কোম্পানীগঞ্জে আ’লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষ, নিহত ১

নোয়াখালী প্রতিনিধি: কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় আ’লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষে মো. আলাউদ্দিন (৩২) নামে এক যুবলীগ কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় দু’পক্ষের আরো ১৩ জন গুলিবিদ্ধ সহ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (৯ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত বসুরহাট বাজারের রূপালী চত্বর, থানা এলাকা ও পৌরসভা প্রাঙ্গণে দফায় দফায় কাদের মির্জা ও বাদল গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।

নিহত মো. আলাউদ্দিন উপজেলার চরফকিরা ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ডের মমিনুল হকের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টায় উপজেলা আ’লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খানের উপর হামলার প্রতিবাদে বসুরহাট বাজারের রূপালী চত্বরে এক প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে উপজেলা আ’লীগ।

পরে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ সভায় আবদুল কাদের মির্জার অনুসারীরা সভার একেবারে শেষ মুহূর্তে ককটেল ও গুলি ছোঁড়ে এবং সভার পাশ্ববর্তী এলাকায় ব্যাপক ককটেল বিষ্ফোরণ করে একটি নৈরাজ্যকর পরিবেশ সৃষ্টি করে। এসময় সভাস্থল থেকে উপজেলা আ’লীগের নেতারা একসঙ্গে মির্জা কাদেরের অনুসারীদের প্রতিরোধ করতে গেলে মাকসুদাহ গার্লস স্কুল রোড এলাকায় দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা, ককটেল বিস্ফোরণ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।

এসময় পুরো বসুরহাট বাজার জুড়ে থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। এছাড়াও থেমে থেমে ক্ষমতাসীন দলের দু’পক্ষের অনুসারীরা বসুরহাট বাজারের বিভিন্নস্থানে ককটেল বিস্ফোরণ, গোলাগুলি ও ভাঙচুর চালায়।

একপর্যায়ে রাত ১০টায় মিজানুর রহমান বাদলের অনুসারীরা বসুরহাট পৌরসভা কার্যালয়ে হামলা চালালে উভয়পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে আহত হন ওসি মীর জাহিদুল হক রনিসহ চার পুলিশ। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মো. আলাউদ্দিন নামে একজন মারা যান।

এ বিষয়ে জানতে কাদের মির্জার মোবাইলে কল করা হলে তিনি কল ধরেননি।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহিদুল হক রনি জানান, পরিস্থিতি এখন পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এছাড়াও পুলিশ যে কোন অনাকাঙ্খিত ঘটনা এড়াতে সর্তক অবস্থানে রয়েছে।

নিউজনাউ/আরবি/২০২১

+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
এছাড়া, আরও পড়ুনঃ
মন্তব্য
Loading...
%d bloggers like this: