alo
ঢাকা, বুধবার, ফেব্রুয়ারী ৮, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ | ২৬ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

দশ গ্রামের ভরসা একটি বাঁশের সাঁকো

প্রকাশিত: ২১ জানুয়ারী, ২০২৩, ০৩:১৭ পিএম

দশ গ্রামের ভরসা একটি বাঁশের সাঁকো
alo

 

খাদেমুল ইসলাম মামুন, টাঙ্গাইল থেকে: টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার দিঘলকান্দি ইউনিয়নে হামিদপুর-বাগুনডালি সড়কের মুজাহাটি ও বাগুনডালি খেয়াঘাটে সেতুর অভাবে যুগ যুগ ধরে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন ঝিনাই নদীর পূর্ব ও পশ্চিম পাড়ের ১০ গ্রামের মানুষ। বর্ষায় নৌকা আর শুষ্ক মৌসুমে নড়বড়ে বাঁশের সাঁকোতেই নদী পারাপারে তাঁদের একমাত্র ভরসা। এই অংশে কোন সেতু না থাকায় এ অঞ্চলের মানুষ দুর্ভোগ নিয়েই দিনাতিপাত করছে।

স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার দিঘলকান্দি ইউনিয়নে হামিদপুর-বাগুনডালি সড়কের মুজাহাটি-বাগুনডালি খেয়াঘাটে ঝিনাই নদে দীর্ঘদিন সেতু নির্মিত না হওয়ায় ভোগান্তির শিকার হচ্ছে নদীপারের ১০ গ্রামের মানুষ। নদীর পশ্চিম! পারে বাগুনডালি, মাইজবাড়ী, ভদ্রবাড়ী, মিলকুড়িয়া, তেরবাড়িয়া ও পূর্বপাড়ে কুরমুরশি, মুজাহাটি, সাইটাপাড়া, আড়ালিয়া, নাটশালা, কালিয়াগ্রামসহ বেশ কিছু এলাকার মানুষ হামিদপুর-বাগুনডালি সড়ক ব্যবহার করে। বর্ষা মৌসুমে এসব গ্রামের যাতায়াতের একমাত্র বাহন নৌকা। আর শুষ্ক মৌসুমে নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে নদী পারাপার হতে হয়।

গ্রামবাসী জানায়, নদীর ওপর সেতু না থাকায় বর্ষাকালে খেয়ার অভাবে পারাপারের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয় স্কুল, মাদরাসার শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসীকে।

দিঘলকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল করিম বলেন, কৃষিপ্রধান এলাকা হওয়ায় পণ্য পরিবহনে ভোগান্তির শিকার হন কৃষকরা। বর্ষা মৌসুমে নদীর পানি বাড়লে ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। শিক্ষার্থীদের স্কুলে যেতে খুবই অসুবিধা হয়। নৌকার জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়।

উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী আশরাফ হোসেন জানান, মুজাহাটি-বাগুনডালি খেয়াঘাটে সেতু নির্মাণের কাজ প্রক্রিয়াধীন। সেতু নির্মাণের জন্য স্থান নির্ধারণ ও নকশা নিয়ে কাজ হচ্ছে।

নিউজনাউ/আরবি/২০২৩

X