মূলধন ঘাটতিতে দেশের ১১ ব্যাংক

নিউজনাউ ডেস্ক: চলতি বছরের সরকারি ৫টি, বিশেষায়িত দুটি ও বেসরকারি খাতের ৪টিসহ মোট ১১টি ব্যাংক মূলধন ঘাটতিতে রয়েছে।

এদিকে গত মার্চ পর্যন্ত এসব ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২৪ হাজার ৭৮৩ কোটি টাকা। আগের প্রান্তিক ডিসেম্বরে ছিল প্রায় ২৯ হাজার কোটি টাকা। তিন মাসের ব্যবধানে মূলধন ঘাটতি প্রায় ৪ হাজার ১৭০ কোটি টাকা কমে এসেছে।

অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, ঋণের গুণগত মান বাড়ানো ছাড়া মূলধন পরিস্থিতির উন্নতি হবে না। এজন্য ঋণের গুণগত মান বাড়াতে প্রথমত খেলাপি ঋণ আদায়ে জোর দিতে হবে।

পাশাপাশি নতুন ঋণ বিতরণের আগে ভালোভাবে যাচাই করতে হবে। ঋণ সঠিক খাতে ব্যবহার হচ্ছে কি-না, তা নিখুঁতভাবে খতিয়ে দেখতে হবে। এছাড়া সব ধরনের অপচয় রোধ করে আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে মূলধন পরিস্থিতির উন্নতি করতে হবে।

আন্তর্জাতিক ব্যাসেল-৩ নীতিমালা অনুযায়ী, ঝুঁকি বিবেচনায় ব্যাংকগুলোকে নিয়মিত মূলধন সংরক্ষণ করতে হয়। বর্তমান নিয়মে একটি ব্যাংকের মোট ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের ১০ শতাংশ বা ৪০০ কোটি টাকার মধ্যে যেটি বেশি, সেটি ন্যূনতম পরিমাণ হিসাবে মূলধন রাখতে হয়। কোনো ব্যাংক এ পরিমাণ অর্থ সংরক্ষণে ব্যর্থ হলে মূলধন ঘাটতি হিসাবে বিবেচনা করা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, চলতি বছরের মার্চ প্রান্তিকে মূলধন সংরক্ষণের এ শর্ত ১১ ব্যাংক পূরণ করতে পারেনি। তবে এ সময়ে বেশিরভাগ ব্যাংকের মূলধন উদ্বৃত্ত থাকায় সার্বিক ব্যাংকিং খাতে মূলধন উদ্বৃত্ত রয়েছে।

এদিকে ২০২০ সালের ডিসেম্বর প্রান্তিকে ১০টি ব্যাংক মূলধন ঘাটতিতে ছিল। এসব ব্যাংকের মূলধন ঘাটতির পরিমাণ ছিল আরো বেশি, প্রায় ২৮ হাজার ৯৫২ কোটি টাকা।

নিউজনাউ/টিএন/২০২১

+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
আপনার মতামত জানান
%d bloggers like this: