আগামি মাসে চূড়ান্ত হচ্ছে রেলের যন্ত্রাংশ তৈরির নীতিমালা

নিউজনাউ ডেস্ক: সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে বাংলাদেশ রেলওয়ের ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চলছে। ইলেকট্রিক-বুলেট ট্রেন চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। যদিও অধিকাংশ ট্রেনের ইঞ্জিন-কোচ বয়সের ভারে ন্যুব্জ।

এসব সচল রাখতে সব ধরনের যন্ত্রাংশ আমদানি করতে হচ্ছে। কোটি কোটি টাকার যন্ত্রাংশ কেনায় টেন্ডার আহ্বান ও মালামাল গ্রহণ থেকে নানা পর্যায়ে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ বহু দিনের।

এমন অবস্থায় দেশেই বিভিন্ন যন্ত্রাংশ তৈরির উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। ইতোমধ্যে একটি নীতিমালাও প্রণয়ন করা হয়েছে। আগামী মাসে এ নীতিমালা চূড়ান্ত করা হবে।

জানা গেছে, বর্তমানে ৮৭ শতাংশ ইঞ্জিন ও ৭৭ শতাংশ কোচের আয়ুষ্কাল শেষ। এ সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। চলমান অথবা আয়ুষ্কাল শেষ হয়ে যাওয়া ইঞ্জিন-কোচ মেরামতে আমদানিনির্ভর যন্ত্রাংশের বিকল্প উৎস সৃষ্টির লক্ষ্যে নীতিমালা তৈরি করা হচ্ছে। এটি রেলওয়ের জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে বলে রেলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অভিমত প্রকাশ করেছেন।

রেলপথমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, ভারতসহ বিভিন্ন দেশ রেল ইঞ্জিন-কোচসহ যন্ত্রাংশ তৈরি করছে। আমরা যুগ যুগ ধরে পিছিয়ে আছি। রেলের যন্ত্রাংশ ক্রয়ে আমরা প্রায় শতভাগ আমদানি নির্ভর। এছাড়া যথাযথ সময়ে যন্ত্রাংশ ক্রয় করাও সম্ভব হয় না। এ কারণে অতি প্রয়োজনীয় ইঞ্জিন-কোচ সংস্কারে বিলম্ব ঘটে। এছাড়া মেরামতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষাও করতে হয়। আবার কিছু যন্ত্রাংশ বিশ্ব বাজারেও পাওয়া যাচ্ছে না। এতে বহুগুণ বেশি দামে যন্ত্রাংশ কিনতে হয়। ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে লোকসানও বাড়ে। নীতিমালা চূড়ান্ত হলে অধিকাংশ যন্ত্রাংশ স্থানীয় কোম্পানিগুলো তৈরি করবে। এতে স্বল্প দামে যন্ত্রাংশ মিলবে, স্থানীয় শিল্পেরও বিকাশ ঘটবে। দেশের টাকা দেশেই থাকবে। তিনি আরও বলেন, দেশেই আমরা কোচ-ইঞ্জিন তৈরি করতে পারব।

নিউজনাউ/এসএ/২০২১

নিউজনাউ/এসএ/২০২১

+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
আপনার মতামত জানান
%d bloggers like this: