নদীগর্ভে বিলীন ৪৪ বছরের পুরনো বিদ্যালয়

আতিক বাবু, গাইবান্ধা প্রতিনিধি: টানা চার দিন ধরে গাইবান্ধায় ব্রহ্মপুত্র, ঘাঘট ও করতোয়া নদীর পানি ধীর গতিতে কমতে থাকলেও তিস্তার পানি আবার বাড়তে শুরু করেছে।

এদিকে জেলার সাঘাটা উপজেলায় নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে ৪৪ বছরের পুরনো গোবিন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয়টি।

শুক্রবার (৩ জুলাই) রাতে ৯ টার দিকে ব্রহ্মপুত্রের পানি ৭ সেন্টিমিটার ও ঘাঘটের পানি ৬ সেন্টিমিটার কমেছে। তবে ব্রহ্মপুত্র এখনও বিপৎসীমার ৩৬ সেন্টিমিটার ও ঘাঘট বিপৎসীমার ৩১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে বইছে।

অন্যদিকে করতোয়ার পানি ১০ সেন্টিমিটার কমেছে আর তিস্তার পানি স্থিতাবস্থা থেকে শুক্রবার (৩ জুলাই) হঠাৎ ১৮ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান জানান,তবে করতোয়া ও তিস্তা এখনও বিপৎসীমার অনেকটা নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিস্তায় হঠাৎ পানি বাড়ায় সুন্দরগঞ্জ উপ জেলায় নদী তীরবর্তী মানুষের মধ্যে আবার নতুন করে বন্যার আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

এদিকে ব্রহ্মপুত্র ও ঘাঘটের পানি বিপৎসীমার উপরে থাকায় বানভাসী মানুষের বাড়ি ঘর থেকে পানি এখনও নামতে শুরু করেনি। তাই বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্র ও বাঁধে আশ্রিতদের দুর্ভোগ বেড়েই চলেছে। বিশুদ্ধ পানি ও খাবার সংকটের কথা জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার সাঘাটায় যমুনা নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত সাঘাটা উপজেলার গোবিন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয়টি।

 

সাঘাটার গোবিন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবুল কাশেম নিউজনাউকে জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠসহ দু’টি ক্লাস নদী গর্ভে চলে গেছে। যেকোনো সময় সম্পূর্ণ ভবনটি নদীতে বিলীন হতে পারে, তাই আমরা বাকি নদী গর্ভে বিলীন।

 

বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রধান শিক্ষক আমজাদ হোসেন নিউজনাউকে জানান, আমি এই বিদ্যালয় ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠা করি। ভাল ফলাফলের কারণে বিদ্যালয়টি উপজেলার সেরা স্কুল হিসেবে চার বার নির্বাচিত হয়েছে।
নিউজনাউ/এফএফ/২০২০

+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
আপনার মতামত জানান
%d bloggers like this: