খাদ্যে ট্রান্স ফ্যাট নিয়ন্ত্রণে আসছে প্রবিধানমালা

নিউজনাউ ডেস্ক: সরকারের খাদ্যদ্রব্যে ট্রান্স ফ্যাটি অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণ প্রবিধানমালা-২০২১’ প্রণয়ন অনুযায়ী ২ শতাংশের বেশি ট্রান্স ফ্যাটি অ্যাসিড (টিএফএ বা অসম্পৃক্ত চর্বি) থাকা কোনো খাদ্যদ্রব্য বিক্রি, বিতরণ, সংরক্ষণ, উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, বিপণন ও আমদানি করা যাবে না।খসড়াটির বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের মতামত নিচ্ছে খাদ্য মন্ত্রণালয় ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ।

খাদ্যপণ্যে উচ্চমাত্রায় চর্বি জাতীয় পদার্থ ট্রান্স ফ্যাটি অ্যাসিড (টিএফএ) থাকায় এসব খাবার গ্রহণ হৃদরোগসহ স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছে বলে ইতোমধ্যে প্রকাশিত বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে। এই প্রেক্ষাপটে খাদ্যে ট্রান্স ফ্যাটি অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণের দাবি জানিয়ে আসছিল বিভিন্ন সংগঠন।

ট্রান্স ফ্যাটযুক্ত খাবারের কারণে স্ট্রোক এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে। উচ্চমাত্রায় ট্রান্স ফ্যাট গ্রহণের কারণে সার্বিকভাবে মৃত্যুঝুঁকি ৩৪ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ২১ শতাংশ এবং হৃদরোগজনিত মৃত্যুঝুঁকি ২৮ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পায় বলেও কর্মশালায় জানানো হয়।

২ শতাংশের (প্রতি ১০০ গ্রামে ২ গ্রাম) বেশি প্রাণিজ উৎসজাত ট্রান্স ফ্যাটি অ্যাসিড ব্যবহার করলে সংশ্লিষ্ট খাদ্য ব্যবসায়ী প্রমাণ দাখিল করতে বাধ্য থাকবেন বলে প্রবিধানমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।

পিএইচও’র সংমিশ্রণে গঠিত খাদ্য উপকরণ (যেমন- শটেনিং বা মার্জারিন) কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হলে পিএইচও’র পরিমাণ সংক্রান্ত তথ্যাদি সুস্পষ্ট ও নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। তবে উপাদান তালিকায় পণ্যটি ‘নন-হাইড্রোজেনেটেড’ বা ‘আন-হাইড্রোজেনেটেড’ এমন তথ্য প্রকাশ করা যাবে না। মোড়কীকরণ, লেবেলিং, বিপণন বা বিজ্ঞাপনে কোনো খাদ্যপণ্য টিএফএমুক্ত এমন দাবি করা যাবে না।

হৃদরোগ এবং তা থেকে অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি কমাতে ২০২৩ সালের মধ্যে বিশ্বের খাদ্য সরবরাহ থেকে শিল্প উৎপাদিত ট্রান্স ফ্যাট নির্মূল করার আহ্বান জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

নিউজনাউ/এফএস/২০২১

+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
এছাড়া, আরও পড়ুনঃ
মন্তব্য
Loading...
%d bloggers like this: