মাসুম রেজার চিত্রনাট্য, ‘টুঙ্গিপাড়ার দুঃসাহসী খোকা’ আন‌ছেন মুশ‌ফিকুর রহমান গুলজার

নিজস্ব প্রতিবেদক:

যার নাম শুনলেই নী‌তি, আদ‌র্শের ভীত হ‌য়ে ও‌ঠে আ‌রো মজবুত। যার ব্য‌ক্তিত্ব ম‌নোবল‌কে করে আরো দৃঢ়। যার অস্তিত্ব‌কে স্পর্শ কর‌তে মন চায় বারংবার। তি‌নি এক ব‌লিষ্ঠ নাম শেখ মু‌জিবুর রহমান। টু‌ঙ্গিপাড়ার সেই দূরন্তপনা বালকই সৃ‌ষ্টি ক‌রে বিশ্বময় ই‌তিহাস। হ‌য়ে ও‌ঠেন বঙ্গবন্ধু। শ্রদ্ধেয় এই নেতা‌কে নি‌য়ে এবা‌রে নি‌র্মিত হ‌চ্ছে অনুদা‌নের চল‌চ্চিত্র। যার শি‌রোনাম ‘টু‌ঙ্গিপাড়ার দুঃসাহসী খোকা।’

চল‌চ্চিত্র‌টির কা‌হিনী ও চিত্রনাট্য ক‌রে‌ছেন মঞ্চ-টেলিভিশনের নন্দিত নাট্যকার মাসুম রেজা। আর চল‌চ্চিত্র‌টি নির্মাণ কর‌বেন মুশ‌ফিকুর রহমান গুলজার। সম্প্রতি ঘোষিত বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের অনুদানের জন্য নির্বা‌চিত হ‌য়ে‌ছে চলচ্চিত্রটি।

২০১৯-২০ অর্থবছরে অনুদানপ্রাপ্ত ২৫টি পূর্ণদৈর্ঘ্য ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের অন্যতম ‘টুঙ্গিপাড়ার দুঃসাহসী খোকা’পা‌চ্ছে সর্বোচ্চ ৭০ লাখ টাকা। এ চল‌চ্চি‌ত্রটি পরিচালনার পাশাপাশি প্রযোজনাও করবেন প‌রিচালক গুলজার। এর মাধ্যমে চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি ‍গুলজার এবং টেলিভিশন নাট্যকার সংঘের সভাপতি মাসুম রেজাকে পাওয়া যাচ্ছে একই চলচ্চিত্রে।

‘টুঙ্গিপাড়ার দুঃসাহসী খোকা চল‌চ্চিত্র‌টি প্রসঙ্গে মাসুম রেজা বলেন, ‘আমার কাহিনি ও চিত্রনাট্য প্রথমবার সরকারি অনুদান পেলো। চল‌চ্চিত্রটি নির্মিত হ‌বে বঙ্গবন্ধু‌কে নি‌য়ে। এর থে‌কে আনন্দের খবর কি হ‌তে পা‌রে। অনুদান দেওয়ার জন্য সরকার ও তথ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।’

বহুদিন ধরেই বঙ্গবন্ধুর কৈশোরকাল নিয়ে চলচ্চিত্রটি নির্মাণের স্বপ্ন ছিল। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতেই এসে সেই স্বপ্নপূরণ হতে চলেছে। নিঃস‌ন্দে‌হে এক‌টি ভা‌লো চল‌চ্চিত্র নি‌র্মিত হ‌তে যা‌চ্ছে। দে‌শের প্রেক্ষাগৃ‌হ অ‌নেক‌দিন পর একটা মানসম্পন্ন সি‌নেমা দর্শক‌দের উপহার দেবে আশা ক‌রি, এমনটা জানান প‌রিচালক মুশ‌ফিকুর রহমান গুলজার।

এর আগে মাসুম রেজার লেখা স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্য সরকারি অনুদান পায়। পাশাপাশি ‘বাপজানের বায়োস্কোপ’ চলচ্চিত্রের কাহিনীকার ও সংলাপ রচয়িতা হিসেবে দুটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও পেয়েছেন এই চিত্রনাট্যকার।

অনুদান নীতিমালা অনুযায়ী ৯ মাসের মধ্যে শেষ কর‌তে হ‌বে চলচ্চিত্র নির্মাণকাজ। তবে বিশেষ কারণ থাক‌লে তার জন্য সময় বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। করোনাভাইরাস সঙ্কটে চলচ্চিত্র শিল্পের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর অধিক সংখ্যক চলচ্চিত্রে অনুদান দিয়ে‌ছে তথ্য মন্ত্রণালয়। সু‌যোগ‌টি‌কে কা‌জে লা‌গি‌য়ে দর্শক‌দের ভা‌লো সি‌নেমা উপহার দেবার পাশাপা‌শি বাংলাদেশের চলচ্চিত্রশিল্প ঘুরে দাঁড়াবে বলে মনে করছেন চল‌চ্চিত্র সং‌শ্লিষ্টরা।

নিউজনাউ/এসএইচ/২০২০

+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
আপনার মতামত জানান
%d bloggers like this: