নিলামের মাধ্যমে সম্পদের বণ্টন কৌশল নির্ধারণ

ড. মোহাম্মদ দুলাল মিয়া:

পৃথিবীতে সম্পদের পরিমাণ সীমিত। আর কীভাবে এই সীমিত সম্পদের যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে মানুষের সর্বোচ্চ উপযোগ নিশ্চিত করা যায়, তা পর্যালোচনা করাই অর্থনীতির মুখ্য উদ্দেশ্য। পুঁজিবাদী অর্থনীতিতে ‘দাম’ বা ‘বাজার’ ব্যবস্থার মাধ্যমে সম্পদের বণ্টন করা হয়। অন্যদিকে সমাজতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় ‘সেন্ট্রাল প্ল্যানিং’ বা কেন্দ্রীয় পরিকল্পনার মাধ্যমে সম্পদের বিলি বণ্টন করা হয়। বর্তমানে ‘সেন্ট্রাল প্ল্যানিং’ একেবারেই বিলুপ্তির পথে, কারণ বাজার ব্যবস্থায় সম্পদের বণ্টন অন্য যেকোনো বিকল্প ব্যবস্থার চেয়ে শ্রেয়তর বলেই সর্বজনবিদিত। তবে দাম বা বাজার ব্যবস্থায় সব সম্পদের সঠিক বণ্টন সম্ভবপর নয়, কারণ সব সম্পদের সঠিক ‘বিনিময় মূল্য’ বাজার দিতে অপারগ। যেমন সরকারি মালিকানায় কোনো একটা জলাশয় যেখানে প্রকৃতগতভাবে মাছের প্রজনন হয় এবং বেড়ে ওঠে, তা ব্যক্তিমালিকানায় হস্তান্তরের ক্ষেত্রে দাম নির্ণয় করা খুবই কঠিন। শুধু মাছের পরিমাণ আন্দাজ করে জলাশয়ের প্রকৃত মূল্য নির্ণয় সম্ভব নয়, কেননা মাছের বাজারদর, যা অর্থনৈতিক দিক থেকে খুবই অনিশ্চিত, একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্ণায়ক হিসেবে জলাশয়ের দামকে প্রভাবিত করবে। সদ্য আবিষ্কৃত কোনো খনি, যেখানে খনিজ সম্পদের পরিমাণ নির্ণয় অনেক দুরূহ এবং বাজারদর অনিশ্চিত, তার মূল্য নির্ধারণ অনেক জটিল। অনুরূপভাবে, ভ্যান গগ বা লিওনার্দো দা ভিঞ্চির আঁকা কোনো ছবি, যাদের দাম অন্তর্নিহিত কোনো মূল্যমান নয়, বরং ক্রেতার বাহ্যিক ধারণার ওপর নির্ভরশীল অথবা নতুন একটি মোবাইল কোম্পানির কত দামে বেতার কম্পাঙ্ক বা রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি কেনা উচিত, তার বস্তুনির্ভর পূর্বানুমান সহজ নয়।

আর এ কাজটাকে কীভাবে সহজ ও বস্তুনিষ্ঠ করা যায়, তা নিয়ে গবেষণা করেছেন মার্কিন অর্থনীতিবিদ পল মিলগ্রম ও রবার্ট উইলসন। এ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তাদেরকে যৌথভাবে অর্থনীতিতে মর্যাদাপূর্ণ নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। সুইডিশ রয়াল একাডেমি ১২ অক্টোবর এ পুরস্কার ঘোষণা করে। বিখ্যাত এই দুই অর্থনীতিবিদ বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ‘স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়’-এর অধ্যাপক। সম্পর্কে তারা গুরু-শিষ্য; উইলসন ছিল মিলগ্রমের পিএইচডির থিসিস সুপারভাইজার। নোবেল কমিটি তাদের বক্তব্যে বলে যে এই দুই অর্থনীতিবিদের উদ্ভাবিত ‘নিলাম তত্ত্বের’ মাধ্যমে জটিল অনেক পণ্য বা সেবা, যাদের সঠিক বাজারদর সহজে নির্ণয় দুরূহ, তাদের সুষ্ঠু বণ্টনে প্রভূত অবদান রেখেছে, ফলে ক্রেতা-বিক্রেতা ও সামগ্রিকভাবে সমাজ উপকৃত হয়েছে।

মিলগ্রম ও উইলসনের গবেষণা ‘নিলাম তত্ত্বে’ নতুন মাত্রা যোগ করলেও তাদের উদ্ভাবিত পদ্ধতি যে একেবারে নতুন, সেকথা বলা যাবে না। রোনাল্ডকোয়াস (১৯৯১ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত) ‘ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশন’ নামে ১৯৫৯ সালে একটি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ করেন, যেখানে তিনি দেখান যে কমিশন প্রাইভেট ব্রডকাস্টিং কোম্পানিগুলোকে টেলিভিশন ও রেডিও স্টেশন পরিচালনা করার জন্য নিজেদের ইচ্ছেমতো (অবশ্যই কিছু নিয়মনীতির মধ্যে) ‘বেতার কম্পাঙ্ক বা রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি বণ্টন করে। কোয়াস দেখিয়েছেন যে সামাজিক লাভ-ক্ষতি আমলে নিলে এটা সর্বোত্তম পন্থা নয়; বরং সরকার যদি রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি বিক্রির ব্যবস্থা করে তাহলে সম্পদের সুষ্ঠু বণ্টন নিশ্চিত হবে। কোয়াসের দৃষ্টি ছিল সম্পদের ওপর ব্যক্তিমালিকানা অধিকার (প্রাইভেট রাইটস) প্রতিষ্ঠা করা। প্রাথমিকভাবে কোনো সম্পদের ব্যক্তিমালিকানা প্রতিষ্ঠা মুখ্য হওয়া উচিত, যদিও সেই প্রারম্ভিক বণ্টন অর্থনৈতিক দিক থেকে দক্ষ না-ও হয়। কোয়াসের যুক্তি ছিল, যদি একবার সম্পদকে প্রাইভেট মালিকানায় হস্তান্তর করা হয়, তখন বাজার ব্যবস্থায় দরকষাকষির মাধ্যমে সম্পদ তার হাতেই চলে যাবে, যে সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার করতে পারবে (এসব লেনদেনে ব্যয় অবশ্যই কম হতে হবে)। সুতরাং প্রারম্ভিক হস্তান্তরে দক্ষ বণ্টনের কথা না ভাবলেও চলবে।

কিন্তু মিলগ্রম ও উইলসন কোয়াসের এ যুক্তির সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে বলেছেন, একবার সম্পদের প্রারম্ভিক বণ্টন অদক্ষ হলে সেটা খুব সহজেই বাজার সংশোধন করতে পারে না। যেমন প্রারম্ভিক বণ্টনে কাউকে অদক্ষভাবে রেডিও ফ্রিকোয়েন্সির লাইসেন্স দিলে সে যদি পরে লাইসেন্সটি বিক্রি করতে চায় তাহলে বেশি দাম হাঁকবে, কারণ লাইসেন্সটি তার দখলে থাকায় প্রকৃত মূল্য তার কাছে অনুমেয়। অন্যদিকে সম্ভাব্য ক্রেতা তুলনামূলক কম দাম দিতে চাইবে, কারণ সে হয়তো লাইসেন্সের মূল্য বুঝতে অপারগ। তাই নতুন লেনদেনের মাধ্যমে অদক্ষ বণ্টনের সংশোধন সময়সাপেক্ষ বা অনেক সময় অসম্ভব। মিলগ্রম ও উইলসনের মতে, প্রারম্ভিক অদক্ষ বণ্টনের কোনো প্রয়োজন নেই। নিলাম পদ্ধতি যথাযথভাবে ডিজাইন করতে পারলে অনেক ক্ষেত্রেই প্রারম্ভিক দক্ষ বণ্টন সম্ভব।

তাদের এই নতুন নিলাম তত্ত্বটি ‘গেম থিওরি’র ওপর প্রতিষ্ঠিত। নাম থেকেই বোঝা যায় ‘গেম থিওরি’ অনেকগুলো অংশগ্রহণকারীর মধ্যে কীভাবে যৌক্তিক ও গাণিতিকভাবে নিজের সেরা কৌশল বেছে নেয়া যায়, তার ইঙ্গিত দেয়। যেমন দাবা খেলায় আমার গুটির চাল নির্ভর করবে প্রতিপক্ষের পরবর্তী চাল কী হতে পারে তার ওপর। কোকা-কোলা যদি দাম কমায় তাহলে পেপসির প্রতিক্রিয়া কী হবে (দাম কমাবে কি কমাবে না), তার ওপর নির্ভর করবে কোকা-কোলার কৌশল। যদি কোকা-কোলা দাম কমায়, আর পেপসি কোনো প্রতিক্রিয়া না দেখায় তাহলে কোকা-কোলা লাভবান হবে, পেপসির বাজার কমে যাবে। আবার পেপসিও যদি দাম কমায় তাহলে দাম কমিয়ে দুই কোম্পানিই আগের তুলনায় আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এটা একটা ‘প্রিজনারস ডিলেমা’, যেখানে আগে থেকে কেউ জানে না যে একজনের নতুন একটা পদক্ষেপ তার প্রতিদ্বন্দ্বীর পদক্ষেপকে কীভাবে প্রভাবিত করবে। যদি উভয় পক্ষ তথ্য বিনিময়ের মাধ্যমে একে অন্যকে সহযোগিতা করে, তবে কেউ দাম কমাবে না, তাতে দুজনেরই লাভ। অন্যদিকে অসহযোগিতার মাধ্যমে একজন দাম কমালে অন্যজনকে দাম কমাতে প্রবৃত্ত করবে এবং এতে দুই কোম্পানিরই আগের তুলনায় খারাপ অবস্থা তৈরি হবে। বাস্তবে প্রতিদ্বন্দ্ব্বীর মধ্যে সহযোগিতার সুযোগ কম, যা সম্ভাব্য সেরা ফলাফল অর্জনে একটি বাধা।

মিলগ্রম ও উইলসনের পূর্বসূরি ছিলেন অর্থনীতিবিদ উইলিয়াম ভিকরি, যিনি ১৯৬০-এর দশকে নিলাম তত্ত্বের সূচনা করেন। ভিকরি দেখিয়েছেন যে যখন দরপত্রদাতার সংখ্যা অনেক বেশি হয় এবং সর্বোচ্চ দরপত্রদাতাকে নিলামে নির্বাচিত করা হয়, তখন দরপত্রদাতাদের মধ্যে এক ধরনের প্রতিযোগিতার সৃষ্টি হয়। এখানে দরপত্রদাতাদের মধ্যে কোনো রকমের তথ্য আদান-প্রদানের সুযোগ নেই। প্রত্যেকেই সিলমোহরকৃত খামে করে গোপনে যার যার দরপত্র জমা দেয় (ওপেন আউটক্রাই বা সরাসরি নিলামের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য)। বিপত্তি ঘটে সেই সব সম্পদের ক্ষেত্রে, যাদের দাম পূর্বানুমান করা দুরূহ (উল্লিখিত উদাহরণ)। উইলিয়াম ভিকরি তার পূর্ববর্তী অর্থনীতিবিদদের, বিশেষ করে নয়া ক্লাসিক্যাল অর্থনীতিবিদ, যারা চাহিদা-জোগানের সমন্বয়ে দাম নির্ধারণ করার নীতি অনুসৃত করেছেন, তাদের চেয়ে আলাদা ছিলেন এ কারণে যে, তিনি দেখিয়েছেন চাহিদা-জোগানের সমন্বয় ছাড়াও নিলামের আইনকানুনের ওপর নির্ভর করবে সম্পদের দক্ষ বণ্টন। ভিকরি অনেক নিলাম বিশ্লেষণ করে দেখেছেন দরপত্রদাতারা নিলামে ওঠা সম্পত্তির একটা অনুমাননির্ভর দাম ধরে দরপত্র জমা দেন এবং একে অন্যের দাম-তথ্যের ওপর নির্ভরশীল হন। এখানে দরপত্রদাতাদের নিজেদের ‘কর্তৃত্বপূর্ণ কৌশল’ বা ‘ডমিন্যান্ট স্ট্র্যাটেজি’ থাকে না, ফলে সম্পদের সঠিক মূল্য নির্ধারণ হয় না বা দরপত্রদাতারা নিলাম সম্পত্তির দাম নিয়ে একটা ধূম্রজালের মধ্যে থাকেন। একজন দরপত্রদাতা চেষ্টা করবেন এমন দাম অফার করতে, যা তাকে নিলামে জিততে সাহায্য করবে। অন্যদিকে জেতার আশায় অনেক বেশি দাম অফার করলে পরে লোকসান গুনতে হতে পারে। এ অবস্থায় বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন দরপত্রদাতারা সাধারণ মূল্য সম্পর্কে তাদের নিজস্ব সেরা অনুমানের নিচে প্রস্তাবিত মূল্য (বিড) রাখেন, কেননা বেশি দাম বিড করে নিলামে জিতলেও বাস্তবে ক্ষতির সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এই প্রবণতাকে বলে ‘উইনার্স কার্স’ বা ‘বিজয়ের অভিশাপ’।

এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য উইলিয়াম ভিকরি নিলামের ডিজাইন নতুন করে সাজানোর পরামর্শ দেন। তিনি তথ্য-উপাত্ত এবং ল্যাব পরীক্ষার মাধ্যমে দেখিয়েছেন, নিলামে সর্বোচ্চ দরদাতাকে নির্বাচন করা হোক, তবে সম্পদের দাম নির্ধারণ হবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দর। যেমন কোনো একটি নিলামে যদি একজন ১০০ টাকা এবং অন্য একজন ১১০ টাকা হাঁকে, তবে নিলামে দ্বিতীয় ব্যক্তি (দাম ১১০ টাকা) নির্বাচিত হবেন, কিন্তু দাম দিতে হবে প্রথম ব্যক্তির (১০০ টাকা)। এ পদ্ধতির মাধ্যমে দরপত্রদাতাদের একটা ‘কর্তৃত্বপূর্ণ কৌশল’ বা ডমিন্যান্ট স্ট্র্যাটেজি তৈরি হয়, যেমন নিলাম-সম্পত্তির প্রকৃত মূল্য (দরপত্রদাতার কাছে) বিড করা। এতে কোনো দরপত্রদাতা অন্যের কৌশলের ওপর নির্ভর করার প্রয়োজন নেই। তার এই তত্ত্ব বাস্তবে প্রয়োগ করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ নিলাম সম্পদের দক্ষ বণ্টনে উপকৃত হয়েছে। আর এ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৯৬ সালে তাকে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করা হয় (দুঃখজনকভাবে পুরস্কার ঘোষণার মাত্র তিনদিন পর তিনি মারা যান)। উইলিয়াম ভিকরির কাজের ওপর সেদিন নোবেল বক্তব্য রেখেছিলেন আজকের নোবেল বিজয়ীদের একজন—পল মিলগ্রম।

মিলগ্রম ও উইলসন উইলিয়াম ভিকরির নিলাম তত্ত্বকে আরো নতুনত্ব দান করেন, যেখানে ভিকরির তত্ত্ব ছিল মূলত নিলামের এমন পরিবেশ নিয়ে, যেখানে দরপত্রদাতা একবারে একটি নিলাম-সম্পদের (লাইসেন্স) জন্য প্রতিযোগিতা করবে। বাস্তবে অনেক সম্পদের একসঙ্গে নিলাম করতে হয়, যা বেশ জটিল এবং বহু ইউনিটের একসঙ্গে নিলামে দক্ষ ফলাফল অর্জন করা খুব কঠিন। মিলগ্রম ও উইলসন নিলামের আধুনিক তত্ত্বের কৌশল এমনভাবে প্রণয়ন করেছেন যেন বহু ইউনিট একসঙ্গে নিলাম করলেও দক্ষতার কোনো হেরফের না হয়। তারা একটা নিলাম প্যাকেজের লাইসেন্সগুলোকে পরিপূরক এবং বিকল্প হিসেবে বাছাই করে আলাদা আলাদা কৌশল নির্ধারণ করেছেন, যা নিলাম কার্যক্রমে একেবারেই নতুন। মিলগ্রম ও উইলসন নয়া ক্ল্যাসিক্যাল অর্থনীতিবিদের অনুসৃত চাহিদা-জোগান তত্ত্ব একেবারে অস্বীকার করেননি, বরং সেটার সঙ্গে নিলাম তত্ত্বের সমন্বয় করেছেন। তাদের নিলাম ডিজাইনের গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক ছিল নিলামের খরচ সর্বনিম্ন রাখা, প্রকৃত দরপত্রদাতা যাতে নিলামে অংশগ্রহণ করেন তা নিশ্চিত করা, নিলামে স্বচ্ছতা আনা এবং নিলামে যাকে নির্বাচন করা হবে তিনি যেন নির্ধারিত মূল্য দিতে সক্ষম হন, তার ওপর নজর রাখা।

১৯৯৪ সালে তত্কালীন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ‘ফেডারেল কমিউনিকেশন কমিশন’ (এফসিসি)-কে বেতার কম্পাঙ্ক নিলামের জন্য দায়িত্ব দেয়। সেই নিলামে মিলগ্রম ও উইলসন বিভিন্নভাবে তাদের পরামর্শ দিয়ে নিলামকে অনেক স্বচ্ছ এবং সম্পদ বণ্টনকে অনেক দক্ষ করে তোলেন। তাদের দেখানো নিলাম পদ্ধতি বর্তমানে বিশ্বের ছয়টি মহাদেশে বিভিন্ন ধরনের নিলাম যেমন বিদ্যুৎ উৎপাদন, বেতার কম্পাঙ্ক, কার্বন নিঃসরণ লেনদেন, জলাশয় ইজারা, কাঠের জন্য বনাঞ্চল নিলাম ইত্যাদিতে মিলগ্রম ও উইলসনের মতো করে সম্পদের সঠিক দাম নির্ধারণ ও দক্ষ বণ্টন সম্ভব হয়েছে। নিলাম তত্ত্বের এমন বাস্তবিক প্রয়োগই গুরু-শিষ্যকে অর্থনীতিতে মর্যাদাপূর্ণ নোবেল পুরস্কার অর্জনে সহায়তা করেছে।

লেখক : বিভাগীয় প্রধান, অর্থনীতি ও ফাইন্যান্স বিভাগ, নিজওয়া বিশ্ববিদ্যালয়, ওমান।

Express Your Reaction
Like
Love
Haha
Wow
Sad
Angry
এছাড়া, আরও পড়ুনঃ
Loading...