NewsNow24.Com
Leading Multimedia News Portal in Bangladesh

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

নিউজনাউ ডেস্ক: হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার নতুন করে উন্নতি কিংবা অবনতি কোনোটাই হয়নি। কেবিনে রেখে তার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছেন চিকিৎসকরা। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকরা নিয়মিত বৈঠক করে তার শারীরিক অবস্থার পর্যালোচনা করছেন। প্রয়োজন অনুযায়ী ওষুধে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। নিয়মিত ডায়াবেটিসহ অন্যান্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। খাবার গ্রহণের ক্ষেত্রে আগের চেয়ে কিছুটা উন্নতি হয়েছে।

বিএনপির দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দলের নেতাদের মধ্যে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিয়ম করে প্রায় প্রতিদিনই হাসপাতালে দেখতে যান খালেদা জিয়াকে। বুধবার (২২ জুন) রাতে হাসপাতালে দলীয় প্রধানের সঙ্গে দেখা করে এসেছেন মির্জা ফখরুল। এর বাইরে মাঝে-মাঝে দলের অন্য নেতারা খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করেন।

বিএনপির চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, ম্যাডামের অবস্থা আগের মতোই আছে। ওনাকে কেবিনে রেখে পর্যবেক্ষণ করছেন চিকিৎসকরা।

খালেদা জিয়ার একান্ত সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার বলেন, ম্যাডামের অবস্থা খুব বেশি ভালো না। চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছেন তাকে। ওনার তো অনেক রোগ। আজ এটা ভালো তো, কাল আরেকটা খারাপ। এভাবেই যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ম্যাডাম খাবারের মধ্যে তরল খাবারই খাচ্ছেন। স্যুপ, ফল এসব খেয়ে আছেন। তিনি এমনিতেই কম খাবার খান।

জানা গেছে, খালেদা জিয়ার সঙ্গে হাসপাতালে তার গৃহকর্মী ফাতেমাসহ আরও একজন ব্যক্তিগত স্টাফ রয়েছেন। এর বাইরে পরিবারের সদস্যরা নিয়মতি তাকে দেখতে যান।

বিএনপির একটি সূত্রে জানা গেছে, খালেদা জিয়া হাসপাতালের খাবার খান না। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী বাসা থেকে তৈরি করা খাবার তার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়। বেশিরভাগ সময় তার জন্য তরল খাবার নেওয়া হয়। এরমধ্যে স্যুপই তিনি বেশি খান। তার বাসায় ফিরতে আরও বেশ কিছুদিন সময় লাগতে পারে।

গত ১০ জুন (শুক্রবার) গভীর রাতে হৃদরোগের সমস্যা নিয়ে রাজধানীর বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন ৭৬ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। পরে এনজিওগ্রাম করে তার হৃদযন্ত্রে একটি রিং পরানো হয়। যদিও তার হৃৎপিণ্ডে আরও দুটি ব্লক ধরা পড়ার কথাও জানিয়েছিলেন চিকিৎসকরা।

দুর্নীতির দুই মামলায় ১৭ বছর দণ্ডিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দুই বছরের বেশি সময় কারাভোগের পর করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে ২০২০ সালের ২৫ মার্চ সরকারের নির্বাহী আদেশে সাময়িক মুক্তি পান। এরপর ৪ দফায় তার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়।

নিউজনাউ/এবি/২০২২

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

আপনার মতামত জানান

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More