কার বিলাই ক্যাডা মারে!

হাসনাইন খুরশেদ


-ইতা কিতা লেখছস তরা। কডিন কডিন কথা। পড়তে গিয়া দাত ভাঙ্গলে ভিপিগিরি করুম ক্যামনে!

অভিষেক ভাষণের শুরুতেই তোতলাতে তোতলাতে বললেন খালেক ভাই। আমাদের লিখে দেয়া বক্তৃতার কাগজটা মঞ্চের একপ্রান্তে ছুঁড়ে ফেললেন। বললেন, ভাই-বইনেরা, আমি আমার মত কথা কই। কি কন আপন্যারা?
সামিয়ানার তলা ভরা শিক্ষার্থীরা মজা পেয়ে চিৎকার করে উঠলো, কন, কন আপনে আপনের মতই কন..
আমরা তখন অপমানে জ্বলে উঠছি। প্রচণ্ড রাগে ফেটে পড়ছি। আমাদের দিকে তাকিয়ে খালেক ভাইও সেটা বুঝে গেলেন।

-অ শুচি, অই পার্কি… তরা গুসসা করিস না। তরারে আমি বাদ দিতাম না। তরা ত আমার আপনা ভাই। তরা না চাইলে আমি জীবনেও ভিপি হইতে পারতাম না।
ছুঁড়ে ফেলা কাগজটা কুড়িয়ে হাতে তুলে নিলেন খালেক ভাই। মাইকের সামনে ফিরে বলতে লাগলেন, হেরা অনেক খাডা-খাডনি কইরা কাগজডা লেখছে। কিমুন জানি কবিতা কবিতা লাগে। ইতা নি আমি পড়তাম পারি!
তবু বাইত বইয়া পরছি। হেরা কিছু কিছু কথা লেখছে, যেইডি আমার খুব বালা লাগছে। আবার কিছু কথা ঠিক লেহে নাই। কাগজডা থাক। দেইখ্যা দেইখ্যা বালা কতাডি কমুনে।
নতুন ছাত্র সংসদের অভিষেক অনুষ্ঠান। কলেজ মাঠে টাঙানো বিশাল সামিয়ানার নিচে হাজারো শিক্ষার্থী। সামনের কয়েক সারিতে বসেছেন সব শিক্ষক। ছাত্র নেতৃবৃন্দ আর কর্মকর্তা-কর্মচারি নেতারাও আছেন। মঞ্চে খালেক ভাই ছাড়াও আছেন প্রিন্সিপাল স্যার আর নতুন জিএস আবিদ ভাই।
ভাষণ দিচ্ছেন নবনির্বাচিত ভিপি আবদুল খালেক-
-হেরা একটা কথা লেখছে, ১০০ দিনের কর্মসূচি। এইডা আমি লমু। হেরা নাম দিছে, ‘বানাবো তাজমহল, ফুটাবো গোলাপ’।
-এইডার আধাডা বাদ দেই, আধাডা লই- কি কন আপন্যারা? হুনেন, আব্বা-আম্মার লগে আমি গেছিলাম তাজমহলে। খুব সুন্দর লাগছে। কিন্তু আমরা তাজমহল বানাইয়া কিতা করুম? হেইডা অইল এক বাদশার বউয়ের কবর। আমি ত অহনো বিয়াই করতাম পারলাম না।

দর্শক সারি থেকে উঠে দাঁড়ালেন রফিক কেরানি,
-ভিপি সাব, কুনু চিন্তা কইরেন না। আমিই ব্যবস্থা করুম। অনেক সুন্দর সুন্দর পাত্রী আছে আমার ধারে। জানেন না মনে অয়, আমি ঘটকালিও করি আইজকা চইদ্দ বছর ধইরা।
হাসির ফোয়ারা ছুটলো। আমরা অবাক হয়ে শুনছি রফিক কেরানির কর্মীদের শ্লোগান-

ভিপি সাবের বিয়া-সাদী
করামু আমরাই জলদি
ভিপি সাবের বিয়ার খানা
বাতাসা হইলে চলত না

-অইছে, অইছে.. বিয়া-সাদী পরেও করন যাইব। আগে ভিপিগিরি কইরা লই-
তাদের থামিয়ে দিয়ে খালেক ভাই বলে চললেন,
-যেইডা কইতাছিলাম, তাজমহল বাদ। বিয়ার পাত্রী নাইলে আপন্যারা জুগার করলেন, কবর দিয়নের লাইগ্যা মরা বেডি কইত্তে পাইবেন? মাডির নিচে মরা বেডির কবর ছাড়া কি তাজমহল বানান যাইব?
শিক্ষক নেতা ফরিদ স্যার উঠে দাঁড়ালেন, আমরা ভেবেছিলাম ভিপি সাহেব যেনো কেমন! আজকে আপনি তাজমহলকে ভূ-গর্ভস্থ গভীরতায় যেভাবে ব্যাখ্যা করলেন, তাতে আমি মুগ্ধ। রবীন্দ্রনাথ-নজরুলও এটা ভাবতে পারেননি। আমরা আপনার সাথে আছি।
প্রবাল ফিসফিস করে বললো, দোস্ত, ল যাই। আমরার আর থাকনের দরকার নাই।
ছাত্রনেতা কামরুল ভাইয়ের কর্মীদের শ্লোগানে তখন চারপাশ মুখর-

খালেক-কামরুল ভাই ভাই
আর কোন চিন্তা নাই
খালেক-কামরুল এগিয়ে চলো
আমরা আছি তোমাদের সাথে

একপাশে দাঁড়িয়ে আমরা দেখছি, সব কিছুই কেমন যেনো বদলে যাচ্ছে। আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকছে না কিছুই। নিজেদের মধ্যে ফিসফিস করছি, মজা করতে করতে খালেক ভাইকে ভিপি বানানোটা কি আসলে ভুলই হলো!
-শুচি, অ পার্কি… তরা আবার মন খারাপ করিস না। তাজমহল বাদ দিলেও তরার গোলাপ ফুল কিন্তু থাকবই। সারাডা কলেজরে গোলাপ ফুলে ভাসাইয়া দিমু। সারা বছর ধইরা ফুইট্যা থাকব। দুইন্যার সবচে সুন্দর কলেজ হইব আমরার এই গোলাপ কলেজ।
খালেক ভাই বলে চললেন, ভুটের পরের দিন কলেজডারে যে এত্ত সুন্দর কইরা সাজাইছিলো, আপনেরার কেমন লাগছে?
দারূণ… দারূণ…

যে সাজাইছিলো, হেরে আইতে কইছিলাম। কই.. আজহার কন্ডাক্টর কই.. খারাও মিয়া, সবাই তুমারে একটু দেখুক।
কোত্থেকে যেনো এসে দু’ হাত তুলে মঞ্চের সামনে দাঁড়ালো আজহার কন্ডাক্টর। সবার উল্লসিত সমর্থনে ভিপি খালেক ভাই তাকে কলেজ জুড়ে গোলাপ বাগান গড়ে তোলা আর রক্ষণাবেক্ষণের কাজ দিলেন।
তাকে আরো এক বিরাট দায়িত্ব দিলেন খালেক ভাই। তাকে দিলেন নতুন দোতলা ভবন বানানোর কাজ। জানালেন, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের মধ্যে যতো নারী আছে, তাদের জন্য বানানো হবে এই ভবন। এতে থাকবে শোয়া-বিশ্রামের জায়গা, নামাজের ঘর, ইনডোর গেমস রুম, ডাইনিং রুম আর পর্যাপ্ত সংখ্যক ওয়াশরুম।
প্রিন্সিপাল স্যার উঠে এসে কি যেনো বললেন খালেক ভাইয়ের কানে কানে।

-অত নিয়ম-কানুন বাদ দেন স্যার। আমরার সবারই ত মা-বইন আছে। ম্যাডামরা, বইনেরা যে কি কষ্ট করে সারাডা বছর, তখন এত্ত নিয়ম কই থাহে? আর এইডা ত সরকারী কলেজ না। নিয়ম না থাকলে আপনেরা বানাইয়া লইয়েন। টাহার ব্যবস্থা আমি করছি। বইনেরা.. ভাইয়েরা.. আপনেরা সবাই রাজি কিনা কন।

আবারো সবার তুমুল উল্লাস। মেয়েরা দারূণ আনন্দিত। খুশিতে নাচতে নাচতে সেই ছন্দা আপা বলে উঠলেন, কইছিলাম না, হাতির মতোন.. আসলেই খালেক সাবের দিলডা হাতির মতন.. এত্তো বড়..
খালেক ভাই আমাদের দিকে তাকিয়ে বলে চললেন,
-তরা আমারে খারা করাইছস, কিন্তু জিতাইছে মাইয়ারা। হেরা দলাদলি, কুটনামি সব বাদ দিয়া সবাই মিল্যা আমারে ভুট দিছে। হেরার লাইগা একটু কাম না করলে কি চলে? কন্ডাক্টর সাব, হাইঞ্জা বেলায় আমি পুকুরপাড়ের জাগাডা দেখাইয়া দিমু। আজকা রাইত থেইক্কাই ইডা-সিমেন্ট ডুকাইবেন। তিন মাসের মইদ্যে বিল্ডিং শেষ করন লাগবই লাগব। যান, যান, খারাইয়া না থাইক্যা আপনে কামে যান। সবাই আপন্যারে সাহায্য করব। কি, করবেন না?
অকুণ্ঠ সমর্থন জানিয়ে সামিয়ানা জুড়ে তখন উল্লসিত চিৎকার-

পোলারার ভাই.. মাইয়ারার ভাই..
খালেক ভাই.. খালেক ভাই..

মঞ্চে দাঁড়িয়ে খালেক ভাই আমাদের লিখে দেয়া বক্তৃতার কাগজটায় চোখ বুলাচ্ছেন। উল্লাসধ্বনি একটু স্তিমিত হতেই আবার শুরু করলেন-
-শুচি-পার্কিরা ১০০ দিনের কর্মসূচিত একটা কথা রাখছে। ব্যাপারটা খারাপ না। কবির লড়াই- প্রেমতন্ত্র না গণতন্ত্র। ই..তা.. ঠিকাছে। কিন্তু.. আপন্যারা এই যুগের পুলাপাইন.. আপন্যারা কি কবি গান হুনেন?
কেউ বুঝে উঠতে পারছে না কি বলবে। অত বোঝার সময়ও দিলেন না খালেক ভাই।
-আমি ঠিক করছি, বাওনবাইরা স্টেডিয়ামে টিকেট দিয়া দুইডা অনুষ্ঠান করুম। কলেজের সবাই আপনেরা মাগনা দেখবেন। আর বাকিরা টিকেট কিইন্যা দেখবো।
কবি গান না, ব্যান্ডের গান হুনামু আমরা। ব্যান্ডের গুরু আজম খান আইব। সোলস ব্যান্ডও আইব। জানেনই ত, আমার আব্বায় বাওনবাইরা চেম্বারের পেরসিডেন্ট খাড়াইছে। হেরার প্যানেল সব খরচ দিব। হেরা তিনশ জনরে আমরা সামনের সিটে বইতে দিমু। এই অনুষ্ঠানের সব দেখভাল করতাছে আমার ভাইগ্না শাহেদ.. কই রে শাহেদ, তুই সামনে আ.. সবাই তরে দেখুক..
দারূণ স্মার্ট এই শাহেদকে আমরা চিনি না। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কেউই চেনে না। খালেক ভাই পরিচয় করিয়ে দিয়ে বললেন, আমার বড় আপার বড় পোলার দোস্ত। ঢাকার খানদানি গুষ্ঠির পোলা। ব্যবসা-বাণিজ্য করে। গান-টান গায়। নিজেরাও একটা ব্যান্ড বানাইছে। শুচি, পার্কি তরা হের লগে থাকিস।
বিস্ময়ের পর বিস্ময়! আজম খান আসবেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়! আসবে সোলস! স্টেডিয়ামে জমবে ব্যান্ড শো! কল্পনাও করতে পারছিনা আমরা।
আকাশ কাঁপানো হর্ষধ্বণির মাঝে খালেক ভাই বলে চলেন, টিকেট বেচার সব টাকা আমরা পামু। কলেজ পাইব। মাইয়ারার বিল্ডিং বানাইতে টাহা ত লাগব। আরেকটা বড় খবর আছে। আমার মেজ আপার ভাশুর দেশের অনেক বড় ব্যবসায়ী। হের কোম্পানির নাম আপনেরা সবাই জানেন। আপারে দিয়া কওয়াইছি। আপায় কাইন্দা-কাইট্টা কইয়া তাইনের মনডা গলাইছে। তাইনেই সব ব্যবস্থা কইরা দিছে। আমরা তিন মাসের মইদ্যে বাওনবাইরা স্টেডিয়ামে আরেকটা বড় কাম করুম। মোহামেডান আর আবাহনী ক্লাব ত সবাই চিনেন। কি চিনেন না?
হ.. চিনি..
আবাহনী.. আবাহনী..
মোহামেডান.. মোহামেডান..
পাল্টাপাল্টি শ্লোগান তুললো ছাত্রদের দুই গ্রুপ..

থামেন.. থামেন.. অহনই কাইজ্জা লাগাইয়া দিয়েন না। আমি মোহামেডান আর আবাহনী ক্লাবরে আননের সব ব্যবস্থা করছি। হেরা ফুটবল খেলব বাওনবাইরা স্টেডিয়ামে। কলেজের সবার লাইগা এইডাও মাগনা। আর বাকিরার কাছে টিকেট বেইচ্চা আমরা বিল্ডিংয়ের বাকি টাহা তুইল্যা ফালামু।

আপনেরা ত জানেনই, শুচি-পার্কিরা আমার আপনা ভাই। হেরা ত ফুটবলের লাইগা পাগল। হেরাই সব করতে পারব। কিরে তরা পারতি না? আইচ্ছা, লাগলে লগে লোক দিমুনে। আজহার কন্ডাক্টরের লাহান কত লোক আছে আমারার..
ভাই-বইনেরা, ভিপি যহন বানাইছেন, কথা ত কওনই লাগব। কিন্তু আইজকা আর না। একটা দাওয়াত দিয়া শেষ করি। কালকা দুপুরে এই সামিয়ানার নিচে আপনেরার সবার দাওয়াত। সবাই আইবেন।

একডু আগে আপনেরা কারা কইতাছিলেন, বিয়ার খাওন বাতাসা হইলে চলত না। আরে, বাতাসা খাওয়াইছে পোলাপাইনে। হেরা ছাত্র মানুষ। বাপ-মার কাছ থেইক্যা টাকা আইন্যা সবাইরে মিস্টি বিলাইছে। হেইডা দেহেন। খালি বাতাসা দেইখ্যেন না। কালকা কয়ডা গরু জবাই দিয়া আপনেরা সবাইরে আমি খাওয়ামু। দাওয়াত লইয়েন সবাই। তাইলে আজকা যাইগা.. আম্মা আবার ভাত বাইরা বইয়্যা থাকবো..
বলেই মঞ্চ থেকে নেমে এলেন আমাদের খালেক ভাই। কারো দিকে ফিরেও তাকালেন না। হন হন করে হেঁটে চললেন। শামিয়ানা খালি করে তার পেছনে পেছনে ছুটলো অনেকেই। ওরা শ্লোগান তুললো-

ভিপি খালেকের দুই নয়ন
আমরার কলেজের উন্নয়ন
ভিপি খালেক এগিয়ে চলো
আমরা আছি তোমার সাথে

হেলেদুলে এগিয়ে চললেন খালেক ভাই। শ্লোগানে শ্লোগানে প্রকম্পিত করে তার পেছনে এগিয়ে চললো বিশাল মিছিল। সেই মিছিলের বাইরে দাঁড়িয়ে আমরা সব দেখছি। আমরা দেখছি, বেশ কিছুটা এগিয়ে থামলেন খালেক ভাই। কালো গগলসটা চোখ থেকে নামিয়ে বাম হাতে নিলেন। ডান হাত উঁচু করে কাকে যেনো কি ইশারা করলেন।
আমরা শুনলাম, কলেজ ভবনের ওপার থেকে ভেসে উঠলো বিউগল আর ব্যাগপাইপের ধ্বণি। ভেসে উঠলো ড্রামে আওয়াজ।

অবাক বিস্ময়ে আমরা দেখলাম, ওপার থেকে বেরিয়ে এলো সুসজ্জিত ব্যান্ড পার্টি। ড্রামের তালে তালে তারা এগিয়ে চলেছে কলেজের রাস্তা ধরে। তাদের পেছনে পেছনে লোকজন এগিয়ে আসছে একে একে পাঁচটা বিশাল গরু নিয়ে। গরুগুলোকে সাজানো হয়েছে গলায়, সিংয়ে লাল-সাদা কাগজের মালা পরিয়ে। বিরাট বিরাট হাড়ি-পাতিল নিয়ে তাদের পেছনে এগিয়ে আসছে বাবুর্চি বাহিনী। আর সবার শেষে সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে এগিয়ে আসছে রুস্তম কসাই। তাদের হাতে ছোট-বড় ছুরি, কাঁধে-মাথায় চাটাই আর গাছের গুঁড়ি।
হতবাক হয়ে আমরা দেখলাম, ওরা সবাই একে একে খালেক ভাইকে অতিক্রম করলো। এগিয়ে গেলো সামনের দিকে।
ঠিক সেই সময় সাঁ করে ঠিক খালেক ভাইয়ের সামনে এসে থামলো সেই নীল জীপ। লাফিয়ে নামলো কালো পোশাকধারী সেই চার দেহরক্ষী। দু’দিন আগে দাবড়ানি খেয়ে পালিয়ে যাওয়া লোকগুলোর চোখে আজো সেই কালো সানগ্লাস।

জীপের দরোজা খুলে ওরা দাঁড়িয়ে রইলো মূর্তির মতো। ওরা দাঁড়িয়ে রইলো কোমড়ে হাত রেখে।
খালেক ভাই সবার দিকে হাত নাড়ছেন হাসি মুখে। এদিক-ওদিক তাকাচ্ছেন। তার চোখ কাকে যেনো খুঁজছে। ভীড়ের মাঝ থেকে আমাদের খুঁজে নিয়ে চিৎকার করে তিনি বললেন, তরা কিন্তু সম মত আইয়া পরিস। আমরা এক লগে খামু।
জীপটা বেরিয়ে গেলো খালেক ভাইকে নিয়ে। বেরিয়ে গেলো আমাদের সামনে দিয়ে।
আমরা তাকিয়ে তাকিয়ে দেখলাম, নজরের ভেতরে থেকেও খালেক ভাই বেরিয়ে যাচ্ছেন নাগালের বাইরে। দেখতে দেখতে মনে হলো, অভিষেকেই বিড়াল মেরে খালেক ভাই কি বেরিয়ে যাচ্ছেন বিজয়ী বীরের মতো?
মুখ কালো করে চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছি আমরা। একসাথে দাঁড়িয়ে আছি সব বন্ধুরা। রিপন বলে উঠলো,
-কিরে, ইতা কিতা হইতাছে! কার বিলাই ক্যাডা মারে!

চলবে…

নিউজনাউ/এসএ/২০২০

Express Your Reaction
Like
Love
Haha
Wow
Sad
Angry
এছাড়া, আরও পড়ুনঃ
Loading...