সম্ভাবনার নাম সাবরাং ও নাফ ট্যুরিজম পার্ক

চট্টগ্রাম ব্যুরো : ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রধান উপার্জন খাত হলো পর্যটন। সবুজ-শ্যামল বাংলাদেশেও পর্যটন খাদের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু বিশাল এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারছে না সরকার। এজন্য দায়ী করছেন সঠিক, দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অভাবকে। আর যেসব পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে, সেগুলোর বাস্তবায়নও হয়নি নানামুখি জটিলতার কারণ। ঝুলে আছে বেশিরভাগ প্রকল্প। এমন বাস্তবতায় আশার আলো দেখাচ্ছে টেকনাফের সাবরাং এবং নাফ নদীর জালিয়ার দ্বীপে দেশের প্রথম বিশেষায়িত ট্যুরিজম পার্ক। যেখানে পাতায়ার আদলে গড়ে তোলা হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন অঞ্চল।

অনেকেই বলছেন, পরিকল্পনা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হলে সাবরাং হবে দক্ষিণ এশিয়ার সেরা পর্যটন কেন্দ্র। কক্সবাজার থেকে ৮০ কিলোমিটার দূরত্বে টেকনাফের সাবরাংয়ে এক হাজার ৪১ কিলোমিটার জমিতে গড়ে উঠছে নতুন এক পর্যটন অঞ্চল। এখানে থাকবে পরিবেশবান্ধব শহর, সুন্দরবনের থিম পার্ক ও নাইট সাফারি, রয়্যাল ক্যাসিনো, গলফ ক্লাব, অ্যাকোয়ারিয়াম, জাদুঘর, হেরিটেজ পার্ক, শপিং মল, রেস্টুরেন্ট, ক্লাবসহ অন্যান্য সুবিধা। গড়ে তোলা হবে ১০০ শয্যার হাসপাতাল এবং স্কুল।

অন্যদিকে, নাফ নদীর জালিয়ার দ্বীপের ২৯১ একর ভূমির উপর তৈরি হবে দেশের প্রথম বিশেষায়িত ট্যুরিজম পার্ক। এই দ্বীপকে আন্তর্জাতিকমানের ট্যুরিজম পার্কে রূপ দেয়ার কাজ চলছেও জোরেশোরে। পার্কটিতে থাকবে পাঁচ তারকা হোটেল, ঝুলন্ত সেতু, ৯ দশমিক ৫ কিলোমিটার ক্যাবল কার নেটওয়ার্ক, রিসোর্ট, ভাসমান জেটি, শিশু পার্ক, ইকো-কটেজ, ওশানেরিয়াম, ওয়াটার রেস্টুরেন্ট, ভাসমান রেস্টুরেন্টসহ বিনোদনের বিভিন্ন আয়োজন রাখা হচ্ছে। কিন্তু সম্ভাবনার এই প্রকল্প দুটির বাস্তবায়নে বড় বাধা হয়ে দেখা দিয়েছে লবণাক্ততা। কিভাবে সমস্যার সমাধান সম্ভব? সমস্যাটি বেশ ভাবাচ্ছে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ-বেজাকে। বিস্তারিত দ্বিতীয় পর্বে।

Express Your Reaction
Like
Love
Haha
Wow
Sad
Angry
এছাড়া, আরও পড়ুনঃ
Loading...