ইবোলা প্রতিরোধ করবে “ইবাঙ্গা”: মুয়েম্বে

নিউজনাউ ডেস্ক: ভ্যাকসিন ও চিকিৎসায় ইবোলা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে দাবি করেছে ভাইরাসটির আবিস্কারক কংগোলিজ অধ্যাপক জিন-জ্যাক মুয়েম্বে। ৪০ বছর আগে তিনি এ ভাইরাসটি আবিস্কার করেছিলেন। কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসায় “ইবাঙ্গা” রোগের চিকিৎসার সচেতনতামূলক প্রচারণায় তিনি এ কথা বলেন। সম্প্রতি আমেরিকার খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন “ইবাঙ্গা” চিকিৎসার অনুমোদন দিয়েছে।

এ সময় মুয়েম্বে বলেন, নিয়মিত চিকিৎসা ও টিকা প্রয়োগে হেমোরেজিক জ্বরের মতো ভয়ঙ্কর জ্বরও ভালো হচ্ছে। গত ৪০ বছর এই ভয়ঙ্কর রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করে তিনি একজন সাক্ষী। তাই তিনি এ ব্যাপারে নিশ্চিত করে বলতে পারছেন ইবোলা এখন নিয়ন্ত্রণে। তিনি বলেন, ‌”আমি কঙ্গোর সবচেয়ে সুখি মানুষ।”

“ইবাঙ্গা” সম্পর্কে তিনি বলেন, এটি হলো এমন একটি মনোক্লোনাল এন্টিবডি যা ভাইরাসকে কঠিনভাবে প্রতিেরোধ করে এবং কোন কোষে ভাইরাসকে প্রবেশ করতে দেয় না। এই এন্টিবডিটি হলো একটি “কঙ্গোলিজ অণু”।

১৯৭৬ সালে প্রথম ইবোলা ধরা পড়ে। একটি গ্রামে চিকিৎসা সেবা দেয়ার জন্য ডাকা হয় মুয়েম্বেকে। সেখানে তিনি এক সন্ন্যাসীর শরীরের দুরারোগ্য রোগের সন্ধান পান। তিনি তার শরীরের আক্রান্ত স্থানের কিছু নমুনা সংগ্রহ করে বেলজিয়ামে পাঠান। পরীক্ষা নিরীক্ষার পর জানা যায় আক্রান্ত ওই সন্ন্যাসী ভাইরাস আক্রান্ত। কঙ্গোর ওই নদীর নাম অনুসারে পরে এই ভাইরাসটির নামকরণ করা হয় ইবোলা।

১৯৭৬ সালের পর ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত ভাইরাসটির দৃশ্যত কোন ক্ষতিকর প্রভাব দেখা না গেলেও ১৯৯৫ সালের পর থেকে পশ্চিম ডিআরসিতে কিকভেট শহরে এক মহামারি দেখা দেয়। এর ফলে মানুষ ‘লাল ডায়রিয়ায়’ আক্রান্ত হয়। পরে ২০১৮ সালে ইবোলার চিকিৎসা গবেষণায় ‌”ইবাঙ্গার” ধারণা পান মুয়েম্বে।

নিউজনাউ/এসএ/২০২১

+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
আপনার মতামত জানান