চীনের বাজারে বাংলাদেশ সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে

নিউজনাউ ডেস্ক : বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং জানিয়েছেন, শুল্কমুক্ত সুবিধা দেওয়ায় চীনের বাজারে বাংলাদেশের বাণিজ্যের জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তিনি জানান, চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশীর সম্পর্ক বহুদিনের। ৪৫ বছর ধরে দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের লেনদেনে সুষম গতি বজায় রয়েছে। অর্থনীতি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ খাতে সহায়তা ক্রমাগত গভীর হচ্ছে। গত বছরের জুলাইতে বাংলাদেশকে ৯৭ শতাংশ পর্যন্ত শুল্কমুক্ত সুবিধা দিয়েছে চীন।

বুধবার (০৯ জুন) ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) এবং বাংলাদেশ চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিসিসিসিআই) যৌথভাবে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ-চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ট্রেড রিলেশনস ইন দি আফটারমান্থ অব দ্য কোভিড-১৯ গ্লোবাল পেন্ডামিক’ শীর্ষক ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সী।

চীনের রাষ্ট্রদূত জানান, গত বছর বাংলাদেশ থেকে চীনের পণ্য আমদানি ২৮ শতাংশ বেড়েছে। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ থেকে চীনের আমদানি আরও বাড়বে। দুই দেশের বাণিজ্যে ব্যালান্স তৈরি হবে। দুই দেশের বাণিজ্য বাড়াতে বিদ্যমান শুল্কমুক্ত সুবিধা ছাড়াও এফটিএ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে। তবে এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারকে আরও বেশি কাজ করতে হবে।

বাংলাদেশে চীনের বিপুল বিনিয়োগ রয়েছে জানিয়ে লি জিমিং বলেন, বিআরআই-এর অধীনে চীন বিভিন্ন উপায়ে যেমন অগ্রাধিকারযোগ্য ঋণ, বিনিয়োগ, প্রকল্প চুক্তি ও বিনামূল্যে সহায়তার মাধ্যমে বাংলাদেশের অবকাঠামো নির্মাণে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। শুধু এসব খাতই নয়, ফাইভজি, হাই স্পিড রেল, মহাকাশ এবং ব্লু -ইকোনমি, জলবায়ু পরিবর্তন, দারিদ্র্য নির্মূল, মেডিক্যাল ও স্বাস্থ্যসেবা এবং মানবসম্পদ উন্নয়নে চীনের কাজ করার আগ্রহ রয়েছে।

+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
আপনার মতামত জানান
%d bloggers like this: