লকডাউনে সীমিত আকারে দোকানপাট খুলবে রবিবার

বান্দরবান প্রতিনিধিঃ লকডাউনে বান্দরবানের ও লামা পৗরসভায় সীমিত আকারে খুলবে দোকানপাট।

আগামীকাল রবিবার (৫ জুলাই) থেকে রেড জোন ঘোষিত দুটি পৌরসভার হাট-বাজার, পাড়া মহল্লাগুলোতে সকাল সাতটা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত মুদি, ফলমূল এবং মনিহারী দ্রব্যসামগ্রীর নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দোকান খোলা থাকবে।
রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার সপ্তাহের ছয়দিন সীমিত আকারে দোকানপাট খোলা রাখার নিয়ম রেখে নতুন গনবিজ্ঞপ্তি জারী করেছে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসক মো: দাউদুল ইসলাম।

তবে কাচা বাজার, মাছ-মাংসের দোকান, গনপরিবহনসহ যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত। কৃষি, দ্রব্যমূল্য, পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল এবং এ্যাম্বুলেন্স, ফায়ারসার্ভিস, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গণমাধ্যমের যানবাহন লকডাউনের আওতাভুক্ত থাকবে। যথারীতি খোলা থাকবে ওষুধের দোকান এবং ব্যাংক-বীমাও।

এদিকে লকডাউনের এগারতম দিনেও পৌরসভার নয়টি ওয়ার্ডের প্রবেশমুখ গুলোতে বাঁশের ব্যারিকেড অভ্যন্তরীণ সবগুলো রুট বন্ধ রেখেছে স্বেচ্ছাসেবকেরা।

মেয়র, কাউন্সিলরদের তত্বাবধানে প্রায় তিন শতাধিক স্বেচ্ছাসেবকের ভূমিকায় কঠোরভাবে লকডাউন কার্যকর করা হচ্ছে। কোথাও আড্ডা দিতে দেখা যাচ্ছেনা মানুষদের। খুব বেশি প্রয়োজন ছাড়া মানুষদের বের হতেও দেয়া হচ্ছে না পৌর এলাকাগুলোতে।

 

তবে যথারিত খোলা রয়েছে ওষুধের দোকান এবং স্বাভাবিক রয়েছে পণ্যবাহী যানবাহন চলাচলও।
বান্দরবান পৌরসভার মেয়র মো: ইসলাম বেবি ও লামা পৌরসভার মেয়র জহিরুল ইসলাম বলেন, পৌর অঞ্চলের নয়টি ওয়ার্ডেই স্বেচ্ছাসেবকরা কাজ করছেন ঘরবন্দী মানুষের সেবায়। এলাকা ভিত্তিক বাঁশের ব্যারিকেড দিয়ে অভ্যন্তরীণ সবগুলো সড়কের মুখ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

 

বান্দরবনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো: শামীম হোসেন জানান, একুশ দিনের লকডাউন চলছে রেড জোন ঘোষিত বান্দরবান ও লামা পৌরসভায়। লকডাউনের ১২তম দিন থেকে সীমিত আকারে মুদি, ফলমূল, মনিহারী দ্রব্যমূল্যের দোকান খোলা রাখা যাবে রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার ছয়দিন। সকাল ৭টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। তবে কাচা বাজার, মাছ-মাংস ভ্যান গাড়ীতে করে ভ্রাম্যমান দোকানে বিক্রি হবে লকডাউন এলাকায়। ব্যাংকিং সেবাও খোলা রাখা যাবে। আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত লকাউন চলমান থাকবে।
নিউজনাউ/এফএফ/২০২০

+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
আপনার মতামত জানান
%d bloggers like this: