নানা গুণের ইসবগুল

নিউজনাউ ডেস্ক: ইসবগুলের ভুসি চেনে না এমন লোক খুবই কম। অন্তত উপমহাদেশের সবাই চেনে। এর নানাবিধ উপকারিতা সম্পর্কেও ওয়াকিবহাল মানুষ। এর রয়েছে নানা ধরনের ভেষজ গুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা। চলুন আজ জেনে নেই ইসবগুলের নানা উপকারিতা সম্পর্কে।

# কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে
ইসবগুলের ভুষির রয়েছে নানা ধরনের রোগ প্রতিরোধী গুণ। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গুণটি হলো এটি কোষ্ঠকাঠিন্য রোগ প্রতিরোধে দারুণভাবে কাজ করে। এতে উপস্থিত অদ্রবণীয় ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য রোগীদের মল নরম করে দেয় ফলে খুব সহজেই ইলিমিনেশন সম্ভব হয়। আপনি যদি প্রতিদিন ঘুমানোর আগে ২ চা চামচ ইসবগুলের ভুষি ও ১ গ্লাস কুসুম গরম দুধ পান করেন তবে আপনার কোষ্ঠকাঠিন্য খুব সহজেই দূর হয়ে যাবে।

# রক্তে কোলেস্টেরল কমাতে
এই ভূষি খেলে আমাদের অন্ত্রে এক ধরনের স্তর তৈরি হয় যা কোলেস্টেরল শোষণে বাধা দান করে। ফলে আমাদের রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। তাই হৃদরোগীদের জন্য দারুণ একটি খাবার এটি।

# ডায়রিয়া প্রতিরোধে
অনেকেই ডায়রিয়ায় ভুগে থাকেন মাঝেমধ্যেই। তাদের জন্য দারুণ একটি টনিক হলো ইসবগুলের ভুষি ও দই। এই দুটি একসাথে মিশিয়ে খেলে ডায়রিয়া থেকে মুক্তি পাবেন সহজেই।

# ওজন কমাতে সাহায্য করে
এতে ফাইবার উপস্থিত থাকায় হজম প্রক্রিয়া অনেক ধীরগতিতে হয় তাই ক্ষুধা লাগে অনেক কম। এটি খেলে ওজন কমানো অনেক সহজ হয়ে যায়।

সম্পর্কিত পোস্ট

# ডায়াবেটিস প্রতিরোধে
ইসবগুলের ভূষিতে রয়েছে জিলাটিন নামক একটি উপাদান যা দেহে গ্লুকোজের শোষণ ও ভাঙার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে। ফলে রক্তে সহজে সুগারের পরিমাণ বাড়তে পারে না। তাই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে এই ভুষি খুবই উপযুক্ত।

# অ্যাসিডিটি কমাতে
ভুষিতে উপস্থিত ফাইবার পাকস্থলীতে একটি স্তর তৈরি করে যা আমাদেরকে অ্যাসিডিটির হাত রক্ষা করে। এছাড়া হজম প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে এই ভুষি।

# দুর্বলতা দূর করতে
প্রতি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস হালকা গরম দুধের সঙ্গে মধু ও ইসবগুলের ভুসি মিশিয়ে শরবত তৈরি করে খেলে শরীরের দুর্বলতা দূর হয়। মাথা ঘোরা বা হাত-পা জ্বালাপোড়া হলে এক গ্লাস আখের গুড়ের শরবতের সঙ্গে ইসবগুলের ভুসি মিশিয়ে খেলে ভালো উপকার পাওয়া যায়।

# হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়
ইসবগুলের ভুসি একটি হাইপোকোলেস্টেরলিক ফুড, যা রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমায় ও ভালো কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়ায়। এ ছাড়া এটি রক্তে ট্রাই-গ্লিসারাইডের পরিমাণ কমায়। ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।

নিউজনাউ/টিপিএম/২০২১

+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
এছাড়া, আরও পড়ুনঃ
মন্তব্য
Loading...
%d bloggers like this: