বৃহত্তর চট্টগ্রামে সাত বাড়ি লকডাউন

0 31

চট্টগ্রাম ব্যুরোঃ

চট্টগ্রামে প্রথম করোনা ভাইরাসের রোগী শনাক্ত হওয়ার পর বৃহত্তর চট্টগ্রামে মোট সাতটি বাড়ি লকডাউন করেছে প্রশাসন। এই বাড়ির বাসিন্দা আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্ষে এসে থাকতে পারেন বলে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সাতটি বাড়ির মধ্যে ছয়টি হল চট্টগ্রাম নগরের দামপাড়া এলাকায়। তার মধ্যে আক্রান্ত ব্যক্তির বাড়িটির সব মানুষের ভেতর বাহির হওয়া বন্ধ করা হয়েছে এবং আশেপাশের অন্য পাঁচটি বাড়ির মানুষের চলাচল সীমিত করা হয়েছে। লকডাউন করা অন্য বাড়িটি হল চট্টগ্রাম উপজেলা সাতকানিয়ায়।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাতে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মামনুন আহমেদ অনীক ও সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নূরে আলম ভবনগুলো লকডাউন ঘোষণা করেন।

ম্যাজিস্ট্রেট অনীক নিউজনাউকে জানান, করোনা আক্রান্ত রোগী দামপাড়ায় একটি দোতলা ভবনের ওপরের তলায় থাকেন। তাদের বাসায় ছয়জন আছেন। নিচতলার আরেক ফ্ল্যাটে পাঁচজন থাকেন। আক্রান্ত ব্যক্তি চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ওই ভবনে বসবাসরত বাকিরা হোম কোয়ারেনটাইনে থাকবেন। সেখানে পুলিশ মোতায়েন থাকবে। আশপাশের বাকি পাঁচটি ভবনের বাসিন্দাদের চলাচল সীমিত করা হয়েছে। সেখানে প্রায় ৪০টি পরিবার বসবাস করে। তারা আপাতত বাসা থেকে বের হতে পারবেন না।তাদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের সকল সহযোগিতা করা হবে। স্থানীয় বাগমনিরাম ওয়ার্ডের কাউন্সিলর গিয়াস উদ্দিন বিষয়টি তত্ত্বাবধান করবেন বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

ম্যাজিস্ট্রেট অনীক আরও জানান, আক্রান্ত ব্যক্তির মেয়ে ও জামাই গত ১২ মার্চ সৌদিআরব থেকে চট্টগ্রামে এসে তার বাসায় ওঠেন। সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্টদের ধারণা, সৌদিফেরত মেয়ে ও জামাই থেকে তিনি সংক্রমিত হতে পারেন। তবে ওই দু’জনের মধ্যে আক্রান্ত হওয়ার কোনো লক্ষণ নেই।

সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নূরে আলম জানান, দামপাড়ার যে বাসিন্দার করোনা শনাক্ত হয়েছে সাতকানিয়ার পুরানগড়ে তার মেয়ের বাড়িও আমরা লকডাউন করে দিয়েছি।

এর আগে কক্সবাজারের বাসিন্দা এক রোগীর শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছিল। ওই রোগী চট্টগ্রাম নগরীতে একদিন অবস্থান করেছিলেন। তখন চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও ও বাকলিয়ায় দুটি ভবন লকডাউন করা হয়েছিল।

Express Your Reaction
Like
Love
Haha
Wow
Sad
Angry
এছাড়া, আরও পড়ুনঃ
Loading...