বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত রাঙ্গাবালী উপজেলা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি: দীর্ঘ প্রতিক্ষার অবসান ঘটিয়ে বিদ্যুতের ঝলমলে আলোয় আলোকিত হয়েছে সাগর তীরের নদী বেষ্টিত পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলা।

রোববার সন্ধ্যা ৭ টায় উপজেলা পরিষদে আলোকসজ্জার মধ্য দিয়ে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়েছে। এ আলোকসজ্জার উদ্বোধন করেন পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনের সংসদ সদস্য মহিব্বুর রহমান মহিব। পরে উপজেলা চত্তরে আতশবাজি ফুটানো হয়।

এদিকে, বিদ্যুতের ঝলমলে আলো, আলোকসজ্জা ও আতশবাজি দেখতে আসা উৎসুক জনতা আনন্দ-উদ্দীপনায় মেতে ওঠে।

ভোলার তেতুলিয়া নদীর তলদেশ থেকে ৯ কিলোমিটার সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে এই দ্বীপে বিদ্যুৎ পৌছে গেছে। প্রাথমিক পর্যায় সাড়ে ২৯ হাজার পরিবার বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আসবে বলে জানান সংশি­ষ্টরা। তবে এ আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে দুই হাজার ৯৫০টি গ্রাহককে ইতোমধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়েছে। বাকিদের পর্যায়ক্রমে বিদ্যুৎসুবিধার আওতায় আনা হবে বলে জানান সংশি­ষ্টরা।

বিদ্যুৎবিহীন সাগর ও নদী ঘেরা এ উপজেলার প্রায় দুই শত বছর ধরে এলাকার মানুষের একমাত্র আলোর সম্বল ছিল সূর্য। বিদুৎ ছিল এই দুর্গম চরাঞ্চলের মানুষের স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন বাস্তবে পরিণত হয়েছে। বিদ্যুতের ঝলমলে আলোয় আলোকিত হয়েছে বিচ্ছিন্ন দ্বীপ ‘রাঙ্গাবালী’। সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে নদীর তলদেশ দিয়ে বিদ্যুৎ পেয়েছে এই জনপদের মানুষ।

উল্লে­খ্য, ২০১২ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী রাঙ্গাবালী উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। দীর্ঘদিনের দাবি অনুযায়ী ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নিজস্ব অর্থায়নে গত বছরের সেপ্টমবর মাসে এই বিদুত্যের আনুষ্ঠানিক ভাবে কাজটি শুরু করা হয়।

উৎসুক জনতা কালাম বলেন আমাদের এই চরে বিদ্যুত আসবে স্বপ্নেও ভাবিনি। একমাত্র প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা দ্বারাই সম্ভব হয়েছে, দোয়াকরি তিনি যেন হাজার বছর বেঁচে থাকে।

সংসদ সদস্য, পটুয়াখালী-(৪) মো.মহিব্বুর রহমান মহিব বলেন উপজেলা শতভাগ বিদ্যুতায়নের পর প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করবেন। এখন পরীক্ষামূলকভাবে উপজেলা পরিষদ আলোকসজ্জার মাধ্যমে আলোকিত করেছি।

+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
আপনার মতামত জানান
%d bloggers like this: