alo
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

চবিতে ছাত্রলীগের অনির্দিষ্টকালের অবরোধ, বন্ধ বাস-ট্রেন

প্রকাশিত: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ১০:২৭ এএম

চবিতে ছাত্রলীগের অনির্দিষ্টকালের অবরোধ, বন্ধ বাস-ট্রেন
alo


চবি প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ছাত্রলীগের নতুন কমিটিতে পদবঞ্চিতদের মূল্যায়নের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য অবরোধের ডাক দিয়েছে চবি শাখা ছাত্রলীগের একাংশ। বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে তালা দিয়ে অবরোধ করছেন চবি ছাত্রলীগের ছয় গ্রুপের নেতা-কর্মীরা। এ সময় শাটল ও শিক্ষক বাস আটকে রাখেন তারা। বিভিন্ন বিভাগের পরীক্ষা থাকায় বিপাকে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা।

চবিতে পদবঞ্চিত নেতাদের কমিটিতে অর্ন্তভুক্ত, পদধারী নেতাদের যোগ্যতা অনুযায়ী ক্রমানুসারে পুনঃমূল্যায়ন ও বিবাহিত, চাকরিজীবী নেতাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে সেপ্টেম্বর মাসজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। 

এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার ভোর ছয়টা থেকে এই অবরোধ শুরু করেন ছাত্রলীগের ছয় গ্রুপের নেতা-কর্মীরা। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের এই অবরোধ চলবে বলে জানান তারা।

এদিকে সকাল থেকে কোনো শাটল ও শিক্ষক বাস বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌছায়নি বলে জানা গেছে। নগরীর ষোলশহর ও ঝাউতলা স্টেশনে শত শত পরীক্ষার্থীদের নিয়ে আটকে আছে দুইটি শাটল। ইতোমধ্যে যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগসহ কয়েকটি বিভাগে পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে।

পরীক্ষা কমিটির নিয়ন্ত্রক আমীর মোহাম্মদ মুছা বলেন, ‘আজ অনেকগুলো বিভাগের পরিক্ষা আছে। তবে এখনও কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা হবে কি-না তার কোনো ঘোষণা দেয়নি।’

এর আগে একই দাবিতে গত ১ আগস্ট ভোররাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে ও টায়ারে আগুন দিয়ে বিক্ষোভ করেছিলেন চবি ছাত্রলীগের কমিটিতে পদবঞ্চিতরা। বিক্ষোভে কার্যত অচল হয়ে পড়েছিল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম।

২০১৯ সালের ১৪ জুলাই রেজাউল হককে সভাপতি ও ইকবাল হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক করে কমিটি ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। এর পর তিন বছর পেরিয়ে গেলেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা সম্ভব হয়নি। গত ৩১ জুলাই মধ্যরাতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ছাত্রসংগঠনটির কেন্দ্রীয় দপ্তর চবি শাখার ৩৭৬ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করে। কমিটি ঘোষণার পরই পদবঞ্চিত নেতা-কর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত ৪টি হলের প্রায় ৩০টি কক্ষ ভাঙচুর করেন।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের রাজনীতি দীর্ঘদিন ধরে দুটি পক্ষে বিভক্ত। একটি পক্ষে আছেন সাবেক সিটি মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর ছেলে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীর অনুসারীরা। আরেকটি পক্ষে আছেন সাবেক সিটি মেয়র ও চট্টগ্রাম নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীনের অনুসারীরা।

নিউজনাউ/আরবি/২০২২
 

X