বিশ্বনেতাদের শুভেচ্ছায় সিক্ত জো বাইডেন

নিউজনাউ ডেস্ক: মার্কিন নির্বাচনের মসনদে বসা মানেই অন্যতম ক্ষমতাধর বিশ্বনেতার কাতারে নাম লেখানো। ইতিমধ্যেই মার্কিন মুল্লুকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে নাম ঘোষণা হয়েছে জো বাইডেনের। নিজ গণ্ডির বাইরে অন্যান্য বিশ্বনেতাদের কাছ থেকে শুভেচ্ছাবার্তায় ভাসছেন তিনি। বিজয়ী হতে হতেই বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ নেতারা তাকে শুভেচ্ছাবার্তা পাঠিয়েছেন।

বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এক টুইট বার্তায় বলেন, অভিনন্দন জো বাইডেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন জেতার জন্য। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে কমলা হ্যারিসের নারী ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বার্চিত হওয়া ঐতিহাসিক অর্জন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে গুরত্বপূর্ণ বন্ধু দাবি করে বলেন, আমেরিকা আমাদের গুরুত্বপূর্ণ বন্ধু রাষ্ট্র। জলবায়ু, বাণিজ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে আমরা একসাথে কাজ করবো।
জার্মান চান্সেলার এঙ্গেলা মেরকেল বলেছেন তিনি জো বাইডেনের সঙ্গে ‘ভবিষ্যতে সহযোগিতার’ ভিত্তিতে কাজ করার জন্য আগ্রহের সঙ্গে অপেক্ষা করছেন।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রঁ এক টুইট বার্তায় বাইডেনকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘বর্তমানের চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করতে আমাদের অনেক কাজ করতে হবে। আসুন একসাথে কাজ করি।’

নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী ইয়েন্স স্টলটেনবার্গ এক বার্তায় জো বাইডেনের ঐতিহাসিক বিজয়ে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্র গুরুত্বপূর্ণ মিত্র দাবি করে বাইডেন ও কমলা হ্যারিসের সঙ্গে কাজ করার ইচ্ছাপোষণ করেছেন।

পর্তুগালের প্রধানমন্ত্রী আন্তনিও কোস্তার জো বাইডেনকে অভিনন্দন জানিয়ে জলবায়ু ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা এক সঙ্গে কাজ করার কথা জানিয়েছেন।

বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার ডি ক্রো বিপুল ভোটে বিজয়ী হওয়ায় জো বাইডেনের এ বিজয় ঐতিহাসিক বলেছেন।

ভারতের প্রধান বিরোধী কংগ্রেস দলের সিনিয়র নেতা রাহুল গান্ধী বাইডেন অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, আমি আত্মবিশ্বাসী যে তিনি আমেরিকা এখন বুদ্ধিমানের মতো দিকনির্দেশনা দেবে।

স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সাঞ্চেস বলেন, তিনি বাইডেন ও কমালা হ্যারিসের সঙ্গে ‘সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করতে আগ্রহী’ এবং তিনি তাদের ‘গুড লাক’ অভিনন্দন জানান।

গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিটসোটাকিস বলেছেন, বাইডেন তার দেশের ‘প্রকৃত বন্ধু’। ‘তিনি প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেবার পর দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে এ বিষয়ে আমি নিশ্চিত।’

কানাডার প্রধানমন্ত্রীজাস্টিন ট্রুডো মি. বাইডেন ও কমালা হ্যারিসকে অভিনন্দন জানিয়ে টুইট করার পর একটি দীর্ঘ বিবৃতি প্রকাশ করেছেন যাতে তিনি বলেছেন কানাডা ও আমেরিকার মধ্যে ‘সম্পর্ক অন্যন্য – যা বিশ্বে ব্যতিক্রমী’। দুই দেশের সরকার ‘শান্তি ও ঐক্য প্রতিষ্ঠায়, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে এবং বিশ্বে জলবায়ু সমস্যার মোকাবেলায় একসঙ্গে কাজ করবে।’

স্কটল্যান্ডের ফার্স্ট মন্ত্রী নিকোলা স্টারজন, গ্রীসের প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিতসোটাকিস জো বাইডেন ও কমলা হ্যারিসকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

জার্মানির মন্ত্রী হাইকো মাশ অভিনন্দন জানিয়ে টুইটারে বলেছেন ‘অবশেষে আমাদের কাছে সব স্পষ্ট হলো। আমরা পরবর্তী মার্কিন সরকারের সাথে কাজ করার জন্য প্রত্যাশায় রয়েছি। আমরা একটি নতুন ট্রান্স এ্যাটল্যান্টিক শুরু, একটি নতুন চুক্তির জন্য সহযোগিতায় চাই।

জিম্বাবুয়ের রাষ্ট্রপতি ইমারসন মানাঙ্গগওয়া, প্যারিসের মেয়র আন হিডালগোসহ আরো অনেক বিশ্বনেতা জো বাইডেন ও কমলা হ্যারিসকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

নিউজনাউ/এসএইচ/২০২০

Express Your Reaction
Like
Love
Haha
Wow
Sad
Angry
এছাড়া, আরও পড়ুনঃ
Loading...