alo
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

পাটকল করপোরেশনের সব বন্ধ মিল চালু করা হবে: পাটমন্ত্রী

প্রকাশিত: ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ১০:০৬ পিএম

পাটকল করপোরেশনের সব বন্ধ মিল চালু করা হবে: পাটমন্ত্রী
alo

 

চট্টগ্রাম ব্যুরো: বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বলেছেন, এ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের (বিজেএমসি) সব বন্ধ মিল পর্যায়ক্রমে চালু করা হবে। এসময় তিনি ২৫টি রাষ্ট্রায়াত্ত পাটকল লিজের প্রক্রিয়ায় থাকার কথাও জানান।

বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামে অবস্থিত আমিন জুটমিল পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিক একথা জানান তিনি। এ সময় চট্টগ্রামের বিজেএমসি'র ঊর্ধতন কর্মকর্তাসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী বলেন, বিজেএমসির ভাড়াভিত্তিক মিলে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় উৎপাদন ও উৎপাদিত পাটপণ্য রফতানি কার্যক্রম এরইমধ্যে শুরু হয়েছে। এসব মিলে নতুন করে অনেকের কর্মসংস্থানেরও সুযোগ তৈরি হয়েছে। রাষ্ট্রায়াত্ত পাটকল বেসরকারি খাতে ইজারা দিতে শর্ত সংশোধনের প্রক্রিয়াও চলছে। এটি শেষ হতে ১৫ দিনের মতো লাগতে পারে।’ 

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘যখন মিলগুলো বন্ধের ঘোষণা দিই, তখন প্রধানমন্ত্রী আমাদের খুব তাড়াতাড়ি মিলগুলো আবার চালু করতে হবে বলে বলেছিলেন। কীসের ভিত্তিতে হবে তার একটি ধারণাও তিনি দিয়েছিলেন। আমরাও দ্রুত সময়ের মধ্যে মিলগুলো চালুর চিন্তা করি। আর এটির সহজ রাস্তা হলো ইজারার ভিত্তিতে। এরইমধ্যে তিনটি মিল তিনজন লিজগ্রহীতা চালু করেছেন। আরও তিনটি চালুর পর্যায়ে আছে। যারা লিজ নেবেন তারা যেন ভাবেন যে লিজ নিলে ক্ষতি নয়; লাভ হবে— সেই প্রক্রিয়ায় এগোচ্ছি আমরা।’

গোলাম দস্তগীর গাজী বলেন, ‘বন্ধ করা ২৫টি রাষ্ট্রায়াত্ত পাটকল লিজের প্রক্রিয়ায় আছে। এর মধ্যে ১০টির মতো মিলের লিজের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। শর্ত সংশোধন হলে লিজ নিতে ইচ্ছুক ব্যবসায়ীরা ব্যাপকভাবে আগ্রহী হবেন। আমাদের মূল কাজ হচ্ছে মিলগুলো তাড়াতাড়ি চালু করা। পাটকলের ও সরকারি জায়গা অবৈধদের দখলে থাকার বিষয়টি আমরা পরে নজর দেব।’

চট্টগ্রামের আমিন জুট মিলটি বন্ধ থাকা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘এটি দুই বছর ধরে বন্ধ আছে। মিলটি একেবারের শহরের মাঝখানে অবস্থিত। তাই এ ব্যাপারে সিটি করপোরেশনের সঙ্গে কথা বলতে হবে। তারা এখানে মিলটি থাকতে পারবে বলে জানালে আমরা লিজ দিয়ে আবারও সেটি চালু করার ব্যবস্থা নেব।’

শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধের ব্যাপারে মন্ত্রী বলেন, ‘৯৮ শতাংশ শ্রমিকের টাকা আমরা দিয়ে দিয়েছি। তবে অন্য সমস্যার কারণে কিছু শ্রমিক এখনও টাকা পাননি। এদের অনেকেই বাসা দখল করে আছে। অনেকের আবার মামলাজনিত ও পরিচয়পত্রে ভুলের সমস্যাও রয়েছে। মানবিক দিক বিবেচনা করে এদের টাকাও দ্রুত দিতে আমি সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছি।’ 

মন্ত্রী আমিন জুট মিলের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন আমিন জুটমিলের মহাব্যবস্থাপক এ এইচ এম কামরুল হাসান, ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) আলাউদ্দিন পাটোয়ারী, ব্যবস্থাপক (উৎপাদন) মিলজার হোসেন, কর্মকর্তা মো. জহির উদ্দীন প্রমুখ।

নিউজনাউ/পিপিএন/২০২২

X