সাধারণ তবু অসাধারণ!

স্যার ফজলে হাসান আবেদ। সাধারণ তবু অসাধারণ। অনুসরণীয়, অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব। কোটি মানুষকে স্বনির্ভরতার পথ দেখিয়েছেন। নতুন করে বাঁচতে শিখিয়েছেন। সফলতার মুখ দেখিয়েছেন। কল্যাণকামী মানুষের কিংবদন্তি।
স্যার ফজলে হাসান আবেদ ১৯৩৬ সালের ২৭ এপ্রিল হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচংয়ে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিষয়ে ও পরে ব্রিটেনের গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। ১৯৫৬ সালে গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে লন্ডন চলে যান। সেখানে ভর্তি হন অ্যাকাউন্টিংয়ে। এখানে কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টিংয়ের ওপর চার বছরের প্রফেশনাল কোর্স পাস করেন ১৯৬২ সালে। এছাড়া, তিনি ১৯৯৪ সালে কানাডার কুইনস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘ডক্টর অব ল’ এবং ২০০৩ সালে যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার ইউনিভার্সিটি থেকে ‘ডক্টর অব এডুকেশন’ ডিগ্রি লাভ করেন।
দারিদ্র্য বিমোচন ও উন্নয়নে ভূমিকা রাখায় স্যার ফজলে হাসান আবেদ তার কর্মের স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৮০ সালে র্যা্ মন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার, ২০১১ সালে ওয়াইজ প্রাইজ অব এডুকেশন, ২০১৪ সালে লিও টলস্টয় ইন্টারন্যাশনাল গোল্ড মেডেল, স্প্যানিশ অর্ডার অফ সিভিল ম্যারিট, ২০১৫ সালে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি পুরস্কার অর্জন করেন।
২০০৯ সালে ব্রিটেন তাকে নাইট উপাধি দেয়। সর্বশেষ, চলতি বছর তিনি সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে দক্ষিণ এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে সাউথ এশিয়ান ডায়াসপোরা অ্যাওয়ার্ড, শিক্ষায় ভূমিকা রাখায় ইয়াডান পুরস্কারের জন্য মনোনীত হন।
২০১৯ সালেই ব্র্যাকের চেয়ারম্যানের পদ থেকে অব্যাহতি নেন তিনি। তাকে প্রতিষ্ঠানটির ইমেরিটাস চেয়ার নির্বাচিত করা হয়।
১৯৭২ সালে ব্র্যাক প্রতিষ্ঠা করার পর সংস্থাটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় পরিণত হয়েছে। যা বাংলাদেশকে বর্হিবিশ্বে নতুন করে চিনিয়েছে। বিশ্বব্যাপী দারিদ্র বিমোচনে ও উন্নয়নে ব্র্যাক এখন রোল মডেল।

+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
আপনার মতামত জানান