মিরসরাইয়ে বেড়েছে ভাড়া, কমেছে আয়

মিরসরাই প্রতিনিধি: মিরসরাইয়ে গণপরিবহণের ভাড়া বাড়লেও পরিবহ শ্রমিকদের কমেছে আয়। সরকার গণপরিবহনে ৬০ শতাংশ ভাড়া বৃদ্ধি করেছে। অপরদিকে অনেক পরিবহণ শ্রমিক ভাড়া নিচ্ছে ৬০ শতাংশের বেশি। এত কিছুর পরও মহাসড়কে যাত্রী না থাকায় নিয়মিত লোকসান গুনছে বলে জানান পরিবহণ শ্রমিকরা।

জানা গেছে, মিরসরাইয়ের বারইয়ারহাট থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত চয়েস ও উত্তরা সার্ভিসের ১৬০টি যাত্রীবাহী বাস চলাচল করে থাকে। এর মধ্যে চয়েচ সার্ভিসের প্রতিটি গাড়িতে চালক ও হেলপারসহ থাকেন দুই জন ও উত্তরা সার্ভিসে থাকে তিন জন শ্রমিক। এছাড়া বারইয়ারহাট থেকে সীতাকুন্ড পর্যন্ত চলাচলা করে কমপক্ষে শতাধিক হিউম্যান হলার। প্রত্যেকটি হিউম্যান হলারে ২ জন শ্রমিক থাকেন।

উত্তরা সার্ভিসের চালক নজরুল ইসলাম নিউজনাউকে বলেন, বারইয়ারহাট থেকে চট্টগ্রাম শহরে যাওয়া আসা করতে একটি গাড়ির ৩০ লিটার তেলের প্রয়োজন হয়। যার মূল্য ২ হাজার টাকা। এছাড়া লাইন খরচসহ একটি গাড়ি সড়কে চললে দৈনিক ৩ হাজার টাকা খরচ হয়। কিন্তু সরকার ভাড়া বৃদ্ধি করলেও সড়কে যাত্রী কমে যাওয়ায় তারা খরচ তুলতে পারছে না। সারা দিন গাড়ি চালিয়ে বাড়ি যেতে হচ্ছে খালি হাতে। এভাবে চললে পরিবার পরিজন নিয়ে না খেয়ে মরতে হবে বলে দাবি করেন তিনি।

চয়েস সার্ভিসের মালিক পক্ষের একজন সঞ্জয় দত্ত নিউজনাউকে বলেন, চয়েস সার্ভিসের অনেক মালিক লোকসান গুনতে গুনতে পরিবহন বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছে। তিনিও দুইটি গাড়ি বন্ধ রেখেছেন। সরকারের দেয়া প্রণোদনার যথাযথা ব্যবহারের দাবি করেন তিনি।

চট্টগ্রাম বাস মিনিবাস হিউম্যান হলার শ্রমিক ইউনিয়ন বারইয়ারহাট শাখার সাধারণ সম্পাদক আরিফ উদ্দিন মাসুক জানান, মহাসড়কে যাত্রী কমে যাওয়ায় অনেক পরিবহন সারা দিন শ্রম দিয়েও উপযুক্ত পারিশ্রমিক পাচ্ছে না। ফলে পরিবহন বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছে মালিকরা। তাই বেকার শ্রমিকরা বেকার হয়ে পড়ছে। তাই শ্রমিকদের সরকারি সহায়তা প্রয়োজন।

নিউজনাউ/এসএ/২০২০

+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
আপনার মতামত জানান
%d bloggers like this: