আশঙ্কায় উপকূলের ৭১০ কিলোমিটার এলাকা

নিউজনাউ ডেস্ক: দেশে জলোচ্ছ্বাস, বন্যা, ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ দিন দিন বাড়ছে। বাড়ছে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা। এভাবে চলতে থাকলে ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের উপকূলীয় ৭১০ কিলোমিটার এলাকা চরম ঝুঁকিতে পড়বে। সরকারি এক জরিপে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) পরিচালিত এ জরিপে বলা হয়েছে, উন্নত বিশ্বের অতিমাত্রায় কার্বন নিঃসরণের কারণে তাপমাত্রা বাড়ছে। এর প্রভাবে বঙ্গোপসাগরসহ উপকূলের নদ-নদীর পানির স্তরের উচ্চতা প্রতি বছরই বাড়ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতি বছর পানির স্তরের উচ্চতা বাড়ার হার তিন সেন্টিমিটার। ফলে তীব্র ভাঙনের কবলে পড়েছে দেশ। বহু গ্রাম এরই মধ্যে সাগর-নদীতে বিলীন হয়েছে। চলতি বছর অর্থাৎ ২০২১ সালে নদীভাঙনে প্রায় ২৮ হাজার মানুষ বাস্তুহারা হতে পারেন। এছাড়া, পানিতে লবণের মাত্রাও বাড়ছে। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে দেশের অর্থনীতিতে।

বিআইডব্লিউটিএর জরিপে দেখা গেছে, টেকনাফের নাফ নদীর মোহনা থেকে সাতক্ষীরা জেলার সীমান্ত-নদী রায়মঙ্গল-কালিন্দী পর্যন্ত বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের দৈর্ঘ্য ৭১০ কিলোমিটার। এর মধ্যে সুন্দরবন ১২৫ কিলোমিটার। সুন্দরবন ছাড়াও উপকূলের ২৭৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে রয়েছে নদীর মোহনা ও ছোট-বড় দ্বীপমালা। ৩১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে আছে সমতল উপকূলীয় অঞ্চল। পুরো উপকূল অংশের মধ্যে বসবাসকারীরা জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকিতে রয়েছেন।

নিউজনাউ/এসএ/২০২১

+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
আপনার মতামত জানান
%d bloggers like this: