গোপালগঞ্জে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় কুশলী ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে অনিয়মের মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ার অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার (২ মার্চ) গোপালগঞ্জ জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর এলাকাবাসীর পক্ষে বিদ্যালয়ের ক্যাসমেন্ট এরিয়ার সদস্য ও অভিভাবকরা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। বৃহস্পতিবার ৪ মার্চ ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

অভিযোগ বলা হয়েছে, কুশলী ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য হওয়ার পর বিধি মোতাবেক প্রধান শিক্ষক নিয়োগের কার্যক্রম শুরু করা হয়। ওই বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি অহিদুজ্জামান শিকদার মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে তার পছন্দের প্রার্থী গোপালগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক আনিচুর রহমানকে নিয়োগ দিতে তৎপরতা শুরু করেছেন।

এটি সফল করতে তিনি নিয়ম ভেঙ্গে টুঙ্গিপাড়ার সরকারি স্কুল থেকে ডিজির প্রতিনিধি না নিয়ে তার আত্মীয় কাশিয়ানীর এম এ খালেক সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সৈয়দা আলেয়া বেগমকে নিয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন। বৃহস্পতিবার এ নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। টুঙ্গিপাড়ায় দুটি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এ দু’টি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাউকে তিনি ডিজির প্রতিনিধি করেননি।

অভিভাবক নজরুল গাজী ও বাবু শেখ সহ একাধিক ব্যাক্তি জানান, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ইচ্ছামতো বিদ্যালয় পরিচালনা করেন। নিয়োগে প্রধান শিক্ষক পদে মোট ৬ জন প্রার্থী আবেদন করেছেন। কিন্তু ডিজির প্রতিনিধি হিসেবে তার আত্মীয়কে মনোনীত করে ১০ লক্ষ টাকার বিনিময়ে প্রধান শিক্ষক হিসাবে আনিচুর রহমানকে নিয়োগ দিতে সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।

কুশলী ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি অহিদুজ্জামান শিকদার ডাবলু মুঠোফোনে জানান, ডিজির প্রতিনিধি হিসাবে যাকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে তিনি তার বাবার বোন। শিক্ষা কর্মকর্তাকে চিঠি না দিয়ে ও নিয়োগের বানিজ্যের বিষয়ে জানতে চাইলে কৌশলে এড়িয়ে যান।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শাহ-জালাল বলেন, নিয়োগ পরীক্ষার বিষয়ে আমাকে লিখিত ভাবে না জানিয়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মৌখিক ভাবে জানিয়েছেন। প্রধান শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে উপজেলার সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাধারনত ডিজির প্রতিনিধি হিসাবে দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত থাকেন। যদি উপজেলায় সরকারি বিদ্যালয় না থাকে সেক্ষেত্রে পার্শ্ববর্তী উপজেলার প্রধান শিক্ষক দ্বায়িত্বে থাকতে পারেন।

নিউজনাউ/টিএন/২০২১

+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
এছাড়া, আরও পড়ুনঃ
মন্তব্য
Loading...
%d bloggers like this: