NewsNow24.Com
Leading Multimedia News Portal in Bangladesh

বিশ্বের দীর্ঘতম ১০ সেতু

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

নিউজনাউ ডেস্ক: দৈর্ঘ্যের দিক বিবেচনায় সেতুর তালিকায় সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে চীন। বিশ্বের দীর্ঘতম ১০ সেতুর ৭টির অবস্থানই সেখানে। আর এই ১০টির মধ্যে ৯টিই রয়েছে এশিয়া মহাদেশে। চলুন শুরুতে দীর্ঘতম এত সেতুগুলো সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

১. ড্যানইয়াং কুনসান গ্র্যান্ড ব্রিজ: ড্যানইয়াং কুনসান গ্র্যান্ড ব্রিজ বিশ্বের দীর্ঘতম সেতু হিসেবে গিনিস রেকর্ডে নাম লিখিয়েছে। সেতুটির নির্মাণ কাজ ২০০৬ সালে শুরু হয়ে ৪ বছর পর ২০১০ সালে শেষ হয়। এর পর নানা পরীক্ষা নিরিক্ষার পর ২০১১ সালে সেতুটি জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়। চীনের জিয়াংসু প্রদেশে অবস্থিত সেতুটির দৈর্ঘ ১৬৪.৮ কিলোমিটার। নির্মাণ করতে ব্যয় হয়েছে ৮.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

২. তিয়ানজিন গ্র্যান্ড ব্রিজ: বেইজিং-সাংহাই হাই স্পিড রেলওয়ের অংশ হিসেবে তিয়ানজিন গ্র্যান্ড ব্রিজটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০০৬ সালে। এর পাঁচ বছর পর ২০১১ সালে সেতুটি ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত ঘোষণা করা হয়। সেতুটি ১১৩.৮ কিলোমিটার দীর্ঘ। এটি পৃথিবীর সর্বপ্রথম সেতু হিসেবে ১০০ কিলোমিটারের মাইলফলক অতিক্রম করে।

৩. উইনান উইহে গ্র্যান্ড ব্রিজ: উইনান উইহে গ্র্যান্ড ব্রিজটি চীনের জাংঝো-জিয়ান রেলপথের অংশ। ২০০৮ সালে সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়। তবে ২০১০ থেকে জনসাধারণের চলাচলের জন্য সেতটি উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। সেতুটি ৭৯.৮ কিলোমিটার দীর্ঘ। ওই সময়ে এটিই ছিল বিশ্বের দীর্ঘতম সেতু।

৪. ব্যাং না এক্সপ্রেস: থাইল্যান্ডের দীর্ঘতম সেতু ব্যাং না এক্সপ্রেস। স্থানীয়ভাবে ‘বুরাফি উইট এক্সপ্রেস’নামে পরিচিত সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ হয় ২০০০ সালে। ২৭ মিটার প্রশস্থের সেতুটিতে ছয়টি লেন আছে। আমেরিকা ও এশিয়ার যৌথ বিনিয়োগের ব্যাং না এক্সপ্রেস নির্মাণ করা হয়।

৫. বেইজিং গ্র্যান্ড ব্রিজ: ‘বেইজিং গ্র্যান্ড ব্রিজ’ রেলসেতুটি বেইজিং-সাংহাই হাই স্পিড রেলওয়ের অংশ। ২০১০ সালে সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ২০১১ সালে ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। ৪৮.১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য নিয়ে পৃথিবীর পঞ্চম দীর্ঘতম সেতু এটি। এই সেতুতে ঘণ্টায় ৩০০ কিলোমিটার বেগে ট্রেন চলাচল করতে পারে।

৬. লেক পঞ্চারট্রেন কজওয়ে ব্রিজ: পৃথিবীর ষষ্ঠ বৃহত্তম ও আমেরিকার সর্ববৃহৎ সেতু লেক পঞ্চারট্রেন কজওয়ে ব্রিজ । এটি আমেরিকার লুজিয়ানায় অবস্থিত। সেতুটি দুই দফায় নির্মাণ করা হয়। এর দক্ষিণ অংশ নির্মাণ করা হয় ১৯৫৬ সালে, আর উত্তর অংশ ১৯৬৯ সালে। এই সেতুটি ৩৮.৩৫ কিলোমিটার দীর্ঘ।

৭. ম্যানচ্যাক সোয়াম্প ব্রিজ: ম্যানচ্যাক সোয়াম্প ব্রিজ যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় বৃহত্তম এবং পৃথিবীর সপ্তম বৃহত্তম সেতু। ১৯৭৯ সালে এটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। সেতুটি ৩৬.৬৯ কিলোমিটার দীর্ঘ। এটি নির্মাণ করতে মাইল প্রতি খরচ হয়েছে ৭ মিলিয়ন ডলার। কিন্তু এই সেতুটিই সম্পূর্ণ টোল ফ্রি। আর

৮. ইয়াংকুন ব্রিজ: বেইজিং তিয়ানজিন আন্তঃরেল যোগাযোগের জন্য সেতুটি নির্মাণ করা হয় ইয়াংকুন ব্রিজ। সেতুটি ৩৫.৮ কিলোমিটার দীর্ঘ। এই সেতুতে ঘণ্টায় ৩৫০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে ট্রেন চলাচল করতে পারে। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও গভীর পর্যবেক্ষণের পর ২০০৭ সালে চলাচলের জন্য সেতুটি উন্মুক্ত করা হয়।

৯. হ্যাংঝৌ বে ব্রিজ: বিশ্বের নবম বৃহত্তম দীর্ঘ সেতু হ্যাংঝৌ বে। এটিও চীনে অবস্থিত। সেতুটি চীনের জিয়াঝিং ও নিংবো শহরকে জেঝিয়াং প্রদেশের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। ২০০৭ সালে নির্মাণ কাজ শেষ হলেও সেতুটি ২০০৮ সালে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। সেতুটি ৩৫.৬৮ কিলোমিটার দীর্ঘ। এবং এটি নির্মাণ করতে ১১.৮ বিলিয়ন ইয়ান খরচ হয়েছে।

১০. রানইয়াং ব্রিজ: চীনের ইয়াংৎজি নদীর ওপরে রানইয়াং ব্রিজটি নির্মান করা হয়েছে। সেতুটি জেনজিয়াং প্রদেশের সঙ্গে ইয়াংহো প্রদেশকে সংযুক্ত করেছে। ২০০০ সালের অক্টোবরে সেতুটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। নির্মাণ কাজ শেষ হয় ২০০৫ সালে।

নিউজনাউ/আরবি/২০২২

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

আপনার মতামত জানান

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More