শরীয়তপুর-ঢাকা মহাসড়কে পানি, যানবাহন চলাচল বন্ধ

শরীয়তপুর প্রতিনিধিঃ শরীয়তপুরে বন্যা পরিস্থিতি আরো অবনতি হয়েছে। শরীয়তপুর-ঢাকা মহাসড়ক বাসস্ট্যান্ড, রাজনগর, ডগরিসহ ৪টি স্থানে পানি উঠে ঢাকা-শরীয়তপুর যোগাযোগ বিছিন্ন হয়ে গেছে।

ফলে শরীয়তপুর থেকে ঢাকাগামী ঢাকা থেকে শরীয়তপুর গামী যাত্রীরা চরম আকার ধারণ করেছে।

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পায়ে হেটে ও নৌকা ট্রলার যোগে পার হয়ে যাতায়াত করছে। ঈদকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের জন্য চরম দুর্ভোগ পোহাতে হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

শরীয়তপুর সদর পৌরসভার পালং উত্তর বাজার, নিবালা আবাসিক এলাকা, চরপালং ৩ নং ওয়ার্ড এলাকা, বিলাশ খান, দাসাত্তা, নড়িয়া উপজেলার গাগরি জোড়া, নড়িয়া পৌরসভার ঢালিপাড়া, কলুকাঠি, জাজিরা উপজেলার বিলাসপুর সারেংকান্দি, কুন্ডেরচর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় রাস্তাঘাটে পানি উঠেছে।

সরেজমিন ঘুরে ও জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ শাখার প্রধান সহকারী রাকিব হোসেন নিউজনাউকে জানান, শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ, নড়িয়া উপজেলায় শত শত পুকুরের মাছ ভেসে গেছে।

তলিয়ে গেছে বাড়ি ঘর ও রাস্তা ঘাট। পানিবন্দী হয়ে পড়েছে কমপক্ষে ৩৫ হাজার পরিবার। বন্যা দুর্গত এলাকায় শুকনো ভাবার, বিশুদ্ধ খাবার পানীয় জল, পয়ঃনিস্কাশনের ও গো-খাদ্য সমস্যা প্রকট। হাজার হাজার একর জমির ফসল শাকসবজি বিনষ্ট হয়ে গেছে। এ সব এলাকায় ২৯৮টি স্কুল কাম আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে।

বন্যার্তদের মাঝে সরকারী সহায়তা পর্যাপ্ত নয়। জরুরী ভিত্তিতে বন্যা দুর্গতদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দেয়া জরুরী বলে জানিয়েছেন বন্যাকবলিত মানুষ। ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নড়িয়া উপজেলার জন্য ১১০ মেঃটন জাজিরা উপজেলায় ২৬০ মেঃ টন, ভেদরগঞ্জ ৩০ মেঃটন,শরীয়তপুর সদর উপজেলায় ৭০ মেঃ টন জিআর চাল বরাদ্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রশাসন।

শরীয়তপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী হাসান হাবিবুর রহমান নিউজনাউকে বলেন, পদ্মানদীর পানি অব্যাহত বৃদ্ধির ফলে বুধবার (২২ জুলাই) সকাল ৯টায় বিপদ সীমার ৩৫ সেঃমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ৪টি উপজেলা বন্যা কবলিত হয়েছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।
নিউজনাউ/এফএফ/২০২০

Express Your Reaction
Like
Love
Haha
Wow
Sad
Angry
এছাড়া, আরও পড়ুনঃ
Loading...