বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী বিদেশি এয়ারলাইন্স ব্যবসায়ীরা

নিউজনাউ ডেস্ক: বাংলাদেশ নিরাপদ নয় বলে একসময় বিদেশি এয়ারলাইন্স কোম্পানিগুলো বাংলাদেশ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল। দিন বদলেছে। ‘অনিরাপদ বাংলাদেশ’ বিনিয়োগের নতুন ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।

সারাবিশ্বের এয়ারলাইন্স ব্যবসায় লাভজনক দেশের তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশের নাম।এখানে বিনিয়োগে আগ্রহের তালিকাটাও বেশ বড়।

২০০৯ সালে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ বাংলাদেশে দীর্ঘ ৩৪ বছর নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনার পর তাদের ব্যবসা গুটিয়ে নেয়। ১১ বছর পর ২০২০ সালে আবারও সেই বাংলাদেশে ব্যবসা করতে আগ্রহ দেখিয়েছে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ। এরই মধ্যে নতুন করে ফ্লাইট পরিচালনার জন্য তারা বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) কাছে আবেদন করেছে।

স্বাধীনতার ৫০ বছরে বাংলাদেশের কাছে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের পাঠানো চিঠিটাও ছিল অত্যন্ত গর্বের। ২০২০ সালের ২১ অক্টোবর বাংলাদেশে পাঠানো ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ এখন আগের চেয়ে অনেক নিরাপদ। দেশটির এভিয়েশন সেক্টর অনেক উন্নতি করেছে এবং উচ্চ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হচ্ছে। এজন্য ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ দুই বছরের জন্য সিভিল এভিয়েশন অথরিটির কাছে রুট সাপোর্ট চাচ্ছে।’

২০১৮ সালে বেবিচকের এক সিদ্ধান্তে আপত্তি জানিয়ে ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ রাখে ইতিহাদ এয়ারওয়েজ। দুই বছর পর ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে আবারও ফ্লাইট চালু করে সংযুক্ত আরব আমিরাতের এ প্রতিষ্ঠান।

বাংলাদেশ থেকে ফ্লাইট পরিচালনার মাধ্যমে ব্যবসা করতে আগ্রহ দেখিয়েছে ইরাকের ইরাকি এয়ারওয়েজ, ইরানের ইরান এয়ার, ইন্দোনেশিয়ার গারুদা ইন্দোনেশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়ার কোরিয়ান এয়ার

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতে বর্তমান আধিপত্য বিদেশি এয়ারলাইন্সগুলোর। বেবিচক সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ থেকে বিদেশে যাওয়া যাত্রীদের প্রায় ৭০ শতাংশই বিদেশি এয়ারলাইন্সগুলোর সেবা নিচ্ছেন। বাংলাদেশ থেকে কাতারসহ মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপ-আমেরিকার বিভিন্ন দেশে যাত্রী পরিবহনে কাতার এয়ারওয়েজ সপ্তাহে ২১টি ফ্লাইট পরিচালনা করছে। এছাড়া দুবাইয়ের এমিরেটস ১৪টি, টার্কিশ এয়ারলাইন্স সাতটি ফ্লাইট পরিচালনা করছে।

নিউজনাউ/আরবি/২০২১

 

+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
এছাড়া, আরও পড়ুনঃ
মন্তব্য
Loading...
%d bloggers like this: