alo
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

১০ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল ভারত থেকে আমদানি সম্ভব

প্রকাশিত: ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ০৫:২৪ পিএম

১০ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল ভারত থেকে আমদানি সম্ভব
alo

নিউজনাউ ডেস্ক:  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় মোট ১৩১.৫৭ কিলোমিটার পাইপলাইন ভারত সরকারেরর অর্থায়নে নির্মাণ করা হচ্ছে। 

তিনি বলেন, বাংলাদেশ অংশের ১২৬.৫০ কিলোমিটার পাইপলাইনের মধ্যে ১২৫ কিলোমিটার পাইপালাইন স্থাপন শেষ হয়েছে।

বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ভারত সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গণভবনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। গত ৫ থেকে ৮ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত সফর করেন। সফরে দুই দেশের মধ্যে ৭টি এমওইউ বা সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, চলমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের সম্ভাব্য জ্বালানি সঙ্কটের কথা বিবেচনায় রেখে আমি ভারত সরকারকে বাংলাদেশে প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহের অনুরোধ জানালে তারা আমাদের অনুরোধ বিবেচনা করবেন মর্মে আশ্বাস দিয়েছেন। 

দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্য সহজতর করার লক্ষ্যে স্থল শুল্ক স্টেশন/স্থলবন্দরগুলোতে অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বিশেষ স্থল শুল্ক স্টেশনগুলোতে বিধিনিষেধ ও অন্যান্য অশুল্ক বাধা অপসারণের প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি। 

বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে পেট্রাপোল-বেনাপোল সীমান্তে ভারত কর্তৃক প্রস্তাবিত দ্বিতীয় গেট নির্মাণের কাজ যথাসম্ভব দ্রুত শেষ করার বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি। সেই সঙ্গে বাংলাদেশ হতে একটি প্রতিনিধি দল স্টার্ট মেলায় অংশগ্রহণের লক্ষ্যে শিগগিরই ভারত সফর করবে।

তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে আরও কিছু সমঝোতা স্মারক আলোচনাধীন রয়েছে যা শিগগিরই শেষ হবে বলে আমরা আশা করি। এসব সমঝোতা স্মারকগুলো স্বাক্ষর হলে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ অর্জনের পথে বাংলাদেশ আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে বলে আমি মনে করি। 

এসময় প্রধানমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে চলমান কয়েকটি প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতি তুলে ধরেন। 

তিনি বলেন, মৈত্রী পাওয়ার প্লান্ট প্রজেক্টের ইউনিট-১ বাংলাদেশ পাওয়ার গ্রিডের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়েছে। খুলনা-মোংলা রেললাইন প্রকল্পের অংশ হিসেবে রুপসা রেল সেতুর কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। 

পার্বতীপুর-কাউনিয়া রেললাইন প্রকল্পের পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। 

ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে জ্বালানি সহযোগিতার বিষয়ে তথ্য তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাইপলাইন নির্মাণের ফলে জ্বালানি তেলের পরিবহন ব্যয় সাশ্রয় হবে এবং সহজে, দ্রুততম সময়ে ও প্রতিকূল পরিবেশেও দেশের উত্তরা রেলের চাহিদা মোতাবেক ডিজেল ভারত থেকে আমদানি করা যাবে।

বর্তমানে রেলওয়ে ওয়াগনের মাধ্যমে ভারত হতে বার্ষিক ৬০-৮০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আমদানি করা হয়। পাইপলাইন নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলে বার্ষিক প্রায় ১০ লাখ মেট্রিক টন ভারত হতে ডিজেল আমদানি করা সম্ভব হবে।

পার্বতীপুরে বর্তমানে স্টোরেজ ক্যাপাসিটি ১৫ হাজার মেট্রিক টন। চলমান প্রকল্পের আওতায় ২৮ হাজার ৮শ মেট্রিক টন স্টোরেজ ক্যাপাসিটি বৃদ্ধি পাবে।


নিউজনাউ/এবি/২০২২

X