা কন্যা পারভীন আক্তার বলেন, ‘আমার বাবা যখন ২৫ বছর আগে সৌদি আরবে যায় অমার ছোট বোন রুমা তখন মায়ের পেটে। বাবার সঙ্গে আমাদের স্মৃতি খুব কম। আমরা এখন বাবাকে ফেরত পেলাম। আমাদের অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।’

নিউজনাউ/আরএইচআর/২০২৩

X