করোনায় অনলাইনে ডেলিভারি সংখ্যা বাড়ায় কর্মসংস্থান হয়েছে ৫০ হাজার মানুষের

নিউজনাউ ডেস্ক : করোনার এই সময়ে যেখানে অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে বা যাবার পথে সেখানে ই-কমার্সের অনেক প্রতিষ্ঠান অতীতের চেয়ে অনেক বেশি ডেলিভারি দিচ্ছে। এক্ষেত্রে নতুন কর্মসংস্থান হয়েছে আরো ৫০ হাজার মানুষের। প্রবৃদ্ধি বেড়েছে ৩০ শতাংশের বেশি। ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) একটি জরিপে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

গত বছর করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার পর থেকে অনলাইন কেনাকাটা বেড়ে যায়। কিন্তু সেভাবে প্রস্তুতি না থাকায় গ্রাহকদের শতভাগ সেবা দিতে পারেনি বলে এবার আগেভাগেই প্রস্তুতি ছিল ই-ক্যাবের।

দেশে সবচেয়ে বেশি ডেলিভারি দেয়া প্রতিষ্ঠান চাল ডাল প্রতি মাসে অর্ডারের মাধ্যমে ১৫ থেকে ১৬ হাজার গ্রাহককে সেবা দিয়ে থাকে বলে জানালেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ইসরাত জাহান।

ই-ক্যাবের সভাপতি শমী কায়সার জানান, “গত বছর করোনা সংক্রমণ রোধে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছিল সরকার। ওইসময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিত্যপণ্য ই-কমার্সের মাধ্যমে বিক্রি সচল রাখার নির্দেশনা দিয়েছিল।

এরই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরও অনলাইনে নিরাপদে পণ্য ও সেবা সচল রাখার ব্যাপারে পরিপত্র জারি করা হয়েছে। মূলত এসব কারণে প্রতিষ্ঠানগুলো ভালোভাবে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারছে, ফলে প্রবৃদ্ধিও বাড়ছে।”

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ডাইরেক্ট ফ্রেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপক এসএম শাহনেওয়াজ জানান, করোনাকালীন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষেত্রবিশেষে ৩০০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি করেছে।

প্রসঙ্গত, ই ক্যাবের তথ্য অনুসারে, ২০২০ সালের শেষ ৮ মাসে ই-কমার্সে শুধুমাত্র নিত্যপণ্য লেনদেন হয়েছে ৩ হাজার কোটি টাকার। বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজারের বেশি ডেলিভারি হচ্ছে।

নিউজনাউ/এসএইচ/২০২১

 

 

+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
আপনার মতামত জানান
%d bloggers like this: