NewsNow24.Com
Leading Multimedia News Portal in Bangladesh

মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে ৭ দশমিক ৪২ শতাংশ

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

নিউজনাউ ডেস্ক: এপ্রিলে সাধারণ মূল্যস্ফীতি ছিল ৬ দশমিক ২৯ শতাংশ। গত চার-পাঁচ মাস ধরেই মূল্যস্ফীতি ৬ শতাংশের আশপাশে ছিল। কিন্তু মে মাসে সাধারণ মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে ৭ দশমিক ৪২ শতাংশ হয়েছে।

রবিবার (১৯ জুন) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) মে মাসের সার্বিক মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করে। এক মাসের ব্যবধানে মূল্যস্ফীতির এত বড় উল্লম্ফন গত কয়েক বছরে দেখা যায়নি।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, মূল্যস্ফীতি একধরনের কর। জিনিসপত্রের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মজুরি বা আয় না বাড়লে সীমিত আয়ের মানুষের ওপর চাপ বাড়ে। তাদের প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা কমে যায়। ফলে দারিদ্রসীমার কিছুটা ওপরে থাকা অনেক মানুষের আবার গরিব হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

বিবিএস সূত্রে জানা গেছে, নিত্য-পণ্য তেল ও চালের দাম বেড়ে যাওয়ায় মূল্যস্ফীতি এতটা বেড়েছে। গত মে মাসে খাদ্য-পণ্যে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৩০ শতাংশ। এপ্রিল মাসে খাদ্য-পণ্যে মূল্যস্ফীতি ছিল ৬ দশমিক ২৩ শতাংশ। আর খাদ্য-পণ্যে মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ৩০ শতাংশ, যা আগের মাস এপ্রিলে ছিল ৬ দশমিক ২৩ শতাংশ এবং খাদ্য বহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতির হার কমে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৮ শতাংশ, যা আগের এপ্রিল মাসে ছিল ৬ দশমিক ৩৯ শতাংশ।

পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য বলছে, গত কয়েক মাসের মতো মে মাসেও শহরের চেয়ে গ্রামে বেশি মূল্যস্ফীতি হয়েছে। যেখানে গ্রামে মূল্যস্ফীতি ছিল ৭ দশমিক ৯৪ শতাংশ আর শহরে ৬ দশমিক ৪৯ শতাংশ। এ হিসাবে শহরের চেয়ে গ্রামাঞ্চলে পণ্য-মূল্য ও অন্য সেবাসমূহের দাম বেশি বেড়েছে।

বিবিএসের প্রকাশিত তথ্যে দেখা গেছে, ৮৭টি অত্যাবশীয় নিত্য-পণ্যের মধ্যে মাত্র এক মাসের ব্যবধানে অধিকাংশেরই দাম বেড়েছে। মে মাসে প্রতি কেজি মিনিকেট চালের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭২ টাকা ১৫ পয়সা, যা গত এপ্রিল মাসে ছিল ৬৯ টাকা ১১ পয়সা। একই সময় পায়জাম চালের দাম বেড়ে হয়েছে ৬২ টাকা ৭২ পয়সা, যা এপ্রিলে ছিল ৫৮ টাকা ৫ পয়সা।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

আপনার মতামত জানান

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More