সিলেট-৩ আসনে উপ-নির্বাচনের ভোট চলছে

সিলেট ব্যুরো: শুরু হয়েছে সিলেট-৩ আসনে উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। শনিবার (০৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টায় এ ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

সকাল ৮টায় ভোট শুরু হলেও ভোটকেন্দ্রগুলোতে সকাল থেকে তেমন ভোটার উপস্থিতি চোখে পড়েনি। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটাদের উপস্থিতি বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নির্বাচনী এলাকায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

সিলেটের তিনটি উপজেলা দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্জুগঞ্জ ও বালাগঞ্জ নিয়ে গঠিত এ আসনে ভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে পর্যাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তারা নির্বাচনের আগে-পরে দু’দিন করে এবং ও নির্বাচনের দিন মিলিয়ে মোট পাঁচ দিন মাঠে দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপন সূত্রে এমনটিই জানা গেছে।

উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী হাবিবুর রহমান হাবিব, লাঙ্গল প্রতীকে লড়ছেন আতিকুর রহমান আতিক, সাবেক সংসদ সদস্য ও দল থেকে সদ্য বহিষ্কৃত বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা শফি আহমদ চৌধুরী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোটে লড়ছেন। এছাড়াও আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী জুনায়েদ মোহাম্মদ মিয়া।

তিন উপজেলা নিয়ে গঠিত সিলেট-৩ আসনের মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৫২ হাজার। আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টি এ তিন দলেরই এখানে বড় ভোট ব্যাংক রয়েছে বলে মনে করা হয়। একসময় সিলেট-৩ আসন ছিল জাতীয় পার্টির দুর্গ। টানা তিনবার এই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন জাতীয় পার্টির আব্দুল মুকিত খান। ২০০১ সালের নির্বাচনে মুকিত খানকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন বিএনপির শফি আহমদ চৌধুরী। ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি মহাজোটের ব্যানারে ঐক্যবদ্ধভাবে অংশ নিলেও সিলেট-৩ আসন উন্মুক্ত রাখা হয়। সে নির্বাচনে আসনটিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হন মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী কয়েস। আতিককে আলাদা প্রার্থী দেয় জাতীয় পার্টি। আর বিএনপির প্রার্থী ছিলেন শফি আহমদ। আতিক-শফি দুজনকে হারিয়ে সেবার বিজয়ী হয়েছিলেন মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী কয়েস। এরপর ২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনেও আসনটি নিজের দখলে রাখেন কয়েস। যদিও দশম জাতীয় নির্বাচন বর্জন করেছিল বিএনপি।

গত ১১ মার্চ সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগ নেতা মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর একটি হাসপাতালে মারা যান। এর পরই আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়।

নিউজনাউ/আরবি/২০২১

+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
আপনার মতামত জানান
%d bloggers like this: