বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কোভ্যাক্স কর্মসূচি সংকটে

নিউজনাউ ডেস্ক: মহামারি করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে টালমাটাল পুরো বিশ্ব। এই মহামারি মোকাবিলায় বেশ কয়েকটি টিকা আশার সঞ্চার করলেও সরবরাহের ঘাটতি সে আশাও ফিকে করে দিচ্ছে। টিকার সরবরাহের ঘাটতির কারণে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কোভ্যাক্স কর্মসূচিও বড় সংকটে পড়েছে।

মহামারির সার্বক্ষণিক তথ্য প্রকাশকারী ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারসের তথ্যমতে, গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে ১৪ কোটি ৫০ লাখের বেশি করোনা সংক্রমিত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে প্রায় ৩০ লাখ ৮০ হাজার রোগীর। সুস্থ হয়ে উঠেছেন প্রায় ১২ কোটি ৩১ লাখ রোগী।

এই পরিস্থিতিতেই আরেকটি আশঙ্কার খবর কোভ্যাক্স কর্মসূচির সংকটে পড়ার বিষয়টি। করোনা মহামারি মোকাবিলায় বিশ্বজুড়ে সুষ্ঠু ও সমহারে টিকা বণ্টনের জন্য গত বছরের মাঝামাঝি কোভ্যাক্স কর্মসূচি শুরু করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এই কর্মসূচির আওতায় প্রতিটা দেশকে চলতি বছরের শেষ নাগাদ মোট জনসংখ্যার কমপক্ষে ২০ শতাংশ টিকার সরবরাহ করার কথা।

এদিকে কোভ্যাক্স এ পর্যন্ত ১৫৩ কোটি ডোজ টিকার সরবরাহ প্রাপ্তির চুক্তি করতে পেরেছে। এসব টিকার সিংহভাগের সরবরাহ যাওয়ার কথা ভারতের পুনেভিত্তিক টিকা উৎপাদক প্রতিষ্ঠান সেরাম ইনস্টিটিউটের কাছ থেকে। প্রতিষ্ঠানটি উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য টিকা উৎপাদনের শর্তে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার কাছ থেকে রয়্যালটি ছাড়া টিকা উৎপাদনের লাইসেন্স পেয়েছে।

যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বজুড়ে কোভ্যাক্স কর্মসূচির আওতায় আগামী মে মাস নাগাদ যে পরিমাণ অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা সরবরাহের কথা ছিল, তার মাত্র এক-পঞ্চমাংশ সরবরাহ করা সম্ভব হয়েছে এ পর্যন্ত।

গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, টিকার এই সরবরাহ ঘাটতি বাংলাদেশের মতো দেশগুলোয় উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। একটি সূত্র বলেছে, বাংলাদেশে নতুন করে টিকার সরবরাহ না এলে ১৫ দিনের মধ্যে টিকার মজুত ফুরিয়ে যাবে।

নিউজনাউ/এফএস/২০২১

+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
এছাড়া, আরও পড়ুনঃ
মন্তব্য
Loading...
%d bloggers like this: