alo
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

পিবিআই প্রধানসহ ৬ পুলিশের বিরুদ্ধে বাবুলের আবেদনের আদেশ ২৫ সেপ্টেম্বর

প্রকাশিত: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ০২:১৬ পিএম

পিবিআই প্রধানসহ ৬ পুলিশের বিরুদ্ধে বাবুলের আবেদনের আদেশ ২৫ সেপ্টেম্বর
alo

 

চট্টগ্রাম ব্যুরো: স্ত্রী মিতু হত্যায় অভিযুক্ত সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার পিবিআই হেফাজতে থাকার সময় নির্যাতনের শিকার হয়েছেন মর্মে করা দু’টি আবেদনের বিষয়ে আদেশ দেওয়ার সময় পেছানো হয়েছে। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) প্রধান বনজ কুমার মজুমদারসহ ছয় পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে করা এই মামলার আবেদনের আদেশ ২৫ সেপ্টেম্বর ধার্য করেছে আদালত।

সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ জেবুন্নেছা বেগমের আদালতে এসব বিষয়ে আদেশ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বিচারক ছুটিতে থাকায় ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্বে থাকা চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শরীফুল আলম ভূঁইয়া আদেশের দিন ধার্য করেছেন।

এর আগে ৮ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ ড.বেগম জেবুননেছার আদালতে বাবুল আক্তারের পক্ষে আইনজীবীরা এ আবেদন করেন। ওইদিন আদালত সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর)  আদেশের তারিখ ধার্য করেন।

মামলায় বিবাদী করা হয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) বর্তমান প্রধান বনজ কুমার মজুমদার, পিবিআই চট্টগ্রাম জেলার ইনচার্জ পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান, পিবিআই মেট্রোর ইনচার্জ পুলিশ সুপার নাঈমা সুলতানা, পিবিআই এর তৎকালীন পরিদর্শক ও বর্তমানে নগরের খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সন্তোষ কুমার চাকমা, পিবিআই চট্টগ্রাম জেলার সাবেক পরিদর্শক এ কে এম মহিউদ্দিন সেলিম ও পিবিআই পরিদর্শক কাজী এনায়েত কবিরকে।

মহানগর পিপি বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. ফখরুদ্দিন চৌধুরী বলেন, বাবুল আক্তারকে স্বীকারোক্তি আদায়ের চেষ্টায় বিভিন্ন সময়ে নির্যাতনের অভিযোগ এনে এ মামলা গ্রহণের আর্জি জানানো হয়েছে। ওই অভিযোগ মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হবে কি-না, সে বিষয়ে আগামি ২৫ সেপ্টেম্বর আদালত সিদ্ধান্ত দেবে।

গত ১৩ সেপ্টেম্বর মিতু হত্যা মামলায় বাবুল আক্তারসহ ৭ জনকে আসামি করে আদালতে চার্জশিট দিয়েছে পিবিআই। ১০ অক্টোবর মামলার শুনানির তারিখ ধার্য রয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে নগরের পাঁচলাইশ থানার ও আর নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে বাসার অদূরে গুলি ও ছুরিকাঘাত করে খুন করা হয় বাবুলের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতুকে। স্ত্রী খুনের ঘটনায় পুলিশ সদর দফতরের তৎকালীন এসপি বাবুল আক্তার বাদি হয়ে নগরের পাঁচলাইশ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন। 

গোয়েন্দা কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদসহ নানা নাটকীয়তার পর ২০১৬ সালের আগস্টে বাবুল আক্তারকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। হত্যাকাণ্ডের পরের বছর অর্থাৎ ২০১৭ সালে মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন প্রথম এই খুনে বাবুলের জড়িত থাকার সন্দেহ প্রকাশ করেন। পরে আদালতের আদেশে মিতু হত্যা মামলার তদন্ত ভার নেয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই)। 

হত্যাকাণ্ডের প্রায় পাঁচ বছরের মাথায় গত ১১ মে বাবুল আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চট্টগ্রাম পিবিআই কার্যালয়ে ডেকে নেওয়া হয়। এর পরদিন ১২ মে ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদার বলেন, মিতু হত্যার সঙ্গে তার স্বামী বাবুল আক্তারের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পেয়েছেন তারা। বাবুল আক্তারকে বর্তমানে ফেনী জেলা কারাগারে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে দুই দফা জামিনের আবেদন করেন তিনি। কিন্তু জামিন পাননি।

নিউজনাউ/পিপিএন/২০২২

X