alo
ঢাকা, রবিবার, নভেম্বর ২৭, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

জঙ্গি পালানোর ঘটনায় ১০ জন রিমান্ডে, ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি

প্রকাশিত: ২১ নভেম্বর, ২০২২, ১২:৪২ এএম

জঙ্গি পালানোর ঘটনায় ১০ জন রিমান্ডে, ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি
alo

 

নিউজনাউ ডেস্ক: ঢাকার আদালত এলাকায় ‘পুলিশকে স্প্রে মেরে’ প্রকাশক দীপন হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই জঙ্গির পালিয়ে যাওয়ার সময় গ্রেপ্তার দুইজনসহ দশজনের প্রত্যেকের ১০ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। এ ঘটনায় পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে মহানগর পুলিশ।

ঢাকার পুলিশ কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক বলেছেন, তদন্ত কমিটিকে তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনারের (ক্রাইম এন্ড অপস্) নেতৃত্বে গঠিত এই কমিটিতে যুগ্ম কমিশনার (অপারেশনস্), যুগ্ম কমিশনার (সিটিটিসি), উপ কমিশনার (গোয়েন্দা-লালবাগ) এবং অতিরিক্ত উপ কমিশনার (সিআরও) সদস্য হিসেবে থাকবেন।

এদিকে রবিবার (২০ নভেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শফি উদ্দিন আসামিদের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এদিন কোতোয়ালি থানায় করা মামলার সুষ্ঠুতদন্তের জন্য আসামিদের ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে বিচারক প্রত্যেকের ১০ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

আসামিরা হলেন- শাহীন আলম ওরফে কামাল, শাহ আলম ওরফে সালাউদ্দিন, বি এম মজিবুর রহমান, সুমন হোসেন পাটোয়ারী, আরাফাত রহমান, খাইরুল ইসলাম ওরফে সিফাত, মোজাম্মেল হোসেন, শেখ আব্দুল্লাহ, আ. সবুর, রশিদুন্নবী ভূঁইয়া।

এর আগে এদিন দুপুরে ঢাকার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণ থেকে প্রকাশক দীপন হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামিকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় জঙ্গিরা। এসময় আসামি আরাফাত ও সবুরকে ছিনিয়ে নিতে চেষ্টা করে জঙ্গিরা। ঘটনাস্থল আরাফাত ও সবুরকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় কোর্ট পরিদর্শক জুলহাস বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞানামা আসামি করা হয় আরও ৭-৮ জনকে।

নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের এ দুই সদস্যকে ধরিয়ে দিতে ১০ লাখ করে ২০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে পুলিশ।

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের ৩১ অক্টোবর আজিজ সুপার মার্কেটে নিজের প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান জাগৃতির কার্যালয়ে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছিলেন প্রকাশক দীপন। এ মামলায় মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামিরা হলেন— বরখাস্ত মেজর সৈয়দ জিয়াউল হক জিয়া, আকরাম হোসেন ওরফে হাসিব ওরফে আবির ওরফে আদনান ওরফে আবদুল্লাহ, মইনুল হাসান শামীম ওরফে সামির ওরফে ইমরান, আবদুর সবুর সামাদ ওরফে সুজন ওরফে রাজু, খাইরুল ইসলাম ওরফে জামিল ওরফে জিসান, আবু সিদ্দিক সোহেল ওরফে সাকিব ওরফে সাজিদ ওরফে শাহাব, মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মন ওরফে শাহরিয়ার ও শেখ আবদুল্লাহ ওরফে জুবায়ের ওরফে জায়েদ ওরফে জাবেদ ওরফে আবু ওমায়ের।

গত ১০ ফেব্রুয়ারি মামলার রায়ে আসামিদের সবার মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন আদালত। আসামিদের মধ্যে জিয়া ও আকরাম পলাতক। বাকিরা গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে ছিলেন।

নিউজনাউ/পিপিএন/২০২২

X