ডিএনসিসি’র মশার ঔষধ সরবরাহ টেন্ডারে নিষেধাজ্ঞা জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক: অনিয়মের অভিযোগে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মশার ঔষুধ সরবরাহের একটি টেন্ডারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সেন্ট্রাল প্রকিউরমেন্ট টেকনিক্যাল ইউনিট (সিপিটিইউ)।

ডিএনসিসির বিরুদ্ধে অভিযোগ, সর্বনিম্ন দরদাতাকে রেখে সর্বোচ্চ দরদাতা প্রতিষ্ঠানকে মশার ওষুধ সরবরাহের জন্য কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে। এতে ডিএনসিসির প্রায় সোয়া কোটি টাকা বেশি খরচ হয়।

এ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার হলে,  গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ডিএনসিসির প্রধান ভাণ্ডার ও ক্রয় কর্মকর্তা বরাবর পাঠানো এক পত্রে এই ‘নিষেধাজ্ঞা’ আরোপ করে সিপিটিইউ। সরকারি এ সংস্থার মহাপরিচালক মো. শোহেলের রহসান চৌধুরী (অতিরিক্ত সচিব) এই পত্র জারি করেন। পত্রের মাধ্যমে বিষয়টি স্থানীয় সরকার সচিবকেও জানানো হয়।

জানা গেছে, চলতি অর্থবছরে ১০ হাজার লিটার আর্ভিসাইডিং (টেমফোস-৫০ ইসি) ওষুধ সংগ্রহ করার জন্য দরপত্র আহ্বান করে ডিএনসিসি। এতে তিনটি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। এর মধ্যে প্রতি লিটার ওষুধের দাম এক হাজার ৬৯৪ দশমিক ৯৯৫ টাকা করে সর্বমোট এক কোটি ৬৯ লাখ ৪৯ হাজার ৯৫০ টাকা দর দিয়ে সর্বনিম্ন দরদাতা হয় এম আর এন্টারপ্রাইজ। এক হাজার ৭৭৭ দশমিক ০০১ টাকা করে সর্বমোট এককোটি ৭৭ লাখ ৭০ হাজার ১০ টাকা দর দিয়ে দ্বিতীয় স্থানে ছিল দ্য লিমিট অ্যাগ্রো প্রোডাক্টস লিমিটেড। আর এক হাজার ৭৯০ দশমিক ৮০১ টাকা করে সর্বমোট এক কোটি ৭৯ লাখ ৮ হাজার ১০ টাকা দর দিয়ে সর্বোচ্চ দরদাতা (তৃতীয় অবস্থানে) হয় মেসার্স মার্শাল অ্যাগ্রোভেট কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।

কিন্তু সর্বনিম্ন দরদাতা হয়েও কার্যাদেশ পাওয়ার প্রথম তালিকায় থাকা এম আর এন্টারপ্রাইজকে কার্যাদেশ না দিয়ে তৃতীয় বা সর্বোচ্চ দরদাতা মার্শাল অ্যাগ্রোভেটকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা দ্য লিমিট অ্যাগ্রো প্রোডাক্টস লিমিটেডকেও বাদ দেওয়া হয়েছে। এতে করপোরেশনের কয়েক কোটি টাকা অতিরিক্ত খরচ হয়েছে।

নিউজনাউ/টিএন/২০২১

+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
এছাড়া, আরও পড়ুনঃ
মন্তব্য
Loading...
%d bloggers like this: