NewsNow24.Com
Leading Multimedia News Portal in Bangladesh

শাহজালালে হয়রানির শিকার প্রবাসী বাংলাদেশিরা

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

হযরত শাহ্‌জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রী হয়রানি চরমে পৌঁছেছে। বিশেষ করে আসা-যাওয়ার পথে প্রতিনিয়ত হয়রানি ও ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। বাদ পড়ছেন না ভিআইপিরাও।

অথচ প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশের অর্থনীতিকে টিকিয়ে রেখেছেন। বিপুল অংকের বৈদেশিক মুদ্রা আহরণ করছেন।

প্রবাসীরা দেশে ফেরত আসাকালীন সময় প্রতিনিয়ত বিমানবন্দরে কর্মরত কতিপয় কর্মকর্তার অসদাচরণ এবং দুর্নীতির মাধ্যমে নানা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। বিমানবন্দরের প্রতিটি ধাপে তারা নিগৃহীত হন। এমনকি কষ্টার্জিত অর্থে স্বজনের জন্য কেনা দ্রব্যাদিও ছিনতাই হয়ে যায়।

অসংখ্য অভিযোগ, বছরের পর বছর সংবাদ প্রকাশ, মন্ত্রীপর্যায়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ, সিভিল এভিয়েশনের কড়া তদারকি, প্রশাসনিক নজরদারিসহ গোয়েন্দা বিভাগগুলোর নানামুখী তৎপরতার পরও বন্ধ হচ্ছে না হযরত শাহ্‌জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবাসী হয়রানি।

মানবন্দরে কর্মরত কতিপয় কর্মকর্তাদের এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনার প্রতিবাদ করতে গেলে উল্টো ভুক্তভোগীকেই ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়। দুঃখজনক হলেও সত্য, হাত তোলা হয় প্রবাসীদের গায়েও!

শাহ্‌জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সবচেয়ে বেশি নিগৃহীত ও নাজেহালের শিকার হচ্ছেন মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহে কর্মরত বাংলাদেশিরা।

নারী-পুরুষ কেউ বাদ যায় না বিমানবন্দরের এরকম হয়রানি থেকে।

প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকেও বিমানবন্দরে যাত্রী হয়রানি বন্ধের ব্যাপারে কঠোর নির্দেশনা দেয়া থাকলেও কিছুতেই কিছু হচ্ছে না। কোনোভাবেই বন্ধ হচ্ছে না এ হয়রানি। নিরাপত্তা তল্লাশির নামে যাত্রীদের এ ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, যাত্রীদের লাগেজ সংগ্রহে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। প্রথমেই ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের রক্তচক্ষু। তারপরে ব্যাগেজ সংগ্রহ। এই ব্যাগেজ পেতে বিড়ম্বনা আগের চেয়ে শতগুণ বেড়েছে। ক্ষেত্রভেদে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও ব্যাগেজ পাওয়া মুশকিল হয়ে যায়। অনেক সময় সংঘবদ্ধ চক্র লাগেজ গায়েবও করে ফেলে।

প্রবাসীদের পাশাপাশি ট্যুরিস্ট ভিসা নিয়ে বিদেশিরা বিমানবন্দরে এসে রক্ষা পাচ্ছেন না এই হেনস্তার শিকার  থেকে। তল্লাশির নামে মালামাল তছনছ কিংবা আটক তারপর নগদ প্রাপ্তি সাপেক্ষে ছেড়ে দেওয়া।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

আপনার মতামত জানান

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More