এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষার ফল প্রকাশ কাল

নিউজনাউ ডেস্কঃ চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার খাতা পুনঃনিরীক্ষার ফল আগামীকাল মঙ্গলবার (৩০ জুন) প্রকাশ করা হবে।

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় কাঙ্ক্ষিত ফল না পেয়ে ২ লাখ ৩৮ হাজার ৪৭১ জন পরীক্ষার্থী ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করেছেন। তারা মোট ৪ লাখ ৪১ হাজার ৯১৯টি খাতা চ্যালেঞ্জ করেছেন।
এদের মধ্যে শুধু এসএসসি পরীক্ষার ৩ লাখ ৯৫ হাজার ৮৯৮টি, দাখিলের ২৮ হাজার ৪৮৪টি এবং এসএসসি ভোকেশনালের ১৭ হাজার ৫৩৭ টি খাতা পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করা হয়েছে।

ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম আমিরুল ইসলাম সোমবার (২৯ জুন) বলেন, আগামীকাল মঙ্গলবার (৩০ জুন) এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার খাতা পুনঃনিরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। আমরা পুনঃনিরীক্ষণের ফল তৈরির কাজ করছি।

তবে, কাল কয়টা নাগাদ ফল প্রকাশ হতে পারে সে বিষয়ে সুস্পষ্টভাবে জানাননি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি সূত্র জানায়, পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করা খাতাগুলো আবারো যোগ করে দেখা হয়েছে। পুনঃনিরীক্ষার ফল তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছে বোর্ডগুলো।

গত ৩১ মে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয় ৷ যারা প্রত্যাশিত ফলাফল পাননি তারা গত ১ জুন থেকে ৭ জুন পর্যন্ত ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করেছেন।

সূত্র আরো জানায়, পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করা ২ লাখ ৩৮ হাজার ৪৭১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ঢাকা বোর্ডের ৫৭ হাজার ৭৯০ জন পরীক্ষার্থী ১ লাখ ৪৬ হাজার ২৬০ টি খাতা পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করেছেন। এছাড়া বরিশাল বোর্ডের ২৩ হাজার ৮৫০ টি খাতা, চট্টগ্রাম বোর্ডের ৫২ হাজার ২৪৬ টি খাতা, কুমিল্লা বোর্ডের ৩৯ হাজার ৩০৩টি খাতা, দিনাজপুর বোর্ডের ৪০ হাজার ৭৫টি খাতা,যশোর বোর্ডের ৩৪ হাজার ২৮৫টি খাতা, ময়মনসিংহ বোর্ডের ৩১ হাজার ৩৩১ টি খাতা,রাজশাহী বোর্ডের ৪৪ হাজার ৬১টি খাতা এবং সিলেট বোর্ডের ২৩ হাজার ৭৯০টি খাতা পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করা হয়েছে।
২০২০ খ্রিষ্টাব্দের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গড় পাস করেছে ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ শিক্ষার্থী। গতবার এই পাসের হার ছিল ৮২ দশমিক ২০ শতাংশ। চলতি বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার বেড়েছে। ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮৯৮ শিক্ষার্থী চলতি বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৫ হাজার ৫৯৪ জন। গতবারের তুলনায় এবছর পাস ও জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে।
নিউজনাউ/এফএফ/২০২০

+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
আপনার মতামত জানান
%d bloggers like this: