হারা ম্যাচে ব্যাটে-বলে সফল সৌম্য, ৪ উইকেটে শ্রীলঙ্কার জয়

নিউজনাউ ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম অফিসিয়াল প্রস্তুতি ম্যাচে ৪ উইকেটে হেরেছে বাংলাদেশ। ১৪৮ রানের লক্ষ্য ৬ বল বাকি থাকতে ছুঁয়ে ফেলেছে শ্রীলঙ্কা।

মঙ্গলবার আবু ধাবির টলারেন্স ওভালে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালোই করে বাংলাদেশ।

যদিও ৩৫ পর্যন্ত যেতে পারেননি বাংলাদেশের কেউ। সর্বোচ্চ ৩৪ রান সৌম্যর। ৩০ ছাড়ানো জুটি কেবল একটি, ওপেনিংয়ে লিটন দাস ও মোহাম্মদ নাঈম শেখের ৩১। দলীয় ১৪৭ রান তোলে বাংলাদেশ।

দারুণ বোলিংয়ে ৭৫ রানে প্রতিপক্ষের ৬ ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ। শেষ ৯ ওভারে শ্রীলঙ্কার প্রয়োজন ছিল ৭৩ রান। কিন্তু বল হাতে শুরুর পারফরম্যান্স ধরে রাখতে পারেনি তাসকিন-মেহেদিরা।

১৪৮ রানের লক্ষ্য টপকাতে নেমে তাসকিন আহমেদের করা ইনিংসের তৃতীয় ওভারে আউট হন ওপেনার কুশল পেরেরা। ৮ বলে ৪ রান করে ফেরেন তিনি। আরেক ওপেনার পাথুম নিসাঙ্কার ব্যাট থেকে আসে ১৫ রান। তাকে আউট করেন শেখ মেহেদী হাসান। দলীয় স্কোর পঞ্চাশ ছোঁয়ার আগে দীনেশ চান্ডিমালকে আউট করেন সৌম্য। আউট হওয়ার আগে চান্ডিমাল খেলেন ১৫ বলে ১৩ রানের ইনিংস।

অধিনায়ক দাসুন শানাকাও লড়াই করতে পারেননি, ফিরেছেন ৬ রান করে। ভানুকা রাজাপক্ষেকে রানের খাতা খুলতে দেননি সৌম্য। সপ্তম উইকেট জুটিতে ম্যাচ জিতে মাঠ ছাড়েন আভিস্কা ও করুনারত্নে। অর্ধশতকের স্বাদ পান আভিস্কা। বাংলাদেশের হয়ে সৌম্য নেন সর্বোচ্চ ২ উইকেট।

এর আগে ব্যাটিংয়ের শুরুতে তিন চার মেরে ডানা মেলার আভাস দেন লিটন দাস। তবে ভেসে যেতে পারেননি বেশি দূর। পিঠের ব্যথায় বিশ্রামে থাকা মাহমুদউল্লাহর অনুপস্থিতিতে দলকে নেতৃত্ব দেওয়া এই ডানহাতি ব্যাটসম্যানকে বোল্ড করে থামান দুশমন্থ চামিরা (১৬)।

আরেক প্রান্তে মোহাম্মদ নাঈম শেখ ভুগছিলেন রান করতে। রহস্য স্পিনার মাহিশ থিকসানার বলে এলবিডব্লিউ হয়ে শেষ হয় তার ভোগান্তি। ১৯ বলে করেন তিনি ১১, নেই কোনো বাউন্ডারি। কাজে লাগাতে পারেননি ফ্রি হিটও।

রানের গতি বাড়ানোর চেষ্টা করেন সৌম্য। তবে তাকে খুব একটা সঙ্গ দিতে পারেননি মুশফিকুর রহিম ও আফিফ হোসেন। আগের ম্যাচে ‘গোল্ডেন ডাক’ এর স্বাদ পাওয়া মুশফিক এক চারে ১৩ বলে করেন ১৩। এক ছক্কা মেরেই ফিরে যান আফিফ।

রিস্ট স্পিনার ভানিন্দু হাসারাঙ্গার বলে ক্যাচ দিয়ে থামেন সৌম্য। বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যানের ২৬ বলে ৩৪ রানের ইনিংসে দুটি ছক্কার পাশে চার একটি।

চাপে পড়া দলকে পরে টানতে পারেননি নুরুল হাসান সোহান ও শামীম হোসেনও। চামিরার পরপর দুই বলে ফেরেন তারা। এক চারে ১৫ রান করা সোহান হন বোল্ড, শামীম (৮ বলে ৫) দেন ফিরতি ক্যাচ।

শেষ দিকে একটি করে ছক্কা ও চারে অপরাজিত ১৬ রানের ইনিংসে দলকে দেড়শ রানের কাছে নিয়ে যান মেহেদি হাসান।

নিউজনাউ/পিপিএন/২০২১

+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
আপনার মতামত জানান
%d bloggers like this: