শত কোটি টাকার সম্পদের মালিক পুলিশ কর্মকর্তা সোহেল

নিউজনাউ ডেস্ক: চারটি ভিন্ন দেশে সম্পত্তি, দেশে চারটি ফ্ল্যাট, ৯ কোটি টাকা মূল্যের একটি বাণিজ্যিক ভবন, বেশ কিছু জমির প্লট, এলিট ক্লাবের সদস্যপদ, এবং শত-শত কোটি টাকার সম্পদ। দেশ থেকে পালিয়ে ভারতে গ্রেপ্তার হওয়া রাজধানীর বনানী থানার প্রাক্তন পুলিশ ইন্সপেক্টর (তদন্ত) শেখ সোহেল রানার জীবন এমনই।

গোয়েন্দা সূত্র আরও জানিয়েছে, তিনটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির বেশ কিছু ডিলারশিপও রয়েছে এই পুলিশ কর্মকর্তার।

তার চারটি ফ্ল্যাটের মধ্যে দুটি রাজধানীর নিকেতনে। শেখ সোহেল রানার মালিকানাধীন টিঅ্যান্ডজি নামে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের একটি শাখা গুলশানের ডিসিসি মার্কেটে এবং আরেকটি রয়েছে উত্তরার গরিব-ই-নেওয়াজ অ্যাভিনিউতে।

রিয়েল এস্টেটের প্রতি বিশেষ ঝোঁক থেকে পুর্বাচলের সেক্টর-৩-এ একটি প্লট, কুড়িল বিশ্বরোড লাগোয়া একটি আবাসিক এলাকার ই ও আই ব্লকে দুটি প্লট এবং খাগড়াছড়িতে রিসোর্টের জন্য জমি কিনেছেন তিনি।

একটি গোয়েন্দা সংস্থা জানিয়েছে, শেখ সোহেল রানা আলোচিত ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ই-অরেঞ্জেও অর্থলগ্নি করেছেন।

এক সময়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ডিপ্লোম্যাটিক সিকিউরিটি ডিভিশনের সাব-ইন্সপেক্টর হিসেবে কর্মরত থাকা শেখ সোহেল রানা মানবপাচারের সঙ্গেও জড়িত বলে এক গোয়েন্দা প্রতিবেদনে দাবি করা হয়।

ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, জনপ্রতি ৮০০ ইউরোর বিনিময়ে তিনি ইউরোপে মানবপাচারের দায়ে অভিযুক্ত।

উল্লেখ্য, ১ লাখ গ্রাহকের কাছ থেকে অসৎ উপায়ে ১,১০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে গত জুলাইয়ে রাজধানীর গুলশান থানায় ই-অরেঞ্জের বিরুদ্ধে একটি প্রতারণার মামলা করা হয়। ওই মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের স্বত্বাধিকারী সোনিয়া মেহজাবিন ও তার স্বামী মাসুকুর রহমান-সহ তিনজন এখন কারাগারে। ব্যক্তিজীবনে সোনিয়া হলেন সোহেল রানার বোন। অন্যদিকে, মামলার অন্যতম আসামি বীথি আক্তার ওরফে নাজনীন নাহার বীথি পলাতক রয়েছেন। মামলার বাদী জানিয়েছেন, বীথি পুলিশ কর্মকর্তা সোহেল রানার চতুর্থ স্ত্রী।

 

+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
আপনার মতামত জানান
%d bloggers like this: