গাইবান্ধায় ভাঙা বাঁধ সংস্কার না করায় পানিবন্দী হাজারো মানুষ

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধা ফুলছড়িতে এক বছরেও মেরামত হয়নি ভাঙা বাঁধ। গত বছরের বন্যায় ভাঙা বাঁধ মেরামত না করায় ব্রহ্মপুত্র নদে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ভেঙে যাওয়া বাঁধের অংশ দিয়ে পানি প্রবেশ করে ২টি গ্রামের হাজারো পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। ডুবে গেছে গাইবান্ধা-বালাসীঘাট সড়কও।

ফুলছড়ি উপজেলার নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলে প্লাবিত হয়েছে আরও ১২ টি গ্রাম। ফুলছড়ি উপজেলার নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় ডুবে গেছে বিস্তীর্ণ ফাসলের মাঠ, কয়েক হাজার পরিবার। ফলে খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার কষ্টে ভুগতে হচ্ছে মানুষদের। চরম বিপদে পরেছে পশু খামারিরা। বাজারে মানুষের খাবার কিনে খেলেও পাওয়া যায় না গবাদি পশুর সবুজ খাদ্য।

ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে শুরু হয়েছে নদীর ব্যাপক ভাঙন। ফুলছড়ি উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গত বছরের জুলাইয়ের বন্যায় ব্রহ্মপুত্র বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ফুলছড়ি উপজেলার সৈয়দপুর ঘাট থেকে বালাসীঘাট পর্যন্ত তিনটি স্থান ভেঙে যায়। বন্যা শেষ হওয়ার দীর্ঘ এক বছরেও গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ড মেরামত করেনি ভেঙে যাওয়া এসব বাঁধের অংশ।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ড নিউজনাউকে জানায়, ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ফুলছড়ি ঘাট পয়েন্টে শুক্রবার সন্ধ্যায় বিপদসীমা অতিক্রম করেছে। রোববার (২৮ জুন) বিপদসীমার ৫৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু রায়হান দোলন নিউজনাউকে বলেন, আমি ইতোমধ্যে বাঁধে আশ্রয় নেয়া পরিবারগুলোর সাথে দেখা করেছি এবং সার্বক্ষণিক খোঁজ খবর রাখছি। বন্যা কবলিতদের সহযোগিতা করার জন্য উপজেলা প্রশাসন সবসময় প্রস্তুত আছে। এছাড়া বিশুদ্ধ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন সমস্যার সমাধানের জন্য জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোখলেছুর রহমান নিউজনাউকে বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধগুলো জরুরিভাবে মেরামত করা হচ্ছে। আগামি এক থেকে দুই দিন আরও পানি বৃদ্ধির পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে করে আরও বেশ কিছু এলাকা প্লাবিত হতে পারে।

নিউজনাউ/এসএ/২০২০

+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
আপনার মতামত জানান
%d bloggers like this: