খালেক ভাইয়ের দুই গালে

হাসনাইন খুরশেদ


আহ! এডিডাসের বুট! তাও আবার দুই জোড়া। সাথে দারূণ একটা এডিডাস ট্যাঙ্গো এস্পানা। বিরাশির বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ম্যাচ বল! গিফট প্যাকেটটা খুলেই চোখ কপালে উঠলো আমার। খুশিতে চিৎকার করে উঠলাম। নেচে উঠলাম দারূণ আনন্দে। আমার স্বপ্নের বুট! আমার স্বপ্নের ফুটবল! এতো আনন্দ আমি কোথায় রাখি। সন্ধ্যায় মাঠ থেকে ফিরে আমার টেবিলে পেলাম গিফট প্যাকেটটা। খুলে দেখার পর আনন্দে নাচতে নাচতে চিৎকার করে উঠলাম-
আম্মা.. আম্মা..
আমার চিৎকার শুনে আম্মা ছুটে এলেন।
-কি রে, কি হয়েছে বাবা? এতো চিৎকার করছিস কেনো?
আমার লাফানো থামছেই না। খুশিতে লাফাতে লাফাতে আম্মাকে জড়িয়ে ধরলাম।
-জাকির মামা কি চলে গেছেন!
-জাকিরকে পেলি কোথায়! ওকে কতো দিন দেখি না!
বলতে বলতে আম্মার কণ্ঠ ভিজে এলো। আপন কোন ভাই নাই আম্মার। রক্ত-সম্পর্কে হয়তো একটু দূরের-তবু জাকির মামা, আসাদ মামা, মোয়াজ্জেম মামা, বাবু মামা, লাল খাঁ মামা, রহমত মামারা আপনের চেয়েও বেশি। আম্মাই তাদের আপন বড় বোন। তারাই আমাদের আপন মামা। জাকির মামা স্পেনে থাকেন। বিরাশির পর আর আসেননি। বিরাশিতে স্পেনেই বসেছিলো বিশ্বকাপ ফুটবলের আসর।
সেবার যাওয়ার আগে জাকির মামা বলেছিলেন, পরের বার তোমার জন্য বিশ্বকাপের ফুটবল আর বুট নিয়ে আসবো।
-জাকির মামা আসেননি! তাহলে..
আমি অবাক হয়ে আম্মার দিকে তাকালাম।
এই ফুটবল.. এই বুট.. এই প্যাকেট.. এগুলো তো অরিজিনাল.. স্প্যানিশ!
ও.. বিকালে একটা লোক দিয়ে গেলো। বললো, তোর জন্য খালেক সাহেব পাঠিয়েছেন।
খালেক সাহেব! মানে আমাদের খালেক ভাই! দারূণ এসব গিফট খালেক ভাই পাঠিয়েছেন!
ভেবেছিলাম, খালেক ভাইয়ের সাথে আর কথাই বলবো না। অভিষেকে সবার সামনে যা করলো, এরপর আর মেশা যায় না। কথা বলার প্রশ্নই আসে না।
নাহ.. খালেক ভাইয়ের গিফট নেয়া যায় না। কোনভাবেই না।
তাই বলে ফিরিয়ে দেবো ট্যাঙ্গো বল! এডিডাস বুট! পেয়ে হারানোর এই বেদনা কি আমি সইতে পারবো! দ্বিধায় ছেয়ে গেলো মন।

চোখে পড়লো, গিফট প্যাকটার এক পাশে লাগানো একটা চিরকূট-
শুচি, তুই ত আমার আপনা ভাই। তরে ছাড়া জেফতের হাওন আমার পেডে ডুকত না। আমি বারডার সম আমু। তরে লগে লইয়্যা যামু।-তর খালেক ভাই
পরদিন ঠিক বারোটায় বাসার সামনে এসে থামলো সেই নীল জীপ। খালেক ভাই তুলে এনেছেন পার্কি আর প্রবালকেও। ওদের জোরাজুরিতে আমাকেও উঠতে হলো জীপে।
বিশাল জীপটার পেছনের সারিতে আমরা তিন দোস্ত। মাঝের সীটে খালেক ভাইয়ের পাশে দশাসই একটা লোক। বেশ রাফ এণ্ড টাফ। খালেক ভাই পরিচয় করিয়ে দিলেন।
দিলীপ দা আগরতলার উঠতি ব্যবসায়ী। তিনিও ভিপি ছিলেন। আগরতলার বলরাম কলেজের। এখনো পুরোদমে রাজনীতি করেন। সেই সাথে করেন ঠিকাদারি। খালেক ভাইদের সাথে ওষুধপথ্য, মশলাপাতি, পাথরের কারবারসহ নানা রকম ব্যবসায় জড়িয়ে আছেন।
দীলিপ দা গতকাল দুপুরে এসেছেন। মাদ্রিদ থেকে এক ফ্রেন্ডের পাঠানো কয়েকটা গিফট প্যাকও নিয়ে এসেছেন। সেগুলোই খালেক ভাই পাঠিয়েছেন আমাদের তিন দোস্তকে।

আস্ত পাঁচটা মুরগির রোস্ট নিয়ে রুস্তম বাবুর্চি আর তার দলবল এসে দাঁড়ালো আমাদের টেবিলের সামনে। তার লোকজনের হাতে বিরাট বিরাট গামলা ভরা গরুর মাংসের তরকারি। লাল লাল ঝোল দেখেই জিভে জল আসে। আমাদের অবাক করে দীলিপ দা একটা বোল টেনে নিলেন। আমাদের প্লেটে তুলে দিলেন নিজ হাতে। অনেকটাই ঢেলে নিলেন নিজের প্লেটে।
প্রবাল চিৎকার করে উঠলো, দীলিপ দা, এইডা ত গরু!
-আরে দাদা, গরুর মাংস হবে জেনেই তো এতো দূর ছুটে এলাম।
-জানতেন! কেমন করে! অভিষেকের সময়ই না আপনি এলেন!
খ্যাক খ্যাক করে হেসে উঠলেন খালেক ভাই। হেসে উঠলেন দীলিপ দা, আমি জানি না এমন কিছু কি খালেক দাদার আছে! কি বলো দাদা.. হাহাহা..
মনে পড়ে যায়, খালেক ভাইকে মাঝে মাঝে আগরতলার শেরওয়ানি, পাঞ্জাবি এমনকি ধূতিও পড়তে দেখেছি। আমরা বুঝে যাই, দীলিপ দার মাহাত্ম্য!
তরার লগে ত মাজে-মইদ্যে দেহা অয়। আমার কারবারের কি আর জানস তরা। কতদিন দইরা একলগে কারবার আমরার। বলতে বলতে সানকির মতো গর্তওয়ালা পিতলের প্লেটটাতে কব্জি ডুবিয়ে দিলেন খালেক ভাই। গোগ্রাসে খেতে শুরু করলেন। বিরাট বিরাট হা করে খাচ্ছেন তিনি। বিদঘুটে শব্দ করে চিবুচ্ছেন। খালেক ভাইকে কোনদিন খেতে দেখিনি আমরা। আজ দেখে আমাদের খাওয়া বন্ধ হওয়ার জোগার।

আমরা অবাক হয়ে ভাবি, কোন মানুষ এভাবে খায়! এভাবে খেতে পারে!
কয়েক দফায় প্রায় দুই হাজার শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারীর খাওয়া শেষ হলো। তবু অনেকেই বসে আছে টেবিলে। ভিপি সাহেব ওঠার আগেই উঠে গেলে কেমন দেখায়!
খালেক ভাই তখন বসেছেন মিস্টি দইয়ের হাড়ি নিয়ে। মিস্টির হাড়িও তার সামনে।
ময়রা দইডা হুব ভালা বানাইছে! আরেকটু লন দাদা.. অ শুচি, পার্কি.. আর পোলাডার নামডা জানি কি.. হ, হ, পরবাল.. পরবাল.. ল না.. তরাও আরেকটু দই-মিস্টি ল..
খালেক ভাইকে শুরুতেও বলেছিলাম, খাওয়া শেষে আবারও বললাম, আপনে ভিপি, আপনেই খাওয়াইতাছেন, সব টেবিলে গিয়া একটু হুজ-হবর লন। ও সবের ধার ধারলেন না খালেক ভাই। দারূণ তাচ্ছিল্য ঝরলো তার গলায়-
-ভাত ছিডাইলে কাউয়া ত আইবই। কাউয়া দেহনের কিতা আছে!
রাগে জ্বলে উঠলাম আমি। কিতা কইলেন! না শোনার ভান করে খালেক ভাই আমার কাঁধে হাত রাখলেন। দুই দুইটা পান একসাথে মুখে পুরে আমাকে টেনে নিয়ে হন হন করে হাঁটতে লাগলেন।

-দাদা, লন আপনেরে ক্যাম্পাসটা একটু ঘুরাইয়া দেহাই। ল, তরাও ল।
আমরা দল বেঁধে ক্যাম্পাস দেখতে বেরুলাম। পঞ্চাশ একর জমির ওপর বিশাল দানবীর কমপ্লেক্স। এর চার ভাগের তিন ভাগ জুড়াবো আমাদের কলেজ ক্যাম্পাস। চারপাশে উঁচু সীমানা-দেয়াল।

মূল রাস্তার লাগোয়া বিশাল দুটি তোরণ। একটি ঢুকবার, আরেকটি বেরুনোর পথ। সেই তোরণ পেরিয়ে ভেতরে ঢুকলেই ওয়াই শেপের তিন তলা কলেজ ভবন। ওয়াই-এর মূল আদলটাতে ক্লাসরুম, হল রুম, গ্যালারি রুম, লাইব্রেরি, গেমস রুম, স্টুডেন্টস কমনরুম, ক্যান্টিন, স্টাফ রুম আরো কত কি।

ওয়াই-এর লেজের অংশে নিচ তলায় প্রিন্সিপাল স্যার আর ভাইস প্রিন্সিপাল স্যারের রুম, প্রশাসন ও একাউন্টস বিভাগ। দোতলায় সিনিয়র টিচারদের আলাদা আলাদা রুম, টিচার্স কমনরুম ইত্যাদি.. ইত্যাদি..। এই অংশের তিন তলার পুরোটা জুড়ে বিশাল সায়েন্স ল্যাব।
কলেজ ভবনের মাঝের জায়গাটাতে খেলার মাঠ। ওয়াই-এর যে ইউ শেপটা তার সামনের টানা বারান্দাগুলো যেনো গ্যালারি। দোতলা, তিনতলার বারান্দায় দাঁড়িয়ে নিচের মাঠের খেলা দেখা যায়। তাকালেই দারূণ লাগে।

এই মাঠের এক প্রান্তে শহীদ মিনার আর শহীদ স্মৃতিসৌধ। আরেক প্রান্তে উঁচু বেদির উপর নির্মিত আবক্ষ মূর্তি। বীর মুক্তিযোদ্ধা দানবীর আবদুল করিম সাহেবের আবক্ষ মূর্তি।
শ্বেতপাথরের এই ভাস্কর্যেই দানবীর সাহেবকে দেখেছি আমরা। পরনে পাঞ্জাবি। একপাশে চাদরটা ঝুলানো। চোখে চশমা। শ্বশ্রূমণ্ডিত অভিজাত মুখমণ্ডল। ভাস্কর্যটার সামনে দাঁড়ালেই শ্রদ্ধায় মাথা নুয়ে আসে। অসাধারণ এক ব্যক্তিত্ব।

দানবীর সাহেবকে দেখিনি আমরা। তিনি মারা গেছেন ১৯৮৩ সালে। অসীম সাহসী এই মানুষটি একাত্তরের মার্চের শেষ সপ্তাহেই স্ত্রী আর একমাত্র ছেলেকে রেখে আসেন গ্রামের বাড়ি পরমানন্দপুরে। সরাইলের ভাটি অঞ্চলের অপরূপ গ্রাম পরমানন্দপুর। তবে যাতায়াত অনেক দূরূহ। বর্ষার কয়েক মাস নৌকা চলে। মাঝে মাঝে কাইজ্জা লাগলে নদীপথে পুলিশের লঞ্চও আসে। বছরের বাকিটা সময় ক্ষেতের আইল আর নদীর পাড় ধরে পাঁচ-ছয় মাইল হাঁটতে হয়।
আবদুল করিম সাহেব ভেবেছিলেন, এতোটা দূর্গম পথে পাঞ্জাবিরা যাবে না। যুদ্ধের কোন ছোঁয়াই লাগবে না।

স্ত্রী-সন্তানকে গ্রামের বাড়িতে রেখে, বিপুল সহায়-সম্পত্তি ফেলে করিম সাহেব চলে যান মুক্তিযুদ্ধে। অস্ত্র হাতে তাঁর নানা অভিযান আর পাঞ্জাবি নিধনের অনেক কাহিনী আজও মানুষের মুখে মুখে ফেরে। মুক্তিযুদ্ধ শেষে কাঁধে স্টেনগান ঝুলিয়ে বাড়ি ফিরেন বিজয়ী বীর আবদুল করিম। স্ত্রী-সন্তানের জন্য তখন অস্থির তাঁর হৃদয়। ডিসেম্বরের শুরু থেকে ওদের কোন খোঁজ-খবরই পাননি। কেমন আছে ওরা?

পরমানন্দপুরে পৌঁছে করিম সাহেব জানতে পারেন, ডিসেম্বরের পাঁচ তারিখ সকালে গ্রামের বাড়িতেও হামলা করেছিলো হানাদার পাকিস্তানি বাহিনী আর রাজাকাররা। আর কারো কোন ক্ষতি করেনি। শুধু তাঁর স্ত্রী আর ছেলেকে ধরে নিয়ে গেছে। তাড়াহুড়ো করে লঞ্চে তুলে সেই যে নিয়ে গেছে, কেউ আর কোন হদিস পায়নি।

বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল করিম অনেক খুঁজেও কিছুই করতে পারেননি। খুঁজে পাননি প্রিয়তমা স্ত্রী মেহেরজান আর ক্লাস এইটে পড়ুয়া একমাত্র ছেলে তিতাসকে। দশ কূলে আর কেউ রইলো না করিম সাহেবের। আর কোন ভাই-বোন নেই। চাচা-ফুফু-মামা-খালা ছিলো না কশ্মিনকালেও। রইলো শুধু বিপুল সম্পত্তি। এতো সম্পত্তি দিয়ে কি হবে! কার জন্য এই সব!
ভাটি এলাকার জমিদার পরিবারের একমাত্র উত্তরাধিকারী আবদুল করিম সাহেব। তিনি তার বিপুল সম্পত্তির একটা বড় অংশ বিলিয়ে দিলেন মানুষের মাঝে। আলাদা আলাদা ট্রাস্ট গড়ে পাশে দাঁড়ালেন মুক্তিযুদ্ধের সহযোদ্ধা, শহীদ পরিবার আর বীরাঙ্গনা নারীদের। দারূণ সংগঠক আবদুল করিম বিপুল বিনিয়োগ করে, নিজে দিন-রাত খেটে প্রতিটি ট্রাস্টকে স্বনির্ভর ও লাভজনক করে তুললেন। যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের ছোট্ট জনপদ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিপুল সংখ্যক মানুষের জীবন বদলে দিলেন।

সাধারণ মানুষ প্রগাঢ় ভালোবাসায় বুকে টেনে নিলো বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল করিমকে। উপাধি দিলো ‘দানবীর’। দানবীর আবদুল করিম সাহেব একেক সহযোদ্ধার হাতে তুলে দিলেন একেকটি ট্রাস্ট পরিচালনার দায়িত্ব। আর নিজে দায়িত্ব নিলেন আজন্মলালিত স্বপ্নের কলেজটি গড়ে তোলার। দীলিপ দা আর আমাদের নিয়ে কলেজ ক্যাম্পাসের নানা প্রান্তে ঘুরলেন ভিপি আবদুল খালেক। ঘুরতে ঘুরতে আমরা পৌঁছে গেলাম দানবীর আবদুল করিম সাহেবের ভাস্কর্যের সামনে।
-দাদা, আমনেরার আগরতলাত ত মূর্তি বানানর অনেক ভালা ভালা কারিগর আছে। হুব ভালা একজন কইলাম আমারে দিয়ন লাগব।
-কি করবে দাদা?
-এই যে দেখতাছেন, ইলা-অই দানবীর সাব। অনেক দান-খয়রাত করছে। আমরার এই কলেজডাও বানাইছে।
-হুম.. শুনেছি উনার কথা..
-আমি ত তাইনের কলেজেরই ভিপি। আমিও কাম-কারবারের লাভের ট্যাহাত্তে দান-খয়রাত করুম। এই যে আজগাও কত্তডি গরু জব’ দিয়া জেফত দিলাম। আরো করুম।
-তা, মূর্তির কারিগর দিয়ে কি করবে দাদা? আবারও জানতে চাইলেন দীলিপ দা।
খালেক ভাই আমাদের দিকে তাকালেন। আমি, পার্কি, প্রবাল অবাক হয়ে শুনছি। কি বলতে চাইছেন খালেক ভাই!
-সবচে ভালা কারিগরডা কিন্তু আমার লাইগা দিয়নই লাগব দাদা। আসল চেয়ারা যেমন-অই অউক, মূর্তিডা জানি হুব সুন্দর অয়। অ শুচি.. পার্কি.. আর.. পরবাল.. তরা আমারে একডা নাম দিবি রে ভাই। তরাই ত আমার আপনা ভাই। তরা না দিলে কেডা দিব? ক.. দিতি না?

কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না আমরা। কার নাম! কিসের নাম! কিসের মূর্তি! কি বলতে চাচ্ছেন খালেক ভাই!
-নামডা আমি ঠিক কইরাই রাখছি। তরা শুদু কলেজের মিটিং কইরা গুষনা কইরা দিস। দানবীর সাবের মূর্তির লগেই আরো বড় কইরা নতুন মূর্তিডা বানামু। দূরেত থেইক্যা নতুন মূর্তিডাই আগে চোহে পরব।
আমি জানতে চাইলাম, কিতা কইতাছেন খালেক ভাই? কার মূর্তি বানাইবেন? খালেক ভাইয়ের কাজলটানা চোখ কেমন স্বপ্নে বিভোর। কেমন এক ঘোরের মাঝে ডুবে যাচ্ছেন তিনি। কণ্ঠ চিরে প্রবল আবেগে উথলে উঠলো তার খায়েস-
-সাদা পাত্থর দিয়া আরো সুন্দর কইরা মূর্তিডা বানামু। নিচে সোনা দিয়া বান্ধাইয়া লেইখ্যা দিমু-
‘দানসম্রাট ভিপি আবদুল খালেক’
কি! খালেক ভাইয়ের মূর্তি!
শুনেই সারা শরীর ঘিন ঘিন করে উঠলো আমাদের। রাগে জ্বলে উঠলো অন্তরাত্মা। নিজেকে আর সামলাতে পারলাম না। ভিপি খালেকের গালে সপাটে থাপ্পড় মারলাম। দুই হাতে মারতেই লাগলাম তার দুই গালে..

চলবে…

নিউজনাউ/এসএ/২০২০

Express Your Reaction
Like
Love
Haha
Wow
Sad
Angry
এছাড়া, আরও পড়ুনঃ
Loading...