১৫ বছরে দেশে প্রবাসীর লাশ এসেছে প্রায় ৪১ হাজার

দেশে প্রবাসীদের লাশ আসার সংখ্যা বাড়ছে। ২০০৫ সালের পর থেকে আসা লাশের পরিসংখ্যান তাই বলছে। হিসেব বলছে, ২০০৫ সাল থেকে ২০১৯ সালের নভেম্বর পর্যন্ত দেশে প্রবাসী কর্মীর লাশ এসেছে ৪০ হাজার ৮০৬টি। শুধুমাত্র স্ট্রোকের কারণে মৃত্যুবরণ করে ওমান থেকে লাশ হয়ে ফিরেছেন ৪৮ বছর বয়সী আক্তার মিয়া, কুয়েত থেকে ৩৯ বছর বয়সী সুন্দর আলী, দুবাই থেকে ৩৯ বছর বয়সী রতন মিয়া, সৌদি আরব থেকে ৪৮ বছর বয়সী শাহ্ আলম, কাতার থেকে ২৯ বছর বয়সী বশির উদ্দিন, বাহরাইন থেকে ৩৫ বছর বয়সী জিয়াবুল হোসেন। মধ্যপ্রাচ্য থেকে যেসব মধ্য বয়সী কর্মীদের লাশ আসছে তাদের বেশির ভাগের মৃত্যু স্ট্রোকের কারণে। ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের দেওয়া তথ্য থেকে এসব জানা গেছে।

একনজরে দেখে যাক, কতসালে কতজন প্রবাসীর লাশ দেশে এসেছে।২০০৫ সালে লাশ এসেছে ১ হাজার ২৪৮, ২০০৬ সালে ১ হাজার ৪০২, ২০০৭ সালে ১ হাজার ৬৭৩, ২০০৮ সালে ২ হাজার ৯৮, ২০০৯ সালে ২ হাজার ৩১৫, ২০১০ সালে ২ হাজার ৫৬০, ২০১১ সালে ২ হাজার ৫৮৫, ২০১২ সালে ২ হাজার ৮৭৮, ২০১৩ সালে ৩ হাজার ৭৬, ২০১৪ সালে ৩ হাজার ৩৩৫, ২০১৫ সালে ৩ হাজার ৩০৭, ২০১৬ সালে ৩ হাজার ৪৮১, ২০১৭ সালে ৩ হাজার ৩৮৭, ২০১৮ সালে ৩ হাজার ৭৯৩ এবং ২০১৯ সালের নভেম্বর পর্যন্ত ৩ হাজার ৬৬৮ জনের। এই তালিকায় রয়েছেন নারী কর্মীরাও। চার বছরে নারী কর্মীর লাশ এসেছে ৪৭৯ জনের। যার মধ্যে ২০১৬ সালে ১১৭, ২০১৭ সালে ১১১, ২০১৮ সালে ১৩০ এবং ২০১৯ সালের অক্টোবর পর্যন্ত ১২১ জন নারীর লাশ দেশে এসেছে। ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের দেওয়া তথ্য মতে, নারী কর্মীদের মধ্যেও বেশিরভাগ মৃত্যুর কারণ স্ট্রোক, যার বেশির ভাগই এসেছে মধ্যপ্রাচ্য থেকে। এছাড়া আত্মহত্যা করেছেন ৪৪ জন।

+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
আপনার মতামত জানান