NewsNow24.Com
Leading Multimedia News Portal in Bangladesh

দরপত্র আহ্বানের পরও শুরু হয়নি সড়কের কাজ

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

রাশেদুজ্জামান, মেহেরপুর থেকেঃ  খানা খন্দে ভরা, আবার কোথাও বড় বড় গর্ত, চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে মেহেরপুর গাংনী উপজেলার তিনটি সড়ক।

মেহেরপুরের বামুন্দী-কাজিপুর সড়কের প্রায় ৫ কিঃ মিঃ রাস্তার বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত। মালামাল আনা নেওয়া করতে গিয়ে চরম বিড়ম্বনায় পড়ছেন স্থানীয়রা। গাড়ি ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছে কয়েকগুন। সবচাইতে বেশি বিপাকে রয়েছেন কৃষকেরা। উৎপাদিত পণ্যও সঠিক সময়ে বিক্রিও করতে পারছেননা তারা। একই অবস্থা কাথুলী-কাজিপুর ও মোহাম্মদপুর-চরগোয়ালগ্রাম সড়কের।

২০১৮ সালের ৩ অক্টোবর মেহেরপুরের ৯ টি সড়কের দরপত্র আহ্বান করে স্থানীয় সরকার প্রৌকশল অধিদপ্তর। লটারির মাধ্যমে তিনটি সড়কের কাজ পায় চুয়াডাঙ্গার জাকাউল্লাহ এন্ড ব্রাদার্স, কুষ্টিয়ার সৈকত এন্টার প্রাইজ ও সায়েদা বেগম বিশ্বাস এন্টার প্রাইজ নামের তিনটি ঠিকাদারীর প্রতিষ্ঠান। যার ব্যায় ধরা হয় ৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা। এ টেন্ডারের বাইরে বাকি ৬টার কাজ পান স্থানীয় ঠিকাদার। তাদের কাজ শেষ হলেও মামলা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে আটকে আছে জেলার বাইরে পাওয়া ঠিকাদারদের কাজ। ফলে কাজ পাওয়ার পরও ওয়ার্ক ওর্ডার না পাওয়ায় আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঠিকাদার জাকাউল্লাহ বলেন, এলজিইডি কতৃপক্ষ কোন কারণ ছাড়াই তাদের কাজ বাতিল করেছেন। এতে তাদের কারসাজি রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এছাড়াও স্থানীয় ঠিকাদাররা কাজ পেলে কোন সমস্যা নেই। অথচ বাইরের ঠিকাদাররা কাজ পেলেই নানা সমস্যা। এমন অভিয়োগ তাদের।

এল.জি.ই.ডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী আসাদুজ্জামান এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন কাজগুলো তাদের পূর্বের কর্মকর্তার সময়ের। বিচারাধীন বিষয়ে কোন কথা বলেতে রাজি হননি তিনি।

মেহেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য সাহিদুজ্জামান এলজিইিডির উপর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তাদের ভূলের কারণে ভূক্তভোগী এখন সাধারণ মানুষ। সবার সাথে বসে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

আপনার মতামত জানান

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More