alo
ঢাকা, বুধবার, ফেব্রুয়ারী ৮, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ | ২৬ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

নষ্ট খাবার রাস্তায় ফেলে ঢাবি শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ প্রকাশ

প্রকাশিত: ২৪ জানুয়ারী, ২০২৩, ০৪:৪০ পিএম

নষ্ট খাবার রাস্তায় ফেলে ঢাবি শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ প্রকাশ
alo

নিউজনাউ ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় একাত্তর হল কর্তৃপক্ষের সরবরাহকৃত শুভেচ্ছা ভোজের খাবার নষ্ট হয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ কারণে খাবার প্যাকেট (বাটি) হলের পাশে রাস্তায় ছুঁড়ে ফেলেছেন শিক্ষার্থীরা। এসময় ‘ভুয়া’, ‘ভুয়া’ স্লোগান দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে। 

সোমবার (২৩ জানুয়ারি) রাতে বিজয় একাত্তর হল ট্রাস্ট ফান্ডের প্রভোস্ট গোল্ড মেডেল, প্রভোস্ট অ্যাওয়ার্ড এবং বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে সরবরাহকৃত খাবার নিয়ে এই ঝামেলার সূত্রপাত।

হলের শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, আজকের অনুষ্ঠান উপলক্ষে হল কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের মধ্যে কুপন বিতরণ করে গতকাল রবিবার এবং তার আগের দিন শনিবার। তবে পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের সুবিধার কথা ভেবে কুপন বিতরণের সময়সীমা বৃদ্ধি করা হয় আজ দুপুর পর্যন্ত। হলের আবাসিক পরিচয়পত্র অথবা পে-ইন স্লিপ দিয়ে বিভিন্ন ঝামেলা কাটিয়ে কুপন হাতে পায় ছাত্ররা। কিন্তু আজ রাত আনুমানিক সাড়ে আটটার সময় খাবার বিতরণ শুরু হয়।

হল কর্তৃপক্ষের সরবরাহকৃত খাবারের বাটিতে পোলাও, মুরগির রোস্ট এবং একটা ডিম দেওয়া হয়। কিন্তু বাটি খুলে দেখা যায় তাতে দুর্গন্ধ ছড়িয়েছে। রোস্ট এবং পোলাও উভয়েই দুর্গন্ধ সৃষ্টি হওয়ায় তা আর খাওয়ার উপযুক্ত নয় বলে জানায় ছাত্ররা। এসময় ভুলবশত এই পঁচা খাবার খেয়ে এবং খাবারের দুর্গন্ধে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী পেটের পীড়ায় আক্রান্ত হয়।

ক্ষোভ প্রকাশ করে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক  বিজয় একাত্তর হলের একজন আবাসিক ছাত্র বলেন, অনেক সময় আগে রান্না করার জন্যই খাবার নষ্ট হয়ে গেছে। খাবার ঠিক সময়ে রান্না করে ঠিকঠাক প্যাকেজিং করলে এ সমস্যা হতো না। পোলাও এবং রোস্টে দুর্গন্ধ হয়েছে রান্নায় অব্যবস্থাপনার জন্য। 

খাবার নষ্টের বিষয়ে জানতে চাইলে বিজয় একাত্তর হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আবদুল বাসির বলেন, প্রভোস্ট অ্যাওয়ার্ড এবং গোল্ড মেডেল প্রদান উপলক্ষে স্ন্যাকস দেওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু করোনার পরবর্তীকালে আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর যেহেতু এই প্রথম প্রভোস্ট অ্যাওয়ার্ড এবং গোল্ড মেডেল দেওয়া হচ্ছে। তাই আমি রাতের খাবারের ব্যবস্থা করার দায়িত্ব দেই হল ক্যান্টিনকে। 

“সবকিছু ঠিক থাকলেও তারা গরম খাবার বাটিতে তুলে সারি করে রেখে দেয়। তাই গরমে খাবার নষ্ট হয়ে গেছে। সব খাবার নষ্ট হয়নি, কিছু খাবার নষ্ট হয়েছে। এর দায়ভার কোনো শিক্ষকের নয় বরং হলের প্রভোস্ট হিসেবে দায়ভার আমার। অচিরেই আমরা হলের শিক্ষার্থীদের জন্য আবারও খাবারের আয়োজন করবো।”

নিউজনাউ/কেআই/২০২৩

X